ভাগ্যশ্রী। ছবি: সংগৃহীত।
তাঁকে দেখলে এখনও সদ্য চল্লিশ পেরনো যুবতী মনে হয়। অথচ সে বয়স ১৬ বছর আগে পেরিয়ে এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী। এখন তিনি ষাটের কাছাকাছি। এই বয়সেও তাঁর চেহারা, তাঁর ত্বকের জেল্লা দেখে অবাক হন অনুরাগীরা। মাঝেমধ্যেই ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম পেজে নিজের শরীরচর্চা এবং ত্বক পরিচর্যার রুটিন ভাগ করে নেন ভাগ্যশ্রী। সম্প্রতি ত্বকের জেল্লা ধরে রাখার জন্য বিশেষ উপায়ে পালংশাক খাওয়ার পরামর্শ দিলেন অভিনেত্রী।
পালংশাকেই নাকি লুকিয়ে আছে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া জেল্লা ফিরে পাওয়ার রসদ। ভাগ্যশ্রী বলেন, ‘‘হিমোগ্লোবিনের কারণেই মুখ উজ্জ্বল দেখায়। লোহিত রক্তকণিকায় থাকা হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে শরীরের বাকি অংশে অক্সিজেন পরিবহণে সাহায্য করে। শরীরে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি হলে পালংশাক খাওয়া ভাল। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন এ, সি ও কে রয়েছে। এটি শুধু পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে না, বরং দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও উন্নত করে। এতে থাকা ফাইবার হজমে সহায়তা করে। তবে পালংশাকের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করতে হলে এতে লেবু যোগ করা জরুরি। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি আয়রন শোষণে সাহায্য করে।’’
শরীরে আয়রনের মাত্রা কমে গেলে, পর্যাপ্ত পরিমাণে লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করতে শরীরের অসুবিধা হয়। এর ফলে ক্লান্তি, দুর্বলতা আসে, শক্তি কমে যায়। এ কারণেই যাঁদের হিমোগ্লোবিন কম, তাঁরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরেও প্রায়শই ক্লান্ত বোধ করেন। প্রতি দিন শাকসব্জি, ডাল, শিম এবং বিভিন্ন ধরনের বীজের মতো আয়রন-সমৃদ্ধ খাবার খেলে তা রক্তের স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে এবং সার্বিক শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি ছাড়া নিরামিষ খাবার থেকে পাওয়া আয়রন ভাল ভাবে শোষিত হয় না। ডাল, স্যালাড বা সবুজ শাকসব্জির মতো খাবারে লেবুর রস দিলে তা আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি করে। নিয়ম করে লেবুজল খাওয়ারও অভ্যাস করতে পারেন। তবে পরিমাণের বিষয় সতর্ক থাকুন। খুব বেশি মাত্রায় লেবু খেলেও আবার সমস্যা হবে। রোজের ডায়েটে আয়রন আর ভিটামিন সি- এর ভারসাম্য ঠিকঠাক থাকলেই ত্বক দেখাবে জেল্লাদার।