Secret Tips for Financial Success

সাফল্য ধরা দেবে, পকেটও ভারী হবে, দৈনন্দিন জীবনে কোন বদলে হবে লক্ষ্মীলাভ

দিনভর পরিশ্রমের পরেও মাসের মাঝামাঝি পকেট ফাঁকা হয়ে গেলে বা প্রয়োজনের জিনিসটুকু কিনতে না পারলে হতাশা জন্মায়। কী ভাবে এমন পরিস্থিতি কাটিয়ে সফল হওয়া যায়?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৩
Share:

খালি পকটে ভরবে দ্রুত, সাফল্য মিলবে জীবনে, কিন্তু স্বপ্নপূরণ কী ভাবে সম্ভব? ছবি: সংগৃহীত।

পরিশ্রমের পরেও যখন মাসের শেষে আর্থিক টানাটানির সম্মুখীন হতে হয়, তখন খারাপ লাগেই। হতাশাও আসে। কম সময়ে অন্যের উন্নতি দেখে, না চাইতেও ঈর্ষা হয়। তবে হতাশা বা ভেঙে পড়া নয়, সুদিনের আশাই এনে দিতে পারে সাফল্য। তারই জন্য বদল দরকার মানসিকতায়। জীবনে যাঁরা সফল হতে পেরেছেন, দেখা যায়, তাঁদের সকলের অতীত জীবনে অনেক লড়াই ছিল। কথায় আছে, ব্যর্থতা থেকেই শিক্ষা নিয়ে জয়ী হওয়া যায়। সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছতে, উপার্জন বৃদ্ধিতে কোন বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি?

Advertisement

পারি না নয়, পারব

পেশাগত জীবনে বা ব্যক্তি জীবনে সব কাজই যে সহজ হবে, এমন নয়। বিশেষত, পেশাগত জীবনে সেই কারণে থমকে গেলে লক্ষ্মীলাভও অধরা রয়ে যেতে পারে। যে কোনও পেশাতেই সময়ের সঙ্গে নিজেকে উন্নত করা জরুরি। অনেক সময় বড়সড় চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, সে ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা নেই বলে পিছিয়ে না গিয়ে, নিজেকে বোঝান, কাজটি পারবেন। কেউ যদি ভেবে বসেন, এ কাজ তাঁর দ্বারা হবে না, তবে সত্যি তিনি পারবেন না। বরং যে কোনও নতুন কাজ করার চেষ্টা করা, নতুন বিষয়টি শিখে নেওয়া সাফল্যের পথ সুগম করে।

Advertisement

সাফল্য লিপিবদ্ধ করা জরুরি

জীবনের ছোটখাটো সাফল্য জার্নালের আকারে লিপিবদ্ধ করে রাখতে পারেন। জীবনে যেমন সাফল্য আসে, তেমন ব্যর্থতাও খুব স্বাভাবিক। কোনও এক সময় কোনও কঠিন পরিস্থিতি কী ভাবে সামলেছেন, জটিল কাজ সামলে সাফল্য পেয়েছেন সেই অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করে রাখুন। জীবনে যখন বড় ব্যর্থতা আসে, নিজের উপর বিশ্বাস টলে যায়। সেই সময় এই লেখাগুলি অনুপ্রেরণা জোগাবে। কারণ, মস্তিষ্ক প্রমাণ পছন্দ করে।

কাজ করার আবহ

আত্মবিশ্বাস শুধু এক জনের মধ্যে থাকলেই হয় না, কর্মজগতে সকলের মধ্যেই তার প্রতিফলন জরুরি। নিজের কাজের মূল্যায়ন করতে হলে সহকর্মী, টিমের সদস্যদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। সমালোচনায় বিরক্ত না হয়ে, তা থেকেই নিজেকে শুধরে নেওয়ার প্রচেষ্টা করা উচিত। ভুল স্বীকার করা, সেই ভুল ঠিক করে নেওয়ার প্রবণতা আত্মিক উন্নতির পথ প্রশস্ত করে।

ভুল শুধরে শিক্ষা

তথ্যগত ভুল থাকলে, কোনও প্রকল্প নিয়ে রিসার্চ ঠিক না হলে সাফল্য অধরা থেকে যেতে পারে। কাজের ক্ষেত্রে ভুল হতে পারে। সেই ভুল থেকে শিখে নিজেকে শোধরানো জরুরি। ‘আমি ব্যর্থ’ বা ‘আমি পারিনি’, এই ভাবনা মনকে দুর্বল করে দেয়। আত্মবিশ্বাস তলানিতে নিয়ে যায়। বদলে ‘কাজ করতে গিয়ে ভুল হয়েছিল’, এমন ভাবনা পরের প্রকল্পের কাজ করতে সাহস জোগায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement