গরমে ত্বক ভাল থাকবে, কী কী মাখবেন? ছবি: ফ্রিপিক।
চড়া রোদেও বাইরে বেরোতে হবে। তাতে ত্বকের অবস্থা যতই বেহাল হোক না কেন। আর কেবল রোদ নয়, রাস্তার ধুলোবালিও ত্বকে ঢুকে উন্মুক্ত রন্ধ্রের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। রোদ লাগলে র্যাশ, ব্রণ-ফুস্কুড়ির সমস্যাও হয়। প্রচণ্ড গরমে ত্বক যদি ঠান্ডা রাখতে হয়, তা হলে কিছু নিয়ম মানতে হবে। দামি প্রসাধনীর চেয়েও কার্যকর হতে পারে ঘরোয়া কিছু প্যাক।
গরমের সময়ে র্যাশের সমস্যা কমাতে কী কী মাখবেন?
কফি-মধুর প্যাক
একটি পাত্রে দু’চামচ করে চিনি, কফি, মধু মেশাতে হবে। মিশ্রণটি ত্বকে ভাল করে মালিশ করে ১৫ মিনিট মতো রেখে দিতে হবে। তার পর তা ধুয়ে নিয়ে ময়শ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিতে হবে। এই পদ্ধতিত্বকে রক্ত চলাচল বাড়বে। ফলে ত্বক আরও উজ্জ্বল দেখায়।
টম্যাটো ও দইয়ের প্যাক
কাজের প্রয়োজনে বাইরে বেরোতেই হচ্ছে। সানস্ক্রিন ব্যবহার করার পরেও ট্যান পড়ছে ত্বকে। চটজলদি ত্বকের ট্যান তুলতে আপনার ভরসা হতে পারে টম্যাটো ও দইয়ের ফেসপ্যাক। এই দুটি উপাদানেই রয়েছে ভিটামিন সি। ত্বকের যত্নে ভিটামিন সি-র জুড়ি মেলা ভার। টম্যাটোর রস ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে মাস্কের মতো মুখে লাগিয়ে রাখুন। আধ ঘণ্টা রেখে শুকিয়ে এলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের হারিয়ে যাওয়া জেল্লা ফিরে পেতে অসাধারণ কাজ করে এই ফেসপ্যাকটি।
গ্রিন টি-পুদিনার মাস্ক
গ্রিন টি বানিয়ে নিয়ে তাতে পুদিনা পাতা বাটা ও এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এই প্যাক মুখে ও হাতে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলে রোদে পোড়া দাগছোপ উঠে যাবে। ত্বক নরম ও মসৃণ হবে।
গ্রিন টি টোনার
রাস্তার ধুলো-ময়লা আর দূষণের জেরে ত্বকের বারোটা বাজে। যাঁদের তৈলাক্ত ত্বক, তাঁদের ত্বকের সমস্যা আরও বেশি। তাই বাড়ি ফিরেই টোনার ব্যবহার করতে হবে। গ্রিন টি কিন্তু টোনার হিসাবে দারুণ কাজ করে। বেশি করে গ্রিন টি বানিয়ে কাচের শিশিতে ভরে রাখুন। রাস্তা থেকে ফিরে বা রাতে ঘুমানোর আগে এই টোনার ব্যবহার করুন।