১০ ধাপ নয়, ৩ ধাপেই ত্বকচর্চা করুন। ছবি: সংগৃহীত।
এক দিকে ৭-১০ ধাপের রুটিন, অন্য দিকে মাত্র ৩। কোরিয়ান ত্বকচর্চা মানেই কেবল প্রসাধনীর ভিড় নয়। আলোচনায় রয়েছে ৪-২-৪ ক্লিনজ়িং রুটিনও। ধাপে ধাপে মুখ পরিষ্কার করার এই পদ্ধতি এখন বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অনেকের দাবি, নিয়মটি সঠিক ভাবে মেনে চললে ত্বক আরও পরিষ্কার, কোমল এবং উজ্জ্বল দেখাতে পারে।
মুখ ধোয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। ছবি: সংগৃহীত
কী এই ৪-২-৪ নিয়ম?
এতে মোট তিনটি ধাপ রয়েছে—
প্রথম ধাপ- ৪ মিনিট
তেল-ভিত্তিক ক্লিনজ়ার দিয়ে মুখে আলতো হাতে মালিশ করতে হয়।
দ্বিতীয় ধাপ- ২ মিনিট
জল-ভিত্তিক ক্লিনজ়ার দিয়ে ২ মিনিট ধরে মুখ ধুতে হয়।
তৃতীয় ধাপ- ৪ মিনিট
জল দিয়ে মুখ থেকে ক্লিনজ়ার ধুয়ে ফেলতে হয়।
এই নিয়মে ত্বক কী ভাবে উপকৃত হয়?
১. ত্বক পরিষ্কার করে: তেল এবং জল-ভিত্তিক— দু’ধরনের ক্লিনজ়ার ব্যবহার করার ফলে প্রসাধনী, সানস্ক্রিন এবং ময়লা তুলনামূলক ভাল ভাবে দূর হতে পারে মুখের উপরিতল থেকে।
২. ত্বক উজ্জ্বল হয়: মুখে অনেক ক্ষণ মালিশ করার ফলে রক্তসঞ্চালন কিছুটা বাড়তে পারে। এর ফলে ত্বকে সাময়িক ঔজ্জ্বল্য দেখা যেতে পারে।
৩. ত্বক আর্দ্র থাকে: দু’বার ক্লিনজ়ার ব্যবহার করার পরেও ত্বক শুষ্ক হয় না। কারণ তেলভিত্তিক ক্লিনজ়ার মুখের ত্বককে আর্দ্র রাখতেও সাহায্য করে।
কী কী মাথায় রাখতে হবে?
· প্রতি দিন এই পদ্ধতিতে মুখ পরিষ্কার করা উচিত নয়। তাতে শুষ্কতার সমস্যা বাড়তে পারে।
· ব্রণ থাকলে এই পদ্ধতির প্রয়োগে সতর্ক হতে হবে। কখনও সখনও ত্বকের সুরক্ষা স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়ে ব্রণের জন্য সমস্যা আরও বাড়াতে পারে।
· অতিরিক্ত জোরে মুখ ঘষবেন না। তাতে সুরক্ষা স্তরে ক্ষতি হতে পারে।
· মুখ
ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজ়ার ব্যবহার করতে পারেন।
চর্মরোগ চিকিৎসকদের মতে, ত্বকের ধরন বুঝে পরিচর্যা করা উচিত। কোনও নিয়মই সবার জন্য সমান ভাবে কার্যকর নয়। যাঁরা নিয়মিত ভারী প্রসাধনী ব্যবহার করেন বা যাঁদের দূষণের মধ্যে থাকতে হয় সারা দিন, তাঁদের কাছে এই পদ্ধতি উপকারী মনে হতে পারে। তবে ত্বক যদি খুব স্পর্শকাতর হয়, সে ক্ষেত্রে কী করবেন, তা জেনে নিন চিকিৎসকের কাছ থেকেই।