কেউ কি আপনাকে এড়িয়ে চলেন? সুযোগ খোঁজেন অপদস্থ করার? সরাসরি কথা বলেন না? কেন এমন করে বলুন তো? তিনি আপনাকে ঈর্ষা করেন কি? রোজকার ব্যবহারিক জীবনে অনেকেই সরাসরি অপমান, অপদস্থ করা এড়িয়ে চলেন। ঘুরিয়ে, ফিরিয়ে ঠারে ঠারে অপদস্থ করার চেষ্টা করেন। যিনি আপনাকে ঈর্ষা করেন তিনি মুখে কিছু না বললেও তাঁর আচার আচরণ, বডি ল্যাঙ্গোয়েজে তা অবশ্যই ফুটে উঠবে। জেনে নিন কী ভাবে বুঝবেন।
আপনার সাফল্য নিয়ে মজা করা- অন্যের সাফল্য নিয়ে মজা করা ঈর্ষার লক্ষণ। আপনার বন্ধু কি আপনার সাফল্য নিয়ে, আপনি প্রশংসা পেলে আপনাকে নিয়ে মজা করে? অন্যের সাফল্য ছোট করে দেখা ঈর্ষার লক্ষণ। আপনার সন্তান পরীক্ষা বেশি নম্বর পেলেও কিন্তু এরা মজা করতে পারেন।
এড়িয়ে চলা- মানুষ যাঁকে ঈর্ষা করে তাঁকে এড়িয়ে চলার প্রবণতা দেখা যায়। এরা কিন্তু আপনাকে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলবে বা কম কথা বলবে। কথা বললেও হয়তো অপ্রীতিকর কিছু বলবে। তবে সাধারণত ঈর্ষা করলে সামনে বলার থেকে পিছনে কথা বলতেই মানুষ বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করে।
দল তৈরি করা- পার্টি করলে কি আপনাকে ছাড়া সকলকে ডাকা হচ্ছে? এটাও কিন্তু ঈর্ষার লক্ষণ হতে পারে। তবে সব সময় নয়। কখনও আপনার কোনও বিশেষ আচরণের জন্যও আপনি বাদ পড়তে পারেন।
আপনার বন্ধু ওনারও বন্ধু- ধরুন আপনি এ, আপনার ভাল বন্ধু বি ও যিনি আপনাকে ঈর্ষা করেন তিনি সি। যদি সিও বি-এর বন্ধ হয়, কিন্তু এ এবং সি দু’জনের ব্যাপারে খুবই উদাসীন হয় তাহলে বুঝতে হবে এ ও সি-একে অপরকে ঈর্ষা করেন বা এড়িয়ে চলতে পছন্দ করেন।
অনলাইন- সামনাসামনি আমরা যা বলতে পারি না, তা অনলাইনে বলা অনেক সহজ। কম্পিউটার স্ক্রিনের আড়ালে অপমান করা অনেক সহজ। দেখবেন যিনি আপনাকে এড়িয়ে চলছেন অনলাইনে হয়তো তিনিই আপনাকে সরাসরি বা ঠিক ততটা সরাসরি নয় এমন ভাবে অপমান করছেন।
কোনও কারণ ছাড়াই ঘৃণা করা- আপনি নিজের মতো রয়েছেন। অথচ কেউ কোনও কারণ ছাড়াই আপনাকে দেখতে পারেন না। তবে বুঝবেন তিনি আপনাকে ঈর্ষা শুধু করেন না, ঈর্ষা চেপে রাখতেও পারছেন না।
অপমান- কোনও কারণ ছাড়াই যদি আপনাকে এক ঘরে করে দেয়, অপমান করেন, ঠেস দিয়ে কথা বলেন তাহলে বুঝতে হবে তিনি আপনাকে ঈর্ষা করেন।