চুলের রং ফিকে হয়ে যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি? কোন উপায়ে রং স্থায়ী হবে? ছবি:সংগৃহীত।
সালোঁ থেকে চুল রং করে আসার পরে যে জেল্লা আসে, তা মন ফুরফুরে করে দেয়। কিন্তু দিন কয়েক যেতে না যেতেই যখন শখের রং হালকা হতে শুরু করে কিংবা ঠিক যে রংটি করা হয়েছিল তা বদলাতে শুরু করে, তখন মন খারাপ হয়। খরচ করে রং করানোর পর তা যদি স্থায়ী না হয়, কারই বা ভাল লাগে?
এমন সমস্যার সঙ্গে মিল পাচ্ছেন কি? কারও চুলে রং খুব দ্রুত উঠতে শুরু করে। কখনও রং পাল্টাতে থাকে, কখনও চুলের গোড়া সাদা হয়ে যায়। আবার চুলের নীচের অংশ পাতলা হয়ে গেলে, সেখানে চুলের রংও যেন বিশ্রী দেখায়।
প্রস্তুতি দরকার: ছবি আঁকার জন্য যেমন সাদা ক্যানভাসের দরকার, চুলের জন্যও তাই। রং করাবেন মনস্থির করলে সালোঁয় যাওয়ার এক বা দুই দিন আগে ক্ল্যারিফাইং শ্যাম্পু দিয়ে মাথার ত্বক পরিষ্কার করে নিন। এই শ্যাম্পু মাথার ত্বকে জমে থাকা তেল, ময়লা এবং পুরনো রং তুলে দিতে সাহায্য করে। মাথার ত্বক গভীর ভাবে পরিষ্কার করে।
চুলের ছাঁট: চুলের ডগা পাতলা হয়ে ফেটে থাকলে তার উপরে রং মোটেই ভাল লাগে না। তা ছাড়া সে ক্ষেত্রে রং চুলে সমান ভাবে বসেও না। ভাল হয়, যদি চুলের ফাটা, পাতলা হওয়া অংশ অল্প করে ছেঁটে নেওয়া যায়। তার পরে রং করলে চুল বেশি ভাল দেখাবে।
৭২ ঘণ্টায় শ্যাম্পু নয়: রং করিয়ে আসার পরে ৭২ ঘণ্টা শ্যাম্পু না করাই ভাল। এই সময়ে কিউটিকলে রং বসতে দিতে হয়। তাড়াহুড়ো করলে রং দ্রুত হালকা হয়ে যেতে পারে।
স্নানের সময় ভুলভ্রান্তি: দিনের শেষে গরম জলে স্নান আরামদায়ক। তবে গরম জলে স্নান করলে চুলের রং দ্রুত উঠে যেতে পারে। ভাল হয় যদি ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করা যায়। ঠান্ডা জলও ভাল। তা ছাড়া শ্যাম্পু হওয়া দরকার সালফেট মুক্ত। সালফেট দ্রুত চুলের রং উঠিয়ে দিতে পারে। রঙিন চুলের জন্য বিশেষ ফর্মুলার শ্যাম্পু হয়, সেগুলি ব্যবহার করলেও রঙের স্থায়িত্ব বাড়ানো সম্ভব।