Nanoplastia Hair Treatment

রুক্ষ চুলের সমস্যা চিরতরে দূর করবে ন্যানোপ্লাস্টিয়া থেরাপি, কী সেটি? কারা করাতে পারেন?

ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে এই চিকিৎসা করা হয়। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কণা বা ‘ন্যানো-পার্টিকল’ চুলের গোড়ায় পাঠানো হয়। কত খরচ এই থেরাপির?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৫ ১৭:২৪
Share:

ন্যানোপ্লাস্টিয়া কী? এই থেরাপি করতে কত খরচ হবে? ছবি: ফ্রিপিক।

তারকাদের মতো একমাথা ঢেউ খেলানো চুল সকলেই চান। তেমন চুল পাওয়ার নানা থেরাপিও চলে এসেছে এখন। কেরাটিন ট্রিটমেন্ট অনেকেই করাচ্ছেন। তাতে চুল হালকা স্ট্রেট হবে এবং জেল্লাদার হয়ে উঠবে। কেরাটিন ট্রিটমেন্টেরই আরও এক নতুন ধরন চলে এসেছে, যা রুক্ষ চুলের সমস্যা চিরতরে দূর করতে পারে। যাঁদের কোঁকাড়ানো চুল বা জট পড়ার সমস্যা বেশি, তাঁরা করাতে পারেন ন্যানোপ্লাস্টিয়া ট্রিটমেন্ট। এতে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং চুল পড়ার সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়।

Advertisement

ন্যানোপ্লাস্টিয়া কী?

ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে এই চিকিৎসা করা হয়। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কণা বা ‘ন্যানো-পার্টিকল’ চুলের গোড়ায় পাঠানো হয়। এই কণাগুলি তৈরি হয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন, প্রোটিন দিয়ে, যা চুলের গোড়ায় গিয়ে পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। এতে চুলের গোড়া মজবুত হয় ও চুল পড়ার সমস্যা দূর হয়।

Advertisement

ন্যানোপ্লাস্টিয়া ট্রিটমেন্টে ফর্মালডিহাইডের ব্যবহার নেই, তাই এটি চুলের জন্য ভাল। এই ট্রিটমেন্টের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এটি চুলের ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে। চুল পড়া, চুলের ডগা ফাটার মতো সমস্যা থেকেও বাঁচায়। যাঁরা স্ট্রেটনিং করেন, তাঁদের চুল স্ট্রেট করার ৬ মাস পরে এই ট্রিটমেন্ট করা দরকার।

কারা করাতে পারেন?

চুল অতিরিক্ত রুক্ষ ও শুষ্ক হলে এই থেরাপি কাজে আসবে। যাঁদের চুল পড়ার সমস্যা বেশি, তাঁরা করাতে পারেন।

অতিরিক্ত ডাই বা রাসায়নিক দেওয়া ক্রিম বা জেল ব্যবহার করে যাঁদের চুলের অবস্থা বেহাল, স্পা করিয়েও লাভ হচ্ছে না, তাঁরা এই থেরাপির সাহায্য নিতে পারেন।

ন্যানোপ্লাস্টিয়া থেরাপিতে চুল পুরোপুরি স্ট্রেট করা যায় না, তবে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে চুল সোজা ও মসৃণ হয়। চুলের জেল্লাও ফিরে আসে।

এই থেরাপির খরচ ৪ থেকে ১৫ হাজারের মধ্যে। তবে কোন সালোঁতে করাচ্ছেন, কোন ব্র্যান্ডের জিনিস দিয়ে থেরাপি হচ্ছে, তার উপরে খরচ নির্ভর করবে।

ন্যানোপ্লাস্টিয়ার পরে চুলের যত্ন

ন্যানোপ্লাস্টিয়া থেরাপির স্থায়িত্ব ৬-৮ মাস। তবে চুলের যত্ন কী ভাবে নিচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করবে। এই থেরাপি করালে চুল বেশি শক্ত করে বাঁধা যাবে না, সালফেট বিহীন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে, অতিরিক্ত রাসায়নিক দেওয়া জেল বা ক্রিম চুলে লাগানো যাবে না।

ন্যানোপ্লাস্টিয়ার পর চুলে কার্লার কিংবা স্ট্রেটনার ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। সঠিক চিরুনি নির্বাচন করতে হবে। কাঠের চিরুনিও ব্যবহার করা যেতে পারে।

খুব বেশি ক্ষণ চুল ভিজে রাখবেন না। স্নানের পর খুব ভাল করে চুল মুছে শুকিয়ে নিতে হবে। চুল ভাল রাখতে মাঝে মাঝে হেয়ার স্পা করা উচিত। এতে চুলের পুষ্টি বজায় থাকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement