The Art of Speaking Well

গুছিয়ে কথা বলতে পারাও গুণ, সেই শিক্ষা দেওয়া যায় ছোট থেকে, কোন অভ্যাস কাজে আসবে?

ছোটরা আধো আধো করে কোনও কথা বললে তা সুন্দর লাগে। তবে তারা যাতে মনের কথা গুছিয়ে বলতে পারে, সে ব্যাপারে উৎসাহিত করা যায় শৈশব থেকেই। কোন অভ্যাস রপ্ত করালে ভবিষ্যতে সুবক্তা হয়ে উঠবে সন্তান?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬ ১৫:৩৬
Share:

সন্তান হয়ে উঠুক সুবক্তা। কৌশল রপ্ত হোক শৈশব থেকেই। ছবি:সংগৃহীত।

শিক্ষকতা থেকে নানা ধরনের পেশা রয়েছে যেথানে গুছিয়ে কথা বলতে পারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনের ভাব সুন্দর ভাষায় প্রকাশ করার গুণ, কারও জন্মগত হয়, আবার দীর্ঘ অভ্যাসে তা আয়ত্তও করা যায়।

Advertisement

ছোটরা আধো আধো করে কোনও কথা বললে তা সুন্দর লাগে। তবে তারা যাতে মনের কথা গুছিয়ে বলতে পারে, সে ব্যাপারে উৎসাহিত করা যায় ছোট থেকেই। এই ধরনের দক্ষতা ছোট থেকেই যাতে প্রকাশ পায় সেই জন্য স্কুলে গল্প বলা, নাটক, আবৃত্তি, একটু বড় হলে, বিতর্কের মতো নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সন্তানকে ভবিষ্যতের সুবক্তা করার পরিবেশ তৈরি করা যায় বাড়িতেই।

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা: কথা বলার সময় বলার ভঙ্গি, দৃষ্টি, শারীরি ভাষায় আত্মবিশ্বাস থাকা জরুরি। আয়নার সামনে খুদেকে দাঁড়িয়ে কথা বলার জন্য উৎসাহিত করা যেতে পারে। তার প্রিয় খাবার, খেলনা, যে কোনও বিষয় নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এক মিনিট বলে যেতে বলুন। প্রথম দিকে সে হয়তো কথা খুঁজে পাবে না। অসংলগ্ন বলবে। তবে তার ভুল না ধরিয়ে তাঁকে বলতে দিন। ধীরে ধীরে কথা এমনি আসবে।

Advertisement

বড়রাও অংশ নিন: অবসর সময়ে কোনও একটি বিষয় নিয়ে খেলার ছলেই কথা বলার অভ্যাস করানো যেতে পারে। শুধু সন্তানকে বলতে না বলে, সকলেই এতে অংশ নিন। নানা রকম বিষয় ভেবে নিন। ছোটরা যেমন বলবে, বড়রাও বলবেন। অভিভাবেকরা কী ভাবে কথা বলছেন, তা ছোটরা সচেতন ভাবেই অনুসরণ করে।

ভাল শ্রোতা জরুরি: কেউ মন দিয়ে কথা শুনলে, বক্তার মধ্যেও সচেতনতা তৈরি হয়। ফলে পারিবারিক অনুষ্ঠান হোক বা ঘরোয়া আড্ডা, সন্তান যা বলতে চাইছে তা শোনা খুব জরুরি। বার বার ভুল না ধরিয়ে দিয়ে তাকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে কবিতা বলা বা কোনও বিষয় নিয়ে বলায় উৎসাহ দেওয়া যেতে পারে।

রেকর্ড: কোনও একটি বিষয় কথা বলার সময় সেটি রেকর্ড করায় উৎসাহী করা যায়। নানা রকম মাইক্রোফোন পাওয়া যায়। এই ধরনের যন্ত্র থাকলে সে কথা বলতে উৎসাহী হবে। তা ছাড়া, রেকর্ড করলে নিজের কথাই নিজে শেনার সময় ভুল ধরতে পারবে।

গল্প বলা: গল্প বলার খেল্র ব্যবস্থা করতে পারেন। ছোটদের স্ক্রিন টাইম বেড়ে যাওয়া নিয়ে বিস্তর অভিযোগ থাকে। তার সঙ্গে গল্প বলার খেলা শুরু করা যেতে পারে। সঙ্গী হতে পারেন বাবা, মা, বাড়ির অন্যেরা। কোনও একটি বিষয় নিয়ে গল্প শুরু করার পরে বানিয়ে বানিয়ে অন্যদেরও কয়েকটি লাইন জুড়তে হবে। এতে কল্পনাশক্তি যেমন বাড়বে, তেমনই ভেবে কথা বলার অভ্যাস রপ্ত হবে।

নানা ধরনের সাহিত্যের সঙ্গে তাদের পরিচয় করালে, গল্পের বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হলে শিশুর চিন্তার পরিসর বাড়বে। ভাষায় দখল আসবে। তাই ছোট থেকে বাড়িতে পড়াশোনার পরিবেশ তৈরি করাও জরুরি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement