প্রেম দিবসে একলা যাপন কিন্তু আনন্দেরও হতে পারে। কী ভাবে জেনে নিন। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
প্রেম দিবসে ‘সিঙ্গল’ থাকা যেন ঘোরতর অন্যায়! ‘মিঙ্গল’ হওয়ার আহ্বান ডেটিং সাইটে। কেনাকাটা থেকে রেস্তরাঁ— যাবতীয় সুযোগ, সুবিধা, ছাড় কেবল যুগলের জন্য। কেউ যদি একলা জীবনই পছন্দ করেন, নিজেকে নিয়েই মগ্ন থাকতে চান, তাঁর জন্য কি প্রেম দিবস নয়? স্ব-প্রেমও তো প্রেমই। নিন্দকদের যোগ্য জবাব দিয়ে প্রেম দিবস উদ্যাপন করুন একেবারে নিজের সঙ্গেই। কেমন ভাবে কাটাবেন দিনটি?
নিজেকেই উপহার: প্রেম দিবস উপলক্ষে গয়না থেকে প্রসাধনী, ঘড়ি থেকে জামায় রয়েছ আকর্ষণীয় ছাড়। পছন্দের উপহারটি কিনে নিজেই নিজেকে দিন। নতুন কিছু প্রাপ্তি হলে মন সব সময়েই ভাল হয়ে যায়। তা ছাড়া, এই ফাঁকে কিনে নিতে পারেন প্রয়োজনের জিনিসপত্রও।
একটি সন্ধ্যা নিজের জন্য: অফিস থেকে বেরিয়ে কিংবা ছুটি থাকলেও একটি বিকেল বা সন্ধ্যা থাকুক একেবারে নিজের জন্য। যদি ঘুরতে-বেড়াতে ভাল লাগে, তা হলে বিকালের অস্তমিত সৌন্দর্য উপভোগে চলে যেতে পারেন গঙ্গার পাড়ে। প্রিন্সেপ ঘাট-সহ জেলার নানা জায়গাতেও নৌ-বিহারের সুযোগ থাকে। কলকাতায় আছে ওয়াটার মেট্রো, তাতে চেপেও শহর ঘুরতে পারেন। কিংবা পছন্দের আর কোনও জায়গাতেও পৌঁছে যেতে পারেন একান্ত যাপনে।
ক্যাফে: উন্মুক্ত জায়গায় এখন অনেক ক্যাফে তৈরি হয়েছে, আবার থিম নির্ভর ক্যাফেও রয়েছে। তা ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় বুফে ডিনারের ব্যবস্থাও থাকে। তেমনই কোনও একটি ক্যাফেতে চলে যেতে পারেন। কফি-স্ন্যাক্স নিয়ে পছন্দের ওয়েব সিরিজ় উপভোগ করতে পারেন। চাইলে নৈশাহার সেরেই ফিরতে পারেন।
সিনেমা: প্রেম দিবসে পপকর্ন বা সুইটকর্ন নিয়ে আয়েস করে বসে একটা সিনেমা দেখে ফেলুন। মাল্টিপ্লেক্স তো আছেই। তবে যদি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখতে তেমন ইচ্ছা না হয়, বাড়িতে মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপেই চালিয়ে দিন পছন্দের কোনও ছবি।
বাড়িতেই নৈশভোজ: যদি বাড়িতে পোষ্য থাকে, তা হলে নৈশভোজ সারতে পারেন বাড়িতেই। দু’জনের জন্য বিশেষ খাবার থাকবে সেখানে। নৈশভোজের আগে খাওয়ার টেবিলটি পরিষ্কার করে একটি মোমবাতি জ্বালিয়ে দিন, পাশে রাখুন টাটকা ফুল। তবে পোষ্য থাকলে মোমবাতি নয়, এলইডি লাইটের মোমবাতি জ্বালিয়ে নিতে পারেন। ওয়াইন দিয়েও শুরুটা করতে পারেন। উদ্যাপন হোক একেবারে নিজের মতো করেই।