Height Growth Exercises

সন্তানের উচ্চতা নিয়ে চিন্তা? স্কিপিং ছাড়াই লম্বা হবে সহজ কিছু স্ট্রেচিং ও যোগাসনে

উচ্চতা বৃদ্ধিরও ব্যায়াম আছে। কেবল সাঁতার কাটা বা স্কিপিং করলেই যে লম্বা হবে, তা নয়। এমন কিছু সহজ ব্যায়াম, স্ট্রেচিং ও যোগাসনের পদ্ধতি আছে যা নিয়মিত অভ্যাস করলে উচ্চতা বাড়বেই।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১:১৬
Share:

উচ্চতা বৃদ্ধির সহজ কিছু ব্যায়াম। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

শিশুর বেড়ে ওঠার বয়সে উচ্চতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক সময় দেখা যায়, সমবয়সিদের তুলনায় কোনও শিশুর উচ্চতা কিছুটা কম। আবার বয়স পেরিয়ে গেলেও উচ্চতা ঠিকমতো বাড়েনি, এমনও দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে অনেকেই পরামর্শ দেন যে, নিয়মিত স্কিপিং করতে হবে বা সাঁতার কাটতে হবে। তবে ফিটনেস প্রশিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, স্কিপিং না করেও লম্বা হওয়া যায়। সঠিক ব্যায়াম, যোগাসন এবং সঠিক দেহভঙ্গি হাড়ের বৃদ্ধিতে এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরণে সাহায্য করে।

Advertisement

লম্বা বা বেঁটে হওয়ার পিছনে বংশগতির একটা ভূমিকা আছে। আবার সঠিক পুষ্টির অভাব, গ্রোথ হরমোন আর থাইরয়েড হরমোনের তারতম্যের কারণেও সঠিক বয়সে বাড়বৃদ্ধি থমকে যেতে পারে। বেশির ভাগ শিশুই ইদানীংকালে ‘গ্রোথ হরমোন ডেফিসিয়েন্সি’-তে ভুগছে। এর কারণই হল ছোট থেকে হরমোনের নানা সমস্যা দেখা দেওয়া। ওজন এবং উচ্চতা যদি স্বাভাবিকের থেকে কম হয়, তা হলে বাবা-মাকে সতর্ক হতেই হবে। সে ক্ষেত্রে সঠিক ডায়েট যেমন জরুরি, তেমনই সময় থাকলে নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম করাও প্রয়োজন।

উচ্চতা বাড়বে কোন কোন ব্যায়ামে?

Advertisement

ক্যাট স্ট্রেচ বা মার্জারাসন

এই ব্যায়ামের উদ্দেশ্যই হল মেরুদণ্ডকে সোজা করা এবং কাঁধ ও বুকের পেশির জোর বৃদ্ধি। আবার হ্যামস্ট্রিংয়ের স্ট্রেচিং হয় বলে রক্ত সঞ্চালনও হয় ভাল। ব্যায়ামটি করতে হামাগুড়ির ভঙ্গিমায় মেঝেয় বসতে হবে। এতে জোর পড়বে হাতের তালু এবং হাঁটুতেও। এ বার শ্বাস নিতে নিতে পিঠ উপরের দিকে যতটা সম্ভব বাঁকাতে হবে। ৫-১০ সেকেন্ড থেকে শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে আবার আগের অবস্থানে ফিরে যেতে হবে। এই ব্যায়াম করার সময়ে কোনও ভাবেই কনুই এবং কাঁধ বাঁকালে চলবে না।

Advertisement

তাড়াসন

উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য আসনটি খুবই উপযোগী। দুই পায়ের পাতার মধ্যে দুই ইঞ্চি দূরত্ব রেখে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। হাত দু’টি দু’পাশ থেকে তুলে, কনুই ভাঁজ করে নিয়ে যান মাথার পিছন দিকে। এ বার দু’হাতের আঙুল একত্রিত করুন। হাতের তালু রাখুন মাথার পিছন দিকে। শ্বাস নিতে নিতে হাত দু’টি মাথার উপর দিয়ে প্রসারিত করুন। হিল জুতো পরার মতো গোড়ালি মাটি থেকে উপর দিকে তুলতে হবে। মাটির সঙ্গে শুধুমাত্র আঙুলের অংশ স্পর্শ করে থাকবে। এই অবস্থায় গোটা শরীরেই টান পড়বে। ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড থেকে গোড়ালি নামিয়ে নিতে হবে।

ফরওয়ার্ড বেন্ডিং স্ট্রেচ

মেঝেয় সোজা হয়ে বসে দুই পা ছড়িয়ে দিতে হবে। এ বার দু’হাত দিয়ে দুই পায়ের বুড়ো আঙুল ধরার চেষ্টা করতে হবে। গোড়ায় ছুঁতে সমস্যা হলেও নিয়মিত অভ্যাসে ব্যায়ামটি সহজ হবে।

বৃক্ষাসন

আসনটি যে কেবল পায়ের পেশির জোর বৃদ্ধি করবে তা নয়, শরীরের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করবে এবং মনঃসংযোগও বৃদ্ধি করবে। সোজা হয়ে দাড়িয়ে দু’টি হাত নমস্কারের ভঙ্গিতে বুকের কাছে আনতে হবে। শরীরের ভারসাম্য রেখে ডান হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের পাতাটি বাম ঊরুর উপর রাখতে হবে। পিঠ সোজা রেখে হাত নমস্কার ভঙ্গিতে মাথার উপর তুলে ৩০ সেকেন্ড শরীরের ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করতে হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement