—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
দাম্পত্য কলহ, স্ত্রী-শ্বশুরবাড়ির লোকেদের দ্বারা হয়রানির অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হলেন গুজরাতের সুরতের বাসিন্দা বাবুভাই পটেল। তাঁর আবেদন, হয় শ্বশুরবাড়ির লোকেদের শাস্তি দিন, নয়তো তাঁর স্বেচ্ছামৃত্যুর অনমতি দেওয়া হোক।
সুরাতে জেলা প্রশাসনের কাছে বাবুভাই অভিযোগ করেন, স্ত্রী মনিকা চৌহান, শাশুড়ি তারাবেন এবং তাঁর দেওর দীপক চৌহান তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানি করছেন। বাবুভাইয়ের কথায়, ‘‘পুলিশ আমার অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তাই আমার আর বেঁচে থাকার ইচ্ছা শেষ হয়ে গিয়েছে।’’ জেলাপ্রশাসনের কাছে দাবি, তিন দিনের মধ্যে যদি তাঁর অভিযোগের কোনও সমাধান না-হয়, তবে ‘বড় পদক্ষেপ’ করতে পারেন।
বাবুভাইয়ের অভিযোগ, তাঁর প্রথম পক্ষের সন্তানকে শ্বাসরোধ করে খুন করার চেষ্টা করেছিলেন মনিকা। সে সময় স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু পুলিশ কোনও এফআইআর করেনি। আবার তিনি একই বিষয়ে পদক্ষেপের আবেদন করেন জেলাপ্রশাসনের কাছে। বাবুভাই এ-ও দাবি করেন, সম্প্রতি তিনি তাঁর অভিযোগ জেলাশাসকের দফতরে পাঠিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি।
স্থানীয় পুলিশের মতে, মনিকা এবং বাবুভাইয়ের মধ্যে দাম্পত্য কলহ মেটানোর চেষ্টা হয়েছে অনেক বার। কিন্তু কোনও রফাসূত্র বার হয়নি। পরে মনিকা বাপের বাড়ি চলে যান। এবং গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ তোলেন। বাবুভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরও করেন। একই সঙ্গে ভরণপোষণের খরচ আদায়ের জন্য আদালতের দ্বারস্থও হন। পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট আইন মেনেই এই ঘটনায় পদক্ষেপ করা হবে।