Cima Gallery Art Exhibition

রং-তুলি-ক্যানভাসে একটু ‘বেশি হলে ক্ষতি কী!’, এমন ভাবনা নিয়েই ‘সামার শো’ শুরু সিমা গ্যালারিতে

শুক্রবার সন্ধ্যায় সিমা গ্যালারিতে শুরু হল ‘সামার শো’। ‘বেশি হলে ক্ষতি কী!’ ম্যাক্সিমালিস্ট আর্টের সারমর্ম তা-ই। শিল্পীর শিল্পকলার উচ্চারণে যেন খামতি না থাকে। তবে শৈল্পিক কাজে সমতা বজায় রাখাটাই আসল ব্যাপার। আর সেই কঠিন কাজটাই দক্ষ হাতে তুলে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সিমার এই প্রদর্শনীতে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ জুন ২০২৬ ২১:৫৪
Share:

সিমায় শুরু ‘সামার শো’। —নিজস্ব চিত্র।

সিমা আর্ট গ্যালারিতে চলছে ‘সামার শো’, যার নাম ‘ম্যাক্সিমালিজ়ম ইন ইন্ডিয়ান আর্ট’। এই রকম একটি প্রদর্শনী প্রত্যেক বছরই আয়োজন করা হয় সিমা গ্যালারিতে। তবে এ বারের আয়োজনটা খানিকটা অন্য রকম। এর আগে কোনও থিমের উপর নির্ভর করে ‘সামার শো’-এর আয়োজন করা হয়নি। এ বছর ‘ম্যাক্সিমালিজ়ম’ থিমকে কেন্দ্র করেই সেজে উঠছে আর্ট গ্যালারি।

Advertisement

‘বেশি হলে ক্ষতি কী!’ ম্যাক্সিমালিস্ট আর্টের সারমর্ম তা-ই। শিল্পীর শিল্পকলার উচ্চারণে যেন খামতি না থাকে। তবে শৈল্পিক কাজে সমতা বজায় রাখাটাই আসল ব্যাপার। আর সেই কঠিন কাজটাই দক্ষ হাতে তুলে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সিমার এই প্রদর্শনীতে, যেখানে প্রবীণ ও নবীন প্রজন্মের শিল্পভাবনা মিলেমিশে একাকার হয়েছে।

পুরোনো শিল্পীদের শিল্পভাবনার সঙ্গে তরুণ শিল্পীদের চিন্তাধারার সুন্দর মিলমিশ হয়েছে এ বারের প্রদর্শনীতে। —নিজস্ব চিত্র।

৫০ জনেরও বেশি শিল্পীর কাজ দেখা যাবে এ বছরের সামার শো-তে। শিল্পী শ্রেয়সী চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র বসাক, সৌগত দাস, প্রদীপ ঘোষ, সুমন কবিরাজ, অশোক মল্লিক, অনির্বাণ সাহার তৈরি করা অপূর্ব সৃষ্টি শোভা পেয়েছে গ্যালারির প্রতিটি দেওয়ালে। উল্লেখ্য, রয়েছে গণেশ পাইনের কাজও। শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘সামার শো’-এর সূচনা হয় বহু শিল্পীর উপস্থিতিতে। গ্যালারির অধিকর্তা রাখী সরকার বলেন, ‘‘ভারতীয়রা তো সব সময়ই ‘ম্যাক্সিমালিজ়মে’-এ বিশ্বাস করে। আনন্দ উদ্‌যাপন হোক বা শিল্পের প্রদর্শনী— একটু বেশি না হলেই নয়! আর সেই ভাবনাকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এ বারের সামার শো-তে। এই প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য হল পুরাতনের সঙ্গে নতুনের মেলবন্ধন। পুরোনো শিল্পীদের শিল্পভাবনার সঙ্গে তরুণ শিল্পীদের চিন্তাধারার সুন্দর মিলমিশ হয়েছে এ বারের প্রদর্শনীতে। এ বছর আমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ শিল্পীদের কাজ আরও বেশি করে তুলে ধরতে পেরেছি।’’

Advertisement

কোনও ক্যানভাসে ফুটে উঠেছে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস, কোথাও আবার ফুটে উঠেছে পৃথিবীর বদলে যাওয়া রূপ। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের শ্রমযাপনের ছবি রয়েছে। আছে নিঝুম উপত্যকার চিত্রও। শিল্পী রত্নাবলী কান্ত বলেন, “প্রতিটি শিল্পকাজ একে অপরের থেকে আলাদা। এত রকম ছবি, ক্যানভাস, ভাস্কর্য, গ্রাফিক্স রয়েছে, প্রত্যেকটির ভাবনার মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। সবাই নতুন নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করেছে। প্রত্যেকের ভাবনা ও সৃষ্টি আলাদা। আর এত রকম ভাবনার সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে সিমা গ্যালারি।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement