ছবি: সংগৃহীত।
আগে ‘ফুলটাইম’ অভিনেত্রী ছিলেন। এখন টুইঙ্কল খন্না লেখিকা। দিনের অনেকটা সময় কাটে ল্যাপটপ কোলে লেখালেখি করে। আর এই কাজের সময়টুকুর জন্য বাড়ির একটি কোণ আলাদা করে বেছে নিয়েছেন টুইঙ্কল। শোওয়ার ঘর কিংবা বসার ঘরে না বসে, টুইঙ্কল নিজের কাজের জায়গা হিসাবে বেছে নিয়েছেন বাড়ির এক প্রান্তের খোলামেলা একটি জায়গা। যেখানে দোলনা আছে। আছে খোলা বারান্দা। যেখানে দাঁড়ালে সামনে অনেকটা সবুজালি আর সমুদ্র দেখা যায়!
কাজের জায়গাটি মন ভাল করার মতো হয়, তবে কাজের উৎসাহও মেলে বেশি। আর এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই যে, কর্মরতদের জীবনে কাজই গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে থাকে। কাজ ঠিকমতো করতে পারলে আলাদা তৃপ্তি মেলে। আর তাই কাজের জায়গাটি সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা যেতে পারে, নিজের জন্যই।
পেশাদারেরা বাড়িতে যত ক্ষণ থাকেন তার চেয়ে কিছু কম সময় থাকেন না কর্মক্ষেত্রে। দিনের না হক ৮-১০ ঘণ্টা অফিসে ডেস্কের সামনে বসে কাটে। দিনের ১২ ঘণ্টা (যার অর্ধেক সময় ঘুমিয়েই পার হয়ে যায়) থাকার বাড়ি যদি ভেবেচিন্তে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা হয়, তা হলে অফিসের ডেস্কটিই বা বাদ যায় কেন! টুইঙ্কলের থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে শিখতে পারেন।
সবুজের ছোঁয়া: এমন কিছু গাছ রাখুন, যা খুব বেশি বাড়ে না, আবার খুব বেশি যত্নও নিতে হয় না।
এলোমেলো জিনিস সরান: যা-ই রাখুন, তা পরিচ্ছন্ন ভাবে গুছিয়ে রাখুন। পেন-পেনসিল, মার্কার, আঠা, স্টেপলার ইত্যাদি রাখার জন্য অনেক রকম অর্গানাইজ়ার পাওয়া যায়। তেমনই একটি অর্গানাইজ়ারে গুছিয়ে রাখুন সব। পেন-পেনসিল গুছিয়ে রাখুন পেনস্ট্যান্ডে।
মন ভাল করা জিনিস রাখুন: নিজের প্রিয় ছবি বা কোনও প্রিয় স্মারক সাজিয়ে রাখুন ডেস্কে। বা এমন কিছু রাখুন, যাতে জায়গাটিকে এক ঝলক দেখেই মন ভাল হয়ে যায়। চোখের এবং মনের আরাম হয়। সেখানে থাকতে ভাল লাগে।
অনুপ্রেরণা দেয় এমন পোস্টার: ইতিবাচক পোস্টার বা বাণী আটকে রাখতে পারেন দেওয়ালে। বা পাহাড়, সমুদ্র কিংবা জঙ্গলের ছবিও রাখতে পারেন, যার দিকে এক বার তাকালেই ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়।
মাঝে মধ্যে বদলান: ডেস্কের সাজ বদলেও নিতে পারেন মাঝে মধ্যে। তাতে একঘেয়েমি কাটবে। যা সৃষ্টিশীল কাজের জন্য জরুরি।
আলোর ব্যবহার: ডেস্কে যদি বাইরের আলো না আসে, তবে ব্যাটারি চালিত সুন্দর আলো বা ডেস্ক ল্যাম্প সাজিয়ে রাখতে পারেন। আলো মনঃসংযোগে সাহায্য করে।