Mangalahat

মঙ্গলবার থেকে হাওড়ার মঙ্গলাহাটের ফুটপাথে আর বসতে পারবেন না কাপড় ব্যবসায়ীরা! নবান্নের নির্দেশ জানাল পুলিশ

সোমবার মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের হাওড়া থানায় ডেকে এ কথা জানিয়ে দিলেন হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা। এ-ও জানালেন রাজ্য সরকারের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ২৩:৫৪
Share:

—ফাইল চিত্র।

হাওড়া ময়দান সংলগ্ন এলাকার রাস্তা এবং ফুটপাতে আর পসরা নিয়ে বসতে পারবেন না মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার থেকে চালু হচ্ছে এই ব্যবস্থা। সোমবার মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের হাওড়া থানায় ডেকে এ কথা জানিয়ে দিলেন হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা। এ-ও জানালেন রাজ্য সরকারের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

হাওড়া ময়দান চত্বরে হাওড়া পুরসভা ও জেলাশাসকের দফতরের সামনে মহাত্মা গান্ধী রোড, হাওড়া জেলা হাসপাতাল, হাওড়া আদালত এবং এসডিও দফতরের সামনে ঋষি বঙ্কিম সরণি, হাওড়া থানার সামনে নিত্যধন মুখার্জি রোড, হাওড়া গার্লস কলেজের সামনে চার্চ রোডের মতো রাস্তায় বা হাওড়া ময়দান চত্বরের রাস্তা বা ফুটপাতে আর মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা জামা-কাপড় নিয়ে বসতে পারবেন না। শুধু তাই নয়, মঙ্গলাহাটের ভবনগুলি থেকে দিনের ব্যস্ত সময়ে মাল নামানো যাবে না। সেখানে মাল রাখাও যাবে না। রাজ্য সরকারের তরফে এই নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, মঙ্গলবার অন্যান্য সপ্তাহের মতোই তাঁরা রাস্তায় পসরা সাজিয়ে বসবেন। পুলিশ যদি তাঁদের জোর করে তুলে দেয়, তা হলে তাঁরা জেলাশাসক এবং পুলিশ কমিশনারের দ্বারস্থ হবেন। এই প্রসঙ্গে হাওড়া মঙ্গলাহাট ব্যবসায়ী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাজকুমার সাহা বলেন, ‘‘অধিকাংশ হাট ব্যবসায়ীই রাস্তা ও ফুটপাথে বসেন। আসলে রাস্তা ও ফুটপাথে বসতে না দেওয়ার নাম করে বহু বছর ধরে চলে আসা এই মঙ্গলাহাটকেই তুলে দিতে চাইছে রাজ্য সরকার। আমরা পুলিশকে জানিয়েছি, আপনারা যদি জোর করে হাট তুলে দিতে চান, তার তেমন প্রতিক্রিয়াও হবে কিন্তু।’’

Advertisement

প্রসঙ্গত, হাট বিল্ডিং বাদ দিয়ে মঙ্গলাহাটের রাস্তায় বসে বিক্রি করেন সারা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষজন। রাস্তা কিংবা ফুটপাথে বসা ব্যবসায়ীর সংখ্যাটা প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার। জামা-কাপড় তৈরি-সহ এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আরও কয়েক হাজার মানুষ। মঙ্গলাহাটে ১৪টি বিল্ডিংয়েও প্রচুর পাইকারি ও খুচরো জামাকাপড় বিক্রেতা রয়েছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement