ছবি: সংগৃহীত।
আম খেয়ে খোসা ফেলে দেওয়াই রীতি। কিন্তু চাইলে অপ্রয়োজনীয় জিনিসও প্রয়োজনীয় হয়ে উঠতে পারে। শুধু ব্যবহারের কৌশল জানতে হবে। আমের খোসায় রয়ে যায় ফলের পুষ্টিগুণ। তা কাজে লাগিয়েই হতে পারে নানা কাজ।
১। আমের যেমন প্রজাতি ভিন্ন হয়, তেমন গন্ধেও তফাত হয়। আমের খোসাতেও সুবাস থাকে। রান্নাঘরে অনেক সময়ে বিশ্রী গন্ধ হয়। এক বাটি জলে আমের খোসাগুলি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। জল ফুটে বাষ্প হলে ঘর ভরে যাবে। সেই জল রেখেও দিতে পারেন স্প্রে বোতলে। রান্নাঘর পরিষ্কারের সময়ে ব্যবহার করতে পারেন।
২। আমের খোসা রোদে শুকিয়ে নিন। শুকনো আমের খোসা গুঁড়িয়ে রাখুন। আমে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, বিটা ক্যারোটিন। খোসাতেই তার কিছু কিছু গুণ মেলে। গুঁড়ো করা আমের খোসা ত্বকের যত্নে স্ক্রাব হিসাবে মাখা যেতে পারে।
৩। আমের খোসা দিয়ে বানাতে পারেন জেলি। আমের খোসাগুলি ভাল করে ধুয়ে নিন। অল্প জলে সেগুলি ফুটিয়ে নিন। ফুটে গেলে খোসা তুলে ফেলে দিন। এবার আমের খোসার নির্যাস মিশে থাকা জলে দিয়ে দিন বেশ খানিকটা চিনি। চিনি যত গলবে, মিশ্রণ গাঢ় হবে। যোগ করুন স্বাদমতো নুন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে গেলে ঠান্ডা হতে দিন। তার পরে কাচের বয়ামে ভরে রাখুন। আমের খোসার সুন্দর গন্ধ থাকবে এতে।
৪।আমের খোসা একটি ব্যাগে জমাতে থাকুন। শুকনো খোসা মাটিতে মিশিয়ে নিন। আমে থাকা খনিজ মাটিতে মিশবে। সার হিসাবে কাজ করবে। আবার, আমের খোসা জলে মিশিয়ে রেখেও তরল সার তৈরি করা যায়।
৫। আমের খোসা কুচিয়ে টবে দিয়ে রাখুন। আমের খোসার তীব্র গন্ধ আছে। তাতেই কিছু কিছু পোকামাকড় কাছে ঘেঁষবে না। গাছ ভাল থাকবে।