Lifestyle News

খাবার থেকে অ্যালার্জি, অ্যাস্থমা কি মানসিক সমস্যা?

আপনার কি হঠাত্ই কিছু কিছু অ্যালার্জিক উপসর্গ দেখা দিচ্ছে? ছোট থেকে যে খাবারগুলো খেয়ে দিব্যি বড় হয়েছেন, কিছু দিন হল সেই চিংড়ি, ডিম, পালং শাক, টোম্যাটো, বেগুন থেকেই হঠাত্ অ্যালার্জি।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১১ মে ২০১৭ ১৪:২০
Share:

আপনার কি হঠাত্ই কিছু কিছু অ্যালার্জিক উপসর্গ দেখা দিচ্ছে? ছোট থেকে যে খাবারগুলো খেয়ে দিব্যি বড় হয়েছেন, কিছু দিন হল সেই চিংড়ি, ডিম, পালং শাক, টোম্যাটো, বেগুন থেকেই হঠাত্ অ্যালার্জি। ভাবছেন কেন এমনটা হল? কোনও কারণে অবসাদে ভুগছেন না তো? গবেষকরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময়ের স্ট্রেস, উত্কণ্ঠা কমিয়ে দিতে পারে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

Advertisement

গত তিন দশক ধরে চলা একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি যে ক্রনিক শারীরিক সমস্যাগুলো দেখা যায়, তার মধ্যে পঞ্চম স্থানে রয়েছে অ্যালার্জি। বস্টনের আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন ও ওহায়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানাচ্ছেন, সাইকোলজিক্যাল স্ট্রেসই অ্যালার্জির প্রকোপ বা়ড়ার প্রধান কারণ। গবেষক কিকোল্ট গ্লেসর এই বিষয়ে বলেন, অ্যালার্জি কোনও অবহেলা করার মতো সমস্যা নয়। বহু মানুষ বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জির সমস্যায় ভোগেন। সাধারণ ভাবে অ্যালার্জি থেকে মৃত্যু ভয় না থাকলেও অ্যালার্জি ডেকে আনতে পারে অ্যাস্থমার মতো ভয়াবহ উপসর্গ।

অ্যালার্জিতে রাইনিটিসে আক্রান্ত মোট ২৮ জন অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। ওহায়ো স্টেট মেডিক্যাল সেন্টারে তাদের আড়াই দিন থাকতে হয়। এই সময় তাদের বিভিন্ন অ্যালার্জেন, রক্ত, লালা, সিরাম পরীক্ষা করা হয়। স্ট্রেস, উত্কণ্ঠা, আত্মবিশ্বাস, আত্মনিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নেরও উত্তর দিতে হয়। দেখা যায় এদের মধ্যে ৩৮ শতাংশই কোনও না কোনও ভাবে মানসিক স্ট্রেসের শিকার। ৭৮ শতাংশ আবার অ্যাস্থমা আক্রান্ত।

Advertisement

আরও পড়ুন: এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে হয়তো আপনার গ্লুটেন অ্যালার্জি রয়েছে

অ্যালার্জি ও অ্যাস্থমার কারণের বড় অংশ জুড়ে থাকে মানসিক অবসাদ, টানাপড়েন। যে কারণে উত্কণ্ঠার কারণ, পরিস্থিতি কেটে গেলে অনেক সময় আপনা থেকেই ঠিক হয়ে যায় অ্যালার্জির সমস্যাও। ঠিক সে ভাবেই অবসাদ ও উত্কণ্ঠার চিকিত্সার মাধ্যমেই অ্যালার্জি, অ্যাস্থমা সারিয়ে তোলা সম্ভব।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement