রশ্মিকা মন্দানার রূপের রহস্য। ছবি: সংগৃহীত।
তাঁর ত্বকের জেল্লা, আভা, দীপ্তি যেন চোখধাঁধানো। তা সে শাড়ি পরুন বা ড্রেস, মুখে ভারী মেকআপ থাকুক বা হালকা ক্রিম, অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দানা তাঁর রূপের কারণে ‘জাতীয় ক্রাশ’-এর তকমাও পেয়েছেন। তার উপর রশ্মিকা মানেই একগাল হাসি। অভিনেত্রীর সৌন্দর্যের চাবিকাঠি আসলে লুকিয়ে রয়েছে শেষেরটিতেই। হাসি, আনন্দ, সুখ— এই নিয়েই রূপচর্চা চলে বিজয় দেবরকোণ্ডার স্ত্রী রশ্মিকার।
স্বামী বিজয়ের সঙ্গে রশ্মিকা। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে অনুরাগীদের প্রশ্ন ছিল, রশ্মিকার এমন রূপের রহস্য কী?
রশ্মিকা উত্তর দিলেন, ‘‘এমন মানুষদের সঙ্গে থাকতে হবে, যাঁরা আপনার ভিতরের শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে। পাশাপাশি, তাঁদের ভিতরের শিশুকেও আপনাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আনন্দে থাকুন, সকলে।’’ রশ্মিকার রূপের রহস্য সুখ ও সারল্য, শিশুর মতো যে সারল্যকে বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছেন তাঁর আশপাশের মানুষেরা। অন্তত এমনই দাবি বিজয়ের স্ত্রীর। তার মানে তাঁর পরিবার, বিজয়ের পরিবার, সকলের সঙ্গে তাঁর সুখের সংসারের ইঙ্গিত দিলেন এ ভাবে। কিন্তু তাঁর এই দাবির নেপথ্যেও বিজ্ঞান রয়েছে।
রূপ ও সুখের মধ্যে কী সম্পর্ক?
রশ্মিকার এই স্বীকারোক্তি রূপচর্চা, ত্বকচর্চা, কেশচর্চার গণ্ডি ছাড়িয়ে মন ও সুখের সম্পর্কের আলোচনার সুযোগ করে দিয়েছে। মুখেই ধরা পড়ে সুখ-দুঃখের কথা। চেহারাকে মনের প্রতিবিম্ব বলা চলে। একটানা মানসিক চাপ, স্ট্রেস হরমোন বা কর্টিসলের ক্ষরণ ইত্যাদি চোখেমুখে স্পষ্ট ধরা পড়ে। কর্টিসলের কারণে ব্রণ, এগজ়িমা, সোরিয়াসিস, অকালবার্ধক্যের ছাপ পড়ে চেহারায়।
অনেক সময়ে সৌন্দর্যকে শুধুমাত্র বাইরের চেহারার সঙ্গে জুড়ে দেখা হয়। কিন্তু মন ভাল থাকলে, মানুষ স্বস্তিতে থাকলে এবং চারপাশে সম্পর্কগুলি ঠিক থাকলে তার প্রভাব মুখেও ফুটে ওঠে। ঘুমের সমস্যা, ক্লান্তি, মুখে কালি পড়ে যাওয়া, ত্বকের জেল্লা কমে যাওয়া— এসবের সঙ্গেও মানসিক স্বাস্থ্যের সম্পর্ক রয়েছে। তাই সুখী এবং নিরাপদ সম্পর্ক অনেক সময়ে প্রসাধনীর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তারই ইঙ্গিত করলেন রশ্মিকা।