ছোট্ট রান্নাঘর দেখলেও তাক লেগে যাবে। জেনে নিন হেঁশেল বড় দেখানোর কৌশল। ছবি:সংগৃহীত।
দু’কামরার ছোট্ট ফ্ল্যাটে বড় রান্নাঘর দূর অস্ত। ইদানীং ঘরের আকারই যেখানে ছোট হচ্ছে, সেখানে হেঁশেল বড় করার পরিকল্পনা বেশ কঠিন। তবে কৌশল জানলে, ছোট জায়গাও বড় দেখানো যায়। অন্ধকার, ঘুপচি হেঁশেলও সে ক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারে চাকচিক্যে ভরা।
টাইলস: আলোকজ্জ্বল স্থান আকারে বড় দেখায়। রান্নাঘরে যে দেওয়াল সংলগ্ন স্ল্যাবে গ্যাস অভেন রাখা হবে সেই দেওয়ালটি নিয়ে ভাবা যেতে পারে। অন্দরসজ্জা শিল্পীরা বলছেন, সঠিক টালির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। এমন টালি বেছে নিন, যে রং থাকলে আলোর প্রতিফলন বাড়বে। চাইলে আয়নাযুক্ত টালি বেছে নেওয়া যায়। জানলার আলো দেওয়ালে পড়লে তা প্রতিফলিত হবে এবং ঘর আলোকিত দেখাবে।
নকশা: রান্নাঘর ছোট না বড় তা নিয়ে না ভেবে রান্নাঘরের কাবার্ড এবং অন্দরসজ্জায় নজর দিন। কাবার্ডের মাথায় সাধারণত ফাঁক রাখা হয়। অন্দরসজ্জা শিল্পী বলছেন, ফাঁক না রেখে সেগুলি ছাদ পর্যন্ত নিয়ে গেলে রান্নাঘর কিছুটা লম্বা মনে হবে। আবার দেওয়ালে ছোট ছোট টালি না বসিয়ে বড় পাথরের টুকরো দিয়ে দেওয়াল সজ্জা করলেও রান্নাঘর সুন্দর এবং বড় দেখাবে।
আলো এবং আধুনিক সরঞ্জাম: রান্নাঘরের কল, কাবার্ডের হাতল এই সব নিয়ে খুব একটা ভাবেন না অনেকে। কিন্তু প্রতি দিন যে বেসিন এবং কল ব্যবহার করা হচ্ছে তা একটু শৌখিন হলে, রান্নাঘরের ভোল পাল্টাবে। কাবার্ডের হাতল, দেরাজের হাতলগুলি শৌখিন হলেও হেঁশেলের অন্দরসজ্জার মান বাড়বে। পাশাপাশি, রান্নাঘরের অন্ধকার অংশগুলিতে এমন ভাবে আলো ব্যবহার করুন যাতে আলোর উৎস চোখ না পড়লেও, আলো দেখা যায়। এতেও রান্নাঘরের পরিবেশ পাল্টাবে। খোলামেলা বোধ হবে।