খরমুজের বীজ থেকে চারা কী ভাবে হবে? ছবি:সংগৃহীত।
গরমের মরসুমে ফলের বাজার ছেয়ে গিয়েছে খরমুজ বা ফুটিতে। জলের ভাগ বেশি থাকে ফলটিতে। ভিটামিন, খনিজে ভরপুর এই ফল থেকেই কিন্তু বীজ তৈরি করা হয় বাড়িতেই চাষের জন্য।
ফুটি দুই আধখানা করে কেটে নিন। চামচের সাহায্যে বীজগুলি বার করে নিন। বীজগুলিকে খুব ভাল করে জলে রগড়ে ধুতে হবে, যাতে ফলের শাঁস না লেগে থাকে। সংরক্ষণ করতে হলে সেগুলি খুব ভাল করে শুকিয়ে নিতে হবে।
তবে যদি অঙ্কুরোদগমের পরে তা থেকে চারা চান, তা হলে বীজ বেশ কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। সাদা লম্বাটে বীজ হয় এই ফলের। ভিজে বীজগুলি একটি প্লাস্টিকের মধ্যে রেখে হালকা রোদ আসে, এমন স্থানে একটি বাক্সে রাখুন। প্লাস্টিকে রাখলে সাধারণত আর্দ্রতা রয়ে যায়। সেটি গরম স্থানে রাখলে ২-৩ দিনের মধ্যেই অঙ্কুর বেরোবে। প্লাস্টিকের বদলে ভিজে কাপড় মুড়েও রাখা যেতে পারে।
বীজ রোপণের জন্য দরকার সঠিক আধার। মাটি তৈরি করতে হবে সেই জন্য। ৫০ শতাংশ দোআঁশ মাটির সঙ্গে ৫০ শতাংশ গোবর সার মিশিয়ে নিন। ছোট ছোট টবে মাটি ভরে নিন। অঙ্কুরিত বীজগুলি ছোট গর্ত করে পুঁতে দিন। অঙ্কুরিত অংশ মাটির নীচের দিকে থাকবে। উপর থেকে জল স্প্রে করে দিন। টব রাখতে হবে হালকা রোদ আসে, এমন স্থানে। দিন কয়েকের মধ্যেই চারা বেরোবে। তার আগে পর্যন্ত স্প্রে করে মাটি ভিজিয়ে রাখতে হবে।
চারা তৈরি হলে সেটি অপেক্ষাকৃত বড় টবে স্থানান্তরিত করুন। খরমুজ গাছ গরমেই বাড়ে। মাটি হবে ঝুরঝুরে, উপযুক্ত জল নিকাশি ব্যবস্থাযুক্ত। গাছ বেড়ে ওঠার সময় যথেষ্ট আলো-হাওয়ার প্রয়োজন হয়। খেয়াল রাখা দরকার, গাছে যেন পোকার আক্রমণ না হয়। উপযুক্ত আলো, হাওয়া, জল পেলে কয়েক মাসেই ফল ধরবে।