চল্লিশোর্ধ্বদের জন্য রইল কিছু অ্যান্টি-এজিং পানীয়ের রেসিপি। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
বয়স বাড়লে তো বটেই, এখন অল্প বয়সেও ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে শুরু করে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণেই তা হয়। আর বয়স চল্লিশ পার হলে ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন কমতে থাকে। পাশাপাশি শরীরে হরমোনের নানা বদল ঘটে। ফলে মুখে, হাতে দাগছোপ দেখা দিতে থাকে। মেচেতার দাগও ফুটে ওঠে। কেবল ত্বকের পরিচর্যা করে বা প্রসাধনী দিয়ে এই দাগ দূর করা সম্ভব নয়। ত্বকের কোষের পুনর্গঠনের জন্য এমন কিছু খেতে হবে তা ভিতর থেকে কোষকে সজীব করে তুলবে।
শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের মাত্রায় হেরফের হলে মুখে মেচেতার সমস্যা দেখা দিতে পারে। রজোনিবৃত্তির পর এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। মুখের কালো দাগছোপ তুলতে বহু মহিলাই ব্যবহার করেন স্টেরয়েডজাত ক্রিম। কিন্তু দীর্ঘ দিন এ সব ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতিই হয় বেশি। তার উপর যাঁরা মদ্যপান বেশি করেন, তাঁদের বলিরেখার সমস্যা আরও বেশি হয়। এর থেকে রেহাই পেতে হলে খেতে হবে কিছু ‘অ্যান্টি-এজিং’ পানীয়।
কোলাজেন বুস্টার
আমলকি ও অ্যালো ভেরার রসে আছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা ত্বকের কোলাজেন তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। ২টি টাটকা আমলকির রস ও ২ চামচ অ্যালো ভেরার রস এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জলে মিশিয়ে খেতে হবে সকালে খালি পেটে। এই পানীয় নিয়মিত খেলে মেচেতার দাগ দূর হবে।
স্কিন ডিটক্স ড্রিঙ্ক
এটি শরীর থেকে টক্সিন বার করে দিতে পারে। ফলে মৃতকোষ সরে গিয়ে সেখানে নতুন কোষের পুনর্গঠন হয়। এই পানীয় তৈরি করতে হবে শসা, পুদিনা ও পাতিলেবু দিয়ে। ১টি মাঝারি মাপের শসা, ১০-১২টি পুদিনা পাতা, ১টি পাতিলেবুর রস এবং ৫-৬ কাপ জল নিতে হবে। সমস্ত উপকরণ সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পর দিন সকালে একটু একটু করে সেই পানীয় পান করতে হবে। এই পানীয় ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ, পুরনো দাগছোপও দূর করবে।
অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ড্রিঙ্ক
এক কাপ গ্রিন টি ও এক চামচ ভেজানো চিয়া বীজ নিতে হবে। গ্রিন টি তৈরি করে তাতে চিয়া বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে। এই পানীয় ছেঁকে নিয়ে তা পান করতে হবে। সকালে বা দুপুরে খাওয়ার এক ঘণ্টা পরে এই পানীয় পান করলে ত্বকের বলিরেখা দূর হবে।