গরমেও ত্বকের জেল্লা বজায় থাকবে কী ভাবে ছবি: সংগৃহীত।
সানস্ক্রিনের বর্ম ভেদ করেও ঢুকে পড়ছে কি অতিবেগনি রশ্মি? কালচে হয়ে যাচ্ছে মুখ? নিয়ম করে ক্লিনজ়িং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজ়িংয়ের পরেও বেহাল ত্বক? চড়া রোদকে বুড়ো আঙুল দেখাতে একবার পরখ করে দেখুন মা-ঠাকুরমাদের রূপচর্চা পদ্ধতি।
সানস্ক্রিন মাখুন। ক্লিনজ়িং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজ়িং-ও করতে হবে নিয়ম মেনেই। তবে সপ্তাহে ২ দিন ঘরে ফিরে মেখে নিন চন্দন এবং পাকা আমের প্যাক।
বাজারে পাকা আম উঠতে শুরু করেছে। এই সময়েই রূপচর্চায় কাজে লাগাতে পারেন আমের পুষ্টিগুণ। ভিটামিন এবং খনিজে ভরপুর এই ফলে ত্বকের লাবণ্য ফেরানোর অনেক উপাদানই মজুত রয়েছে। আমে থাকে ভিটামিন সি, যা ত্বকের জন্য ভাল। এ ছাড়াও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর আম ত্বকের পুনরুজ্জীবনেও সাহায্য করে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের হাত থেকে বাঁচায়।
অন্য দিকে, চন্দনের প্রলেপে পাবেন আরামের পরশ। ঠা-ঠা রোদে মুখ-হাতে জ্বালা ভাব শুরু হয়। জলের ঝাপটাতেও তা না কমলে মুখে চন্দন বেটে লাগান। নিমেষে জ্বালা ভাব কমবে, ঠান্ডা বোধ হবে। রূপচর্চায় চন্দনের ব্যবহার আদি-অকৃত্রিম। মুখের কালচে ভাব সরিয়ে ঔজ্জ্বল্য আনতে এর জুড়ি মেলা ভার। ছোটখাটো সংক্রমণ, প্রদাহ কমাতেও চন্দন খুবই কাজের।
কী ভাবে বানাবেন আম-চন্দনের ফেস প্যাক?
২ টেবিল চামচ পাকা আমের ক্বাথের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ চন্দনবাটা মিশিয়ে নিন। গুঁড়ো চন্দনও কিনতে পারেন, তবে উপকার তখনই মিলবে যদি তা খাঁটি হয়। মুখ ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তার পরে প্যাক লাগিয়ে নিন। ১০-১৫ মিনিট রাখার পরে মুখে জলের ঝাপটা দিন। আঙুলের সাহায্যে প্যাক আলতো করে ঘষে তুলে দিন।
এক বার ব্যবহারের পরেই তফাত চোখে পড়বে। তবে জেল্লা ধরে রাখতে হলে সপ্তাহে অন্তত ২টি দিন প্যাকটি ব্যবহার করতে হবে। সেই সঙ্গে রোদে বেরোলে ছাতা নেওয়াও জরুরি।