রক্তসঙ্কট, এগিয়ে এলেন যুবকেরা

রক্তের আকাল মেটাতে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করল ঘাটালের কতিপয় যুবক। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ ক’য়েক দিন ধরেই ঘাটাল মহকুমা ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত-সঙ্কট চলছিল। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে, হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীরাও রক্ত পাচ্ছিলেন না। পরিজনেরাই রক্ত দিয়ে কোনও রকমে পরিস্থিতি সামলাচ্ছিলেন। এই খবর শুনে শহরের বাসিন্দা শান্তুনু দে, অরূপ মাঝি, রথীন মিত্র, শৈবাল হড়, দেবাশিস কাণ্ডাররা এগিয়ে এসে দ্রুত রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ জুলাই ২০১৪ ০৩:১৪
Share:

রক্তের আকাল মেটাতে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করল ঘাটালের কতিপয় যুবক। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ ক’য়েক দিন ধরেই ঘাটাল মহকুমা ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত-সঙ্কট চলছিল। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে, হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীরাও রক্ত পাচ্ছিলেন না। পরিজনেরাই রক্ত দিয়ে কোনও রকমে পরিস্থিতি সামলাচ্ছিলেন। এই খবর শুনে শহরের বাসিন্দা শান্তুনু দে, অরূপ মাঝি, রথীন মিত্র, শৈবাল হড়, দেবাশিস কাণ্ডাররা এগিয়ে এসে দ্রুত রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন।

Advertisement

পাঁশকুড়া ব্যাসস্ট্যান্ডে বুধবারের ওই শিবিরে ৮২ জন রক্ত দেন। এমন শিবিরের খবর শুনে আয়োজকদের বাড়ির সদস্য, বন্ধুরাই নন। পাশাপাশি রক্ত দিতে এগিয়ে আসেন অপেক্ষমান অনেক যাত্রীও।

ঘাটাল হাসপাতাল সূত্রের খবর, সাধারণত এই সময়ে শিবির হয় হাতে গোনা কয়েক’টি জায়গায়। ফলে ভয়াবহ রক্ত-সঙ্কট তৈরি হয়। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই তথ্য মানতে নারাজ ঘাটালবাসী। অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নানা সংগঠন কিংবা ক্লাবগুলিকে শিবির করার উৎসাহ দূরের কথা, শিবিরের আবেদনও নানা অজুহাতে ফিরিয়ে দেন। স্থানীয়দের দাবি, পরিস্থিতি দেখে মহকুমার একাধিক সংগঠন এখন বাইরের ব্লাড ব্যাঙ্ককে ডেকে শিবিরের আয়োজন করছে।

Advertisement

যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের সুপার অনুরাধা দেব বলেন, “আমরা কোনও সংগঠনকে ফিরিয়ে দিইনি।” তবে রক্তের আকালের কথা মেনে নিয়েছেন তিনিও। পাশাপাশি তিনি জানান, আগামী দিনে দ্রুত কিছু শিবির করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এ দিন শিবিরে উপস্থিত থেকে উৎসাহ দিয়েছেন ঘাটাল ভলেন্টারি ব্লাড ডোনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অসীম দাস, ময়না কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রশান্ত সামন্ত-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement