ত্বকের পরিচর্যা কী ভাবে করলে নরম ও মসৃণ থাকবে? ছবি: ফ্রিপিক।
প্রচুর পরিমাণে ক্রিম মেখেও এই খসখসে ভাব দূর হচ্ছে না। এই সমস্যার সমাধানে শুধু ক্রিম বা বাজারচলতি প্রসাধনীতে লাভ হবে না। ত্বকের কোষ ভিতর থেকে সতেজ ও সজীব করে তুলতে হবে। সাধারণত ত্বকে মৃতকোষের আধিক্য হলে, এমন খসখসে ভাব আসে। ছাল উঠতে শুরু করে। তাই কোষের পুনর্গঠনের না হলে ত্বকের পেলম ও মসৃণ ভাব ফিরে আসবে না।
বয়স বা়ড়তে থাকলে বলিরেখা, ত্বক কুঁচকে যাওয়া, জৌলুস কমে যাওয়া— এমন নানা লক্ষণই দেখা দিতে পারে। সেটা স্বাভাবিকও। তবে, কেউ ৪০-এ বুড়িয়ে যান, আবার কেউ ৫০-এর কাছাকাছি পৌঁছেও ধরে রাখতে পারেন তারুণ্য। তার জন্য প্রয়োজন সঠিক উপায়ে ত্বকের পরিচর্যা করা।
কী ভাবে যত্ন নেবেন ত্বকের?
গাজর আর বেসনের প্যাক
গাজরের পেস্ট, দুধ এবং ২ চামচ বেসন (ছোলা বা ছোলার ডালের গুঁড়ো) এক সঙ্গে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি মুখে এবং হাত-পায়ে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই ফেস প্যাকটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল ও রোদে পোড়া (ট্যান) দাগ দূর করতে কার্যকর। এটি শুষ্ক, তৈলাক্ত এবং মিশ্র প্রকৃতির ত্বকের জন্যও উপযুক্ত।
মধু-দারচিনি
ত্বক নরম রাখতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। শুধু মধু দিয়েও ব্রণর প্রতিরোধ করা সম্ভব। কারণ মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। মধু ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে পারে। ১ চামচ দারচিনি গুঁড়োর সঙ্গে তিন চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে মাখুন। ১০ মিনিট মতো রেখে ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক অতিরিক্ত খসখসে হলে সপ্তাহে তিন দিন এই প্যাক ব্যবহারে উপকার পাবেন।
কলা-দইয়ের প্যাক
অর্ধেকটা পাকা কলা, ১ চামচ টক দই, আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো নিতে হবে। কলা, টক দই এবং হলুদ গুঁড়ো এক সঙ্গে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।মুখ ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করতে পারেন।