Sangeeta Bijlani Breakfast

৬৫ বছর বয়সেও গ্ল্যামারাস সঙ্গীতা বিজলানী! নিয়মিত প্রাতরাশে কী কী খান অভিনেত্রী?

৬৫ বছর বয়সেও তাঁকে দেখলে চট করে নজর ফেরানো যায় না।এখনও চেহারা মেদহীন। ঝরঝরে। কীভাবে? দেখা গিয়েছে, নানা রকম স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে দিন শুরু করেন অভিনেত্রী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪২
Share:

কী খেয়ে নিজেকে ভাল রাখেন সঙ্গীতা? ছবি : সংগৃহীত।

দীর্ঘ ক্ষণ পেটে খিদে নিয়ে বসে থাকার পরে হাতের কাছে সামান্য খাবার পেলেও তা অমৃত মনে হয়। সামান্য মুড়ি কিংবা শুকনো রুটিও তখন শরীর সর্বান্তকরণে গ্রহণ করে। প্রাতরাশও তাই শরীরের জন্য এ রকমই গুরুত্বপূর্ণ। সে খাবার শরীরে যাচ্ছে সারা রাত উপোস থাকার পরে। ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম যে খাবারটি খাওয়া হচ্ছে, তার পুষ্টিগুণ প্রভাব ফেলে সার্বিক স্বাস্থ্যে। বলিউডের তারকারাও প্রাতরাশের ব্যাপারে সচেতন। প্রায়শই নিজেদের দিনের প্রথম খাওয়াদাওয়ার ছবি ভাগ করে নেন ভক্তদের সঙ্গে। তেমনই একটি ছবি সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী সঙ্গীতা বিজলানী।

Advertisement

রুপোলি পর্দার সঙ্গে বাঁধন আলগা করেছেন বহু দিন হল। কিন্তু তবু তিনি নজরে থেকেছেন বরাবর। কখনও ভারতীয় ক্রিকেটের ফার্স্ট লেডি, তৎকালীন ক্রিকেট অধিনায়ক আজহারউদ্দিনের স্ত্রী হিসাবে, কখনও সলমন খানের প্রিয় বন্ধু হিসাবে নতুন করে ফিরে এসে। তবে যখনই তিনি ক্যামেরার মুখোমুখি হয়েছেন, তাঁকে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন বলিউড প্রেমীরা। এই ৬৫ বছর বয়সেও তিনি রীতিমতো গ্ল্যামারাস। তাঁকে দেখলে চট করে নজর ফেরানো যায় না। তাঁর চেহারাও মেদহীন। ঝরঝরে। কিন্তু কীভাবে? সে প্রশ্নের উত্তর কিছুটা মিলেছে সঙ্গীতার প্রাতরাশের পোস্টে। দেখা গিয়েছে, নানা রকম স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে দিন শুরু করেন অভিনেত্রী।

ইনস্টাগ্রামে যে ছবিটি শেয়ার করেছেন সঙ্গীতা, সেটি তাঁর প্রাতরাশের টেবিলের। উজ্জ্বল গোলাপি বোগেনভিলিয়ার ছোঁয়ায় আলাদা মাত্রা পেয়েছে সকালে তাঁর শুরুর খাওয়ার জায়গাটি। সেখানে একটি বাটিতে সাজানো রয়েছে তিনটি হাফ-বয়েলড ডিম। আরও একটি বাটিতে বাদাম, বীজ এবং কলার টুকরো মেশানো রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে নারকেলের দুধে ভেজানো চিয়া বীজ আর গ্রিন টি। সঙ্গীতা ছবির বিবরণে জানিয়েছেন, এটি তাঁর নিত্যদিনের সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশ।

Advertisement

সঙ্গীতা জানিয়েছেন, সকালে তিনি প্রথমে নারকেলে দুধে ভেজানো চিয়াবীজের সঙ্গে বাদাম, বীজ এবং কলা খান। তার কিছু পরে খান নরম করে সেদ্ধ করা ডিম। শেষে কিছুটা বিরতি নিয়ে পান করেন গ্রিন টি।

কেন এগুলি স্বাস্থ্যকর?

নারকেল দুধে ভেজানো চিয়াবীজ: যাঁদের প্রাণিজ প্রোটিন খাওয়া বারণ বা গরুর দুধ খেলে হজমের সমস্যা হয় বা যাঁরা ল্যাকটোজ় ইনটলারেন্ট, তাঁদের নারকেলের দুধ নিরাপদ এবং একই সঙ্গে পুষ্টিকর। এতে প্রোটিন যেমন রয়েছে, তেমনই আছে নানা ধরনের ভিটামিনও। এর মধ্যে চিয়াবীজ ভিজিয়ে রাখলে তা থেকে হার্ট, মস্তিষ্ক এবং ত্বকের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও পাওয়া যায়।

বাদাম-বীজ-কলা: কলায় রয়েছে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম, বি ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা হার্ট ভাল রাখার পাশাপাশি, পেশি এবং মনমেজাজ ভাল রাখতেও সাহায্য করে। বাদাম এবং বীজে রয়েছে নানা ধরনের জরুরি ভিটামিন এবং খনিজ, যা ত্বক, চুল এবং স্বাস্থ্য ভাল রাখে।

ডিম: ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য তো বটেই, নিয়মিত তিনটি করে ডিম খেলে শরীরের প্রোটিনের অভাব অনেকটাই মিটে যায়। তা ছাড়া ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে, চুল ভাল রাখতে এবং একই সঙ্গে স্নায়ুর কাজ ভাল রাখতে সাহায্য করে ডিম।

গ্রিন টি: এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে, যা শরীরের প্রদাহ কমিয়ে এবং নানা ধরনের বিষাক্ত পদার্থ থেকে মুক্ত করে নানা জটিল রোগ দূরে রাখতে সাহায্য করে। এতেও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল থাকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement