Role of husband during menopause

রজোনিবৃত্তি চলাকালীন মহিলারা নানা সমস্যায় ভোগেন, সেই সময় জীবনসঙ্গীর ভূমিকা কী হওয়া উচিত?

এই পরিস্থিতিতে এক জন মহিলার যেমন নিজের শরীরকে বোঝা প্রয়োজন হয়ে পড়ে, তেমনই তাঁর আশপাশের মানুষগুলিকেও সচেতন হতে হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২৭
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

মেনোপজ বা পেরি-মেনোপজ নারীর জীবনের এমন এক পর্যায় যখন তাঁর শরীরে হরমোনের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। এর ফলে শারীরিক ক্লান্তির পাশাপাশি মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা মানসিক অবসাদ দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে এক জন মহিলার যেমন নিজের শরীরকে বোঝা প্রয়োজন হয়ে পড়ে, তেমনই তাঁর আশপাশের মানুষগুলিকেও সচেতন হতে হয়। বিশেষ করে যিনি জীবনসঙ্গী, তাঁর এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা থাকে। সেটি কীরকম, তা জানিয়েছেন করিনা কপূর থেকে আলিয়া ভট্টের মতো নায়িকাদের পুষ্টিবিদ তথা তারকা যাপন প্রশিক্ষক রুজুতা দ্বিবেকর।

Advertisement

ঋজুতা তাঁর সমাজমাধ্যমের পোস্টে বিশেষ করে স্বামীদের উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘‘আপনার স্ত্রী যদি রজোনিবৃত্তির পর্যায়ে পৌঁছে থাকেন, তবে তা আপনার জন্য এক বড় প্রাপ্তি। এখন আপনার দায়িত্ব তাঁর এই যাত্রাপথকে সহজ করে তোলা।’’ ঋজুতা বুঝিয়েছেন কী ভাবে প্রতি দিনের ছোট ছোট কাজে অংশ নেওয়া। ঘরোয়া দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া এবং স্ত্রীর সম্মান রক্ষায় পরিবারের অন্যদের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ানো এই সময়ে একজন আদর্শ সঙ্গীর দায়িত্ব হওয়া উচিত। ঋজুতা বলেছেন ওই সংবেদনশীলতা, সহানুভূতি প্রবণ মনোভাবই দাম্পত্যের প্রাপ্তবয়সে সম্পর্ককে আরও গভীর আর মধুর করে তোলে।

কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন স্বামীরা

Advertisement

দৈনন্দিন কাজে ছোট সাহায্য: ঘরের কাজে স্ত্রীকে ছোটখাটো সাহায্য করুন। যেমন—খাওয়ার সময় স্ত্রীর পাতে আচারটা এগিয়ে দেওয়া বা খাওয়ার পর কফির কাপটি তুলে রাখা। এই সামান্য কাজগুলোই বুঝিয়ে দেবে যে আপনি তাঁর প্রতি যত্নশীল।

স্কুল বা সন্তানদের দায়িত্ব নেওয়া: সন্তানদের স্কুল থেকে আনা-নেওয়া বা স্কুলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের আপডেট রাখার মতো দায়িত্বগুলো স্বামীরা নিজে থেকে নিতে পারেন। এতে স্ত্রীর ওপর মানসিক ও শারীরিক চাপ অনেকটাই কমে।

Advertisement

অন্যায় মন্তব্যের প্রতিবাদ করা: বাড়ির অন্য কেউ (মা, বোন বা সন্তান) যদি স্ত্রীর মেজাজ বা শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে কোনও টিটকিরি বা নেতিবাচক মন্তব্য করেন, তবে সেখানে চুপ না থেকে প্রতিবাদ করা উচিত। স্বামীর নীরবতা অনেক সময় ওই সব মন্তব্যকে প্রশ্রয় দেয়, ফলে স্ত্রী এ ক্ষেত্রে একা ও গুরুত্বহীন অনুভব করতে পারেন।

সহমর্মিতা ও ধৈর্য: ঋজুতার মতে, দামী উপহার বা বড় কোনো ট্যুরই ভালোবাসা নয়; বরং স্ত্রীর এই কঠিন সময়ে তাঁর ছোট ছোট প্রয়োজনে পাশে থাকা এবং তাঁর প্রতি কোমল ও চিন্তাশীল আচরণ করাই হলো আসল ভালোবাসা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement