আঁচিল থেকে মুক্তি পেতে পারেন ঘরোয়া উপায়েই। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
আঁচিল হল ত্বকেরই ক্ষুদ্রাকার বর্ধিত অংশ। অধিকাংশ আঁচিলের দৈর্ঘ্য হয় এক থেকে পাঁচ মিলিমিটার। তবে কিছু ক্ষেত্রে এগুলি পাঁচ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। সাধারণত এই ধরনের আঁচিলে ভয়ের কারণ তেমন নেই। তবে আঁচিল যদি সারা গায়ে ছড়াতে থাকে ও তার রং, আকারে বদল আসতে থাকে তখন সতর্ক হতে হবে।
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ত্বকের বাইরের স্তরে কিছু কোষের অতিরিক্ত বৃদ্ধি হলে আঁচিল তৈরি হয়। ত্বকের দু’টি স্তর পরস্পর ঘষা খেলেও অনেক সময় আঁচিল হতে পারে। সেই কারণে অনেক সময় বগল, চোখের পাতা, কুচকি কিংবা ঘাড়ে এই ধরনের আঁচিলের আধিক্য হয়। ডায়াবিটিস কিংবা স্থূলতাও শরীরে অতিরিক্ত আঁচিলের কারণ হতে পারে। জিনগত কারণেও শরীরে আঁচিল দেখা দিতে পারে। শরীরে মেলানিনের উৎপাদন বেড়ে গেলেও আঁচিল হতে পারে। সূর্যের তাপে অনেক ক্ষণ থাকলে চামড়া পুড়ে যায়, সেই কারণেও আঁচিল হতে পারে।
সারানোর উপায় কী?
১) অ্যাপল সাইডার ভিনিগারে ভেজানো তুলো আঁচিলের উপর রেখে গজ দিয়ে ঢেকে রাখুন সারা রাত। অ্যাপল সাইডার ভিনিগারে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড আঁচিল কমাতে দারুণ সাহায্য করে।
২) কলার খোসা ছাড়িয়ে আঁচিলের অংশ ঢেকে রেখে দিন সারা রাত। প্রয়োজনে কোনও কাপড় কিংবা টেপ দিয়ে আটকে রাখতে পারেন শরীরের সঙ্গে। এই টোটকাতেও আঁচিলের সমস্যা কমবে।
৩) ত্বকের যত্নে রসুন খুবই উপকারী। রসুনে রয়েছে অ্যালিসিন নামক উপাদান। অ্যালিসিন অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল উপাদান। রসুন থেঁতো করে আঁচিলের জায়গায় লাগালেও বেশ উপকার পাবেন।
৪) ত্বক খুব সংবেদনশীল হলে টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। কয়েক ফোঁটা টি-ট্রি অয়েলের সঙ্গে সামান্য জল বা নারকেল তেল মিশিয়ে তুলোর সাহায্যে দিনে ৩-৪ বার আঁচিলে লাগান।
আঁচিলের রং যদি হঠাৎ বদলে যায় বা রক্ত বার হয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।