China vs US

মরুভূমিতে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে ‘মার্কিন’ রণতরী! চেনা ছক উল্টে তাকলামাকানে তুলকালাম ড্রাগনের, চাপ বাড়ছে আমেরিকার

হুবহু মার্কিন রণতরীর মতো দেখতে তিনটে যুদ্ধজাহাজকে তাকলামাকান মরুভূমিতে দাঁড় করিয়ে রেখেছে চিন। কৃত্রিম উপগ্রহ মারফত এই ছবি হাতে পাওয়া ইস্তক বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নজরদার সংস্থা ‘ইউএসএস নেভাল ইনস্টিটিউশন’।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৩৩
Share:
০১ ২০

দিগন্ত বিস্তৃত মরুভূমির মাঝে মূর্তিমান যমের মতো দাঁড়িয়ে তিনটে চৈনিক রণতরী! আকারে ও নকশায় আবার এগুলির সঙ্গে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের প্রায় কোনও তফাৎ নেই। গুপ্তচর কৃত্রিম উপগ্রহের পাঠানো এই ছবি ফাঁস হতেই গভীর হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কপালের চিন্তার রেখা। জল ছেড়ে বালির সাগরে কেন রণতরী নির্মাণ করল বেজিং? কোন ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে ড্রাগন? গোটা বিষয়টি নজরে আসার পর ভুরু কুঁচকেছে নয়াদিল্লিও।

০২ ২০

গত বছরের (পড়ুন ২০২৫) মার্চে গুপ্তচর কৃত্রিম উপগ্রহ মারফত চিনের তাকলামাকান মরুভূমির বেশ কিছু অদ্ভুত ছবি হাতে পায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নজরদার সংস্থা ‘ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট’। ছবিতে আমেরিকার দু’টি বিমানবাহী রণতরী এবং একটি ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির যুদ্ধজাহাজের হুবহু প্রতিমূর্তিকে বালির সাগরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। এর পর বিষয়টি গণমাধ্যমে ফাঁস হতেই বেজিঙের অভিসন্ধি নিয়ে আমেরিকার অন্দরে পড়ে যায় শোরগোল।

Advertisement
০৩ ২০

প্রায় সাড়ে তিন লাখ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত তাকলামাকান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। সেখানে শুধুমাত্র মার্কিন রণতরীর প্রতিমূর্তি রেখেই ক্ষান্ত হয়নি চিন। বালির সাগরে তৈরি করেছে নৌঘাঁটির প্রতিরূপও। এ ছাড়া কৃত্রিম উপগ্রহের পাঠানো ছবিতে রেললাইনের মতো একটা অর্ধবৃত্তাকার রেখা এবং বিমানবাহিনীর ছাউনি, লড়াকু জেটের হ্যাঙার ও রেডার স্টেশনের প্রতিরূপ দেখতে পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউশন’।

০৪ ২০

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে চিন। ফলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তীব্র হচ্ছে বেজিঙের সংঘাত। এ-হেন পরিস্থিতিতে ‘আগ্রাসী’ ড্রাগনকে শিক্ষা দিতে দক্ষিণ চিন সাগর সংলগ্ন এলাকায় পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিৎজ় (সিভিএন-৬৮) এবং আর্লেই বার্ক শ্রেণির গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করে আমেরিকা।

০৫ ২০

‘ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট’-এর দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, তাকলামাকান মরুভূমিতে বিমানবাহী রণতরী নিমিৎজ় এবং আর্লেই বার্ক শ্রেণির ডেস্ট্রয়ারের প্রতিরূপ তৈরি করেছে চিন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী যুদ্ধপোত ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডের একটি প্রতিমূর্তিও ওই বালির সাগরে ফেলে রেখেছে বেজিং। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, প্রতিরূপ বানানোর সময় রণতরীগুলির খুঁটিনাটির দিকে নজর দিয়েছে ড্রাগনের ‘পিপল্স লিবারেশন আর্মি’ বা পিএলএ।

০৬ ২০

একটা উদাহরণের সাহায্যে বিষয়টি বুঝে নেওয়া যেতে পারে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ফোর্ড প্রায় ৩৩৭ মিটার লম্বা। আর্লেই বার্ক শ্রেণির ডেস্ট্রয়ারের একেবারে সামনের দিকে বসান আছে কামান। যুদ্ধজাহাজটির মাঝের অংশে ক্ষেপণাস্ত্রের লঞ্চার এবং শেষের অংশে রয়েছে একটি হেলিপ্যাড। ‘ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউটের’ দাবি, তাকলামাকানের বালির সাগরে তৈরি সংশ্লিষ্ট যুদ্ধজাহাজগুলির প্রতিরূপে এগুলির হুবহু নকল করেছে চিন। এ ক্ষেত্রে নিমিৎজ়ের প্রতিরূপেকে সামান্য ব্যতিক্রম বলা যেতে পারে।

০৭ ২০

দক্ষিণ চিন সাগরের কাছে মোতায়েন থাকা ওই মার্কিন বিমানবাহী রণতরীটি লম্বায় ৩৪৬ মিটার। ‘ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট’ জানিয়েছে, তাকলামাকানে এর প্রতিরূপ তৈরি করতে গিয়ে যুদ্ধজাহাজটিকে আকারে কিছুটা ছোট করেছে চিন। কৃত্রিম উপগ্রহের পাঠানো ছবি অনুযায়ী সেটা আনুমানিক ১৭৩ মিটার হতে পারে। তবে ওইটুকু বাদ দিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিরূপটিকে নিমিৎজ়ের যমজ বললে অত্যুক্তি হবে না। রণতরীটির ডেকের উপরের রেডার স্টেশনের নকল পর্যন্ত করেছেন পিএলএর ইঞ্জিনিয়াররা।

০৮ ২০

কিন্তু, তাকলামাকান মরুভূমির বুকে কেন এ ভাবে একের পর এক মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ‘রেপ্লিকা’ তৈরি করল চিন? উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে এই প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিয়েছে ‘ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট’। তাদের দাবি, আমেরিকার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘর্ষের প্রস্তুতি নিচ্ছে ড্রাগন। বেজিং খুব ভাল করেই জানে যে সেই লড়াই হবে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায়। আর তাই বালির সমুদ্রে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজের প্রতিমূর্তি তৈরি করে সেখানে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে তারা।

০৯ ২০

প্রসঙ্গত, সমুদ্রের বুকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার একটা সমস্যা আছে। এর জন্য আন্তর্জাতিক আইন মেনে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রকে জারি করতে হয় ‘নোটাম’ (নোটিস টু এয়ার মিশন্‌স)। নইলে পরীক্ষার সময় ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে ধ্বংস হতে পারে কোনও যাত্রিবাহী বিমান। একই ভাবে পণ্যবাহী জাহাজগুলিকে করতে হয় সতর্ক। ফলে কত কিলোমিটার জুড়ে ‘নোটাম’ জারি করা হচ্ছে, তার উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা করা হাতিয়ারের পাল্লা এবং শক্তি সম্পর্কে একটা আন্দাজ পেয়ে যায় শত্রুরা।

১০ ২০

দ্বিতীয়ত, নৌক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার একটা প্রচলিত পদ্ধতি রয়েছে। সেটা হল সুনির্দিষ্ট দূরত্ব একটা পুরনো জাহাজ দাঁড় করিয়ে সংশ্লিষ্ট হাতিয়ারের আঘাতে তাকে ডুবিয়ে দেওয়া। কিন্তু সে ক্ষেত্রে ধ্বংসপ্রাপ্ত জলযানের টুকরোগুলি উদ্ধার করে তার ফরেন্সিক পরীক্ষার সুযোগ পায় আমেরিকা-সহ অন্য দেশ। এর মাধ্যমেও ক্ষেপণাস্ত্রের বহু তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা করছে বেজিং। আর তাই তাকলামাকানকে রণতরী ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্রের ‘টেস্টিং গ্রাউন্ড’ হিসাবে বেছে নিয়েছে ড্রাগন, দাবি মার্কিন সামরিক নজরদার সংস্থার।

১১ ২০

সাবেক সেনাকর্তাদের একাংশের অনুমান, গত বছরের (পড়ুন ২০২৫) মার্চে ওই মরুভূমিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলির প্রতিরূপে মাঝারি পাল্লার ডিএফ-২১ডি অ্যান্টিশিপ ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় চিন। ১,৫০০-২,০০০ কিলোমিটার পাল্লার সংশ্লিষ্ট হাতিয়ারটি শব্দের প্রায় ১০ গুণ গতিতে ছুটতে পারে। ৬০০ কেজি বিস্ফোরক বহনের ক্ষমতা রয়েছে ডিএফ-২১ডির। তবে পিএলএ চাইলে ৩০০-৫০০ কিলোনিউটনের পরমাণু বিস্ফোরণ ভরেও ছুড়তে পারবে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

১২ ২০

সমুদ্রের বুকে যে কোনও রণতরী দাপিয়ে বেড়ালে জলের মধ্যে তৈরি হয় তাঁর চলার পথের চিহ্ন। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, সেটা মাথায় রেখেই তাকলামাকানের বালিতে রেললাইনের মতো একটা অর্ধবৃত্তাকার রেখা তৈরি করেছেন পিএলএ কমান্ডারেরা। পশ্চিমি সামরিক থিঙ্ক ট্যাঙ্কগুলির অনুমান, ২০২৭ সালের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সাবেক ফরমোজ়া তথা তাইওয়ানকে (রিপাবলিক অফ চায়না) দখল সম্পূর্ণ করতে চাইছেন ড্রাগন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেই লক্ষ্যেই এই প্রস্তুতি।

১৩ ২০

তাইওয়ানকে বাদ দিলে কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভারত প্রশান্ত মহাসাগরের স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ কব্জা করার ছক রয়েছে চিনের। আর তাই ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ চিন সাগরের একটি মানচিত্র প্রকাশ করে বেজিং। সেখানেই প্রথম ‘ড্যাশ লাইন’ তত্ত্ব সামনে আনে ড্রাগন। ১৯৬৮ সালে স্প্র্যাটলি সংলগ্ন এলাকায় খনিজ তেলের খোঁজ মেলে। পরবর্তীকালে পালাওয়ান উপকূলের কূয়ো থেকে তেল উত্তোলন শুরু করে ফিলিপিন্স। ফলে সত্তরের দশকের পরবর্তী সময়ে স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জকে কেন্দ্র করে বিরোধ বাড়তে শুরু করে।

১৪ ২০

প্রাকৃতিক সম্পদের পাশাপাশি বাণিজ্যিক প্রয়োজনে মাছ ধরার জন্য ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া এবং দক্ষিণ ভিয়েতনাম-লাগোয়া স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ একটি চমৎকার জায়গা হিসাবে পরিচিত। বিশ্লেষকদের দাবি, সেই কারণেই বেজিংকে এর দখল পেতে উৎসাহিত করেছে। চিনের দাবি, এটা সামুদ্রিক সীমারেখা, স্থলভূমিতে আঁকা নয়। ফলে একটি নির্দিষ্ট একটানা রেখা আঁকা অসম্ভব। আর তাই প্রথমে ‘ইলেভেন ড্যাশ লাইন’-এর মানচিত্র প্রকাশ করে ড্রাগন।

১৫ ২০

১৯৪৭ সালেই সরকারি ভাবে এই রেখার মধ্যের প্রস্তরখণ্ড আর দ্বীপগুলোর নতুন নাম ‘ম্যাপ অফ সাউথ চায়না সি আইল্যান্ডস’ রাখে চিন। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে ‘গাল‌্ফ অব টংকিন’কে ভিয়েতনামের হাতে তুলে দেয় ড্রাগন। এর ফলে দু’টি বিন্দু খসে গিয়ে দক্ষিণ চিন সাগরে তৈরি হয় নাইন ড্যাশ লাইন। ১৯৭০-এর দশকে প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ থেকে ভিয়েতনামের নৌবাহিনীকে হঠিয়ে সেখানে নিজের মুঠো শক্ত করে বেজিং। এর পরের কয়েক বছরে স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের অন্তত সাতটি ভৌগোলিক এলাকা চলে আসে মান্দারিনভাষীদের দখলে।

১৬ ২০

নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠার জন্য ২০০৯ সালের মে মাসে রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে দক্ষিণ চিন সাগরের মানচিত্র পেশ করে বেজিং। সেখানে নাইন ড্যাশ লাইনের মধ্যের ভৌগোলিক অঞ্চল অর্থাৎ প্রস্তরখণ্ড এবং দ্বীপের ওপর সার্বভৌম অধিকার চায় ড্রাগন। পাশাপাশি, চিনের সীমানা থেকে ১৫০০ কিলোমিটার দূর অবধি সমুদ্রে মাছ ধরা, জাহাজ চলাচল এবং খনিজ সম্পদের ওপর ‘ঐতিহাসিক অধিকার’ দাবি করে তারা।

১৭ ২০

চিনের এ হেন ‘ঐতিহাসিক অধিকার’ ঘিরে সমস্যা তৈরি হয়। কারণ আন্তর্জাতিক আইনে এর কোনও স্বীকৃতি নেই। বর্তমানে সমুদ্র আইন সংক্রান্ত রাষ্ট্রপুঞ্জের কনভেনশন (ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অব দ্য ল’জ অফ দ্য সি) মেনে ঠিক হয় মহাসাগরের উপর রাষ্ট্রের অধিকার।

১৮ ২০

সাবেক সেনাকর্তাদের অনুমান, তাইওয়ান, স্প্র্যাটলি এবং দক্ষিণ চিন সাগরের অধিকারকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে যুদ্ধক্ষেত্রে মুখোমুখি হবে বেজিং এবং ওয়াশিংটন। সেই লড়াইয়ে একাধিক ফ্রন্টে লড়তে হতে পারে পিএলএকে। কারণ, সংঘর্ষ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে এসে দাঁড়াতে পারে জাপান। সাবেক ফরমোজ়ার দখল ড্রাগনের কাছে চলে যাক, তা কখনওই মানতে পারবে না টোকিয়ো। ইতিমধ্যেই তাদেরও কয়েকটা দ্বীপের উপর অধিকার দাবি করেছে মান্দারিনভাষীরা।

১৯ ২০

তবে তাকলামাকানের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, সমস্ত মার্কিন রণতরীতে রয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থা। সেটা ভেদ করে সেখানে আক্রমণ শানানো মোটেই সহজ নয়। তা ছাড়া মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে থাকা যুদ্ধজাহাজের প্রতিরূপে হামলা চালানোর মধ্যে কোনও বাহাদুরি নেই। সত্যিকারের লড়াইয়ে সেটা প্রয়োজন পড়বে পিএলএর। গত পাঁচ দশকে যার কোনও অভিজ্ঞতা নেয়নি তারা।

২০ ২০

তাকলামাকানের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা থেকে ভারত-চিন সীমান্ত তথা ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা’ বা এলএসির (লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল) দূরত্ব মেরেকেটে ২০০-২৫০ কিলোমিটার। ফলে সেখানে অস্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করে হামলা চালাতে পারে ড্রাগন। সেটা ঠেকাতে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, বেজিঙের শত্রুদেশগুলিকে হাতিয়ার সরবরাহ শুরু করেছে কেন্দ্র। সে তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন হল ইন্দোনেশিয়া। মলাক্কা প্রণালী সংলগ্ন সংশ্লিষ্ট দ্বীপরাষ্ট্রটিকে ‘ব্রহ্মস’ ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি নিশ্চিত করেছে নরেন্দ্র মোদী প্রশাসন।

ছবি: সংগৃহীত ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement