ED Raid in Kolkata

ভোটের মুখে ফের সক্রিয় ইডি! আর্থিক তছরুপ মামলায় কলকাতার রিয়েল এস্টেট সংস্থার একাধিক দফতরে হানা

বুধবার সকালে ইডির একাধিক দল সিজিও কমপ্লেক্স থেকে রওনা দেয়। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারা শহর এবং শহরতলির ছয় থেকে সাতটি জায়গায় হানা দিয়েছে বলে খবর।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৩৪
Share:

কলকাতায় ইডির তল্লাশি অভিযান। —ফাইল চিত্র।

কলকাতায় ভোটের মুখে ফের সক্রিয় ইডি। শহরের একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থার একাধিক দফতরে বুধবার সকালে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। আর্থিক তছরুপের মামলায় অনুসন্ধানের উদ্দেশে এই হানা বলে খবর। দীর্ঘ ক্ষণ তল্লাশি চলেছে। কোনও জায়গা থেকে কিছু পাওয়া গিয়েছে কি না, কেন্দ্রীয় সংস্থা কিছু বাজেয়াপ্ত করেছে কি না, এখনও স্পষ্ট নয়।

Advertisement

বুধবার সকালে ইডির একাধিক দল সিজিও কমপ্লেক্স থেকে রওনা দেয়। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারা শহর এবং শহরতলির ছয় থেকে সাতটি জায়গায় হানা দিয়েছে বলে খবর। কেষ্টপুরের একটি ফ্ল্যাট, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডেও গিয়েছিল ইডি। মূলত নির্দিষ্ট ওই নির্মাণসংস্থার সঙ্গে যুক্ত বাড়ি, ফ্ল্যাট এবং দফতরে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, ভোটের আগে বেআইনি আর্থিক লেনদেন ঠেকাতেই এই অভিযান। জমি সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে লেনদেনের তথ্য সন্ধান করছেন গোয়েন্দারা।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই শহরে ইডি সক্রিয়। বেশ কিছু জায়গায় তল্লাশির পাশাপাশি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারকে। তিনি দু’বার হাজিরা দিয়েছেন। বালিগঞ্জের আলোচিত চরিত্র সোনা পাপ্পুর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। সেখান থেকে অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এ ছাড়া, পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এবং খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকে। তাঁরা কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে সময় চেয়েছেন।

Advertisement

কয়েক সপ্তাহ আগে কলকাতায় রাজ্য সরকার এবং তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দফতর এবং ওই সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা দিয়েছিল। তল্লাশির মাঝেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক নথিপত্র তুলে নিয়ে বেরিয়ে যান তিনি। সেই সংক্রান্ত মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। মমতা অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর দলের ভোট সংক্রান্ত নথি ‘ছিনতাই’ করে নিচ্ছিল ইডি। আবার ইডির পাল্টা অভিযোগ, সাংবিধানিক ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের কাজে বাধা দিয়েছেন। এ বার শহরের নির্মাণকারী সংস্থাও ইডির নজরে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement