ঘর সাজাবেন পরে, আগে তো পরিচ্ছন্ন করতে হবে বাড়ি। চটজলদি কী ভাবে তা করবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
দিনভর ব্যস্ততার মধ্যে ঘরদোর গোছানোর সময়ই হয় না। কিন্তু উৎসব পার্বণে বাড়িতে অতিথি আসবে জানলে, কিছুটা গোছগাছ তো করতেই হয়। দিনভর অফিস, সংসার, হাজার কাজের ঝক্কি। তার মধ্যে ঘর পরিষ্কার করা সহজ কথা নয়। ঘর পরিষ্কার করার কথা উঠলে অনেকেই বুঝতে পারেন না কোথা থেকে শুরু করবেন।
তবে ভীষণ তাড়াহুড়োর মধ্যেও ঘরদোর গুছিয়ে ফেলা যায়। নিখুঁত ভাবে না হোক, ভদ্রস্থ একটা চেহারা আনাই যায়, যদি কৌশল জানা থাকে। ১০ মিনিটে কী ভাবে অগোছালো ঘর অতিথি আপ্যায়ণের জন্য প্রস্তুত করবেন?
প্রবেশ পথ: অতিথি যেখান দিয়ে বাড়িতে ঢুকবেন সেই জায়গাটাই প্রথমে সকলের চোখে পড়বে। বাড়ি বা সদস্যদের রুচি সম্পর্কে ধারণা হয় সেখান থেকেই। প্রথমেই প্রবেশ পথের আশপাশে থাকা হাবিজাবি জিনিস সরিয়ে ফেলুন। তাড়াহুড়োয় সেটাই সহজ সমাধান। জায়গা ফাঁকা থাকলে পরিচ্ছন্ন লাগবে। মূলত জুতোগুলি তাকে ঢুকিয়ে দিন বা ঢাকা জায়গায় সরিয়ে ফেলুন। দরকার হলে ছোট্ট একটি ব্যাগে অতিরিক্ত জুতো ভরে কোথাও ঢাকা দিয়ে দিন।
বসার ঘর: অনেক বাড়িতেই বসার ঘর এখন আর আলাদা করে থাকে না। বরং রান্নাঘর সংলগ্ন একটি বড় জায়গাই বসা, খাওয়া সব কিছুর জন্য ব্যবহার হয়। অতিথি যেখানে বসবেন সেই জায়গাটি পরিষ্কার করা দরকার। প্রথমেই সোফা থেকে অগোছালো জিনিস সরিয়ে ফেলুন। টেবিল থেকেও অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে দিন। সেগুলি একটি ব্যাগে ভরে আড়ালে রেখে দিন। টুকিটাকি যা কিছু থাকবে সুন্দর কোনও ট্রে-র উপর বসিয়ে দিন। সোফায় কয়েকটি সুদৃশ্য কুশন সাজিয়ে দিলেও, ঘরের চেহারা বদলে যাবে।
রান্নাঘর: অতিথি এসে হেঁশেলে উঁকি দিতেই পারেন। তাড়াহুড়োয় আর কিছু না হোক বর্জ্য ফেলার পাত্রটি খালি করে দিন বা ঢাকা দিয়ে দিন। বেসিন বোঝাই এঁটো বাসন থাকলেও বিশ্রী গন্ধ ছাড়তে পারে। খেয়াল রাখুন বেসিন যেন পরিষ্কার থাকে।
স্নানঘর: বাড়ির স্নানঘর অপরিচ্ছন্ন হলে ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে। খুব তাড়াহুড়ো থাকলে সাবান জল ঢেলে স্নানঘরের মেঝে পরিষ্কার করে বাড়তি জল বার করে দিন। ইপসম সল্টে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল ঢেলে স্নানঘরে রেখে দিন বা বেকিং সোডা একটি বাটিতে রাখুন। বিশ্রী গন্ধ উধাও হবে।