বাণিজ্যিক লড়াইয়ে ইতিমধ্যেই মুখোমুখি সংঘাতে গণপ্রজাতন্ত্রী চিন (পিপল্স রিপাবলিক অফ চায়না) এবং জাপান। টোকিয়োর বিরুদ্ধে নতুন ফ্রন্ট খুলেছে বেজিং। তার মধ্যেই জাপান নিয়ে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল চিনের একটি রিপোর্টে।
চিনের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে টোকিয়ো এবং পুরো বিষয়টিই হচ্ছে জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বে। তাঁর বেশ কিছু নীতি পরিবর্তনের কারণে জাপান রাতারাতি পরমাণু শক্তিধর হয়ে উঠতে পারে বলেও ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে জাপানের অবস্থান সবচেয়ে শক্তিশালী। ১৯৭০ সালের ফেব্রুয়ারিতে পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (নিউক্লিয়ার ননপ্রলিফারেশন ট্রিটি বা এনপিটি) স্বাক্ষর করেছিল জাপান।
জাপান তিনটি পরমাণু অস্ত্র-নিরস্ত্রীকরণ নীতিও মেনে চলে। ১৯৬৭ সালে প্রধানমন্ত্রী এইসাকু সাতো প্রথম এটি প্রকাশ করেন এবং ১৯৭১ সালে সংসদীয় প্রস্তাব হিসাবে আনুষ্ঠানিক ভাবে তা গৃহীত হয়। এই তিনটি নীতি হল— পরমাণু অস্ত্র না রাখা, পরমাণু অস্ত্র তৈরি না করা এবং জাপানের ভূখণ্ডে পরমাণু অস্ত্র প্রবেশের অনুমতি না দেওয়া।
পরমাণু হামলার শিকার হওয়া একমাত্র দেশ হিসাবে পরমাণু অস্ত্র তৈরি, ধারণ এবং প্রয়োগ না করার এই সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৎকালীন সরকার। সেই নীতিই এত দিন মেনে চলা হত।
তবে এখন পরমাণু অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়া এবং চিনের ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং দেশ দু’টির পরমাণু অস্ত্রাগার সম্প্রসারণ ও ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের আবহে জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী তার প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা নীতিগুলির অনেক পর্যালোচনা করছে। বেশ কিছু নীতিতে বদলও এনেছে।
উদাহরণস্বরূপ, ২০১৪ সালে জাপান তার সংবিধান পুনর্ব্যাখ্যা করে। সেখানে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে যদি বন্ধু কোনও দেশের উপর অন্য কোনও দেশের সশস্ত্র আক্রমণ জাপানের নিজস্ব অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়, তা হলে সম্মিলিত ভাবে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে টোকিয়ো।
সম্প্রতি জাপানের প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন, তাইওয়ানের উপর চিনের সশস্ত্র আক্রমণ জাপানের জন্যও ‘অস্তিত্বগত হুমকি’ হতে পারে। তিনি বলেন, ‘‘ড্রাগন যদি ওই দ্বীপরাষ্ট্র দখলের চেষ্টা করে তা হলে চুপ করে বসে থাকবে না টোকিয়ো। প্রয়োজনে তাইওয়ানকে সামরিক সাহায্য করা হবে।’’ তাঁর ওই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গেই হুঁশিয়ারি দেয় ড্রাগনভূমির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সরকার। ফলে এই পরিস্থিতিতে জাপানের সামরিক প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
একই সঙ্গে অন্য দেশে প্রাণঘাতী অস্ত্র রফতানির উপরেও স্ব-আরোপিত নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করেছে টোকিয়ো। শিথিল করা হয়েছে ২০২২ সালে জাপানের জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলের অধীনে জাপান দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রাখা এবং প্রয়োগের উপর স্ব-আরোপিত নিষেধাজ্ঞাও। ফলে সে দেশের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পথ সুগম হয়েছে।
অধিকন্তু, গত বছরের ডিসেম্বরে রেকর্ড ৫৮০০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট পাশ করেছে জাপান। আগামী বছরের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি করারও পরিকল্পনা করেছে তারা।
তা হলে জাপান কি এ বার গোপনে এনপিটি এবং তিন পারমাণবিক নীতির বাইরে বেরিয়ে পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে? অন্তত তেমনটাই মনে করছে চিন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ৩০ পাতার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বেজিং। সেখানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জাপানের পরমাণু উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে ‘মজবুত এবং শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়ার’ আহ্বান জানানো হয়েছে।
‘চায়না আর্মস কন্ট্রোল অ্যান্ড ডিজ়আর্মামেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিএসিডিএ)’ এবং ‘চায়না ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার কর্পোরেশন’-এর সঙ্গে যুক্ত থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘নিউক্লিয়ার স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ যৌথ ভাবে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। ‘জাপানের ডানপন্থী বাহিনীর পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা: বিশ্ব শান্তির জন্য একটি গুরুতর হুমকি’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে সেই প্রতিবেদন।
বেজিঙের সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এনপিটি চুক্তির অধীনে জাপানের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে গোপনে পরমাণু অস্ত্রের গবেষণা ও উন্নয়ন চালিয়ে আসছে টোকিয়ো। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই একটি বিস্তৃত পরমাণু জ্বালানি চক্র ব্যবস্থা তৈরি করেছে এবং তারা শক্তিশালী পরমাণু শিল্পের অধিকারী।’’
জাপান পরমাণু অস্ত্রের জন্য ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্লুটোনিয়াম উৎপাদনের ক্ষমতা রাখে বলেও দাবি করা হয়েছে চিনা প্রতিবেদনে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘জাপান হয়তো ইতিমধ্যেই গোপনে পরমাণু অস্ত্রের জন্য প্লুটোনিয়াম তৈরি করে ফেলেছে। অল্প সময়ের মধ্যে পরমাণু শক্তিধর হওয়ার এবং পরমাণু অস্ত্র অর্জনের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা রয়েছে দেশটির।’’
প্রতিবেদনে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের একটি মন্তব্যও উদ্ধৃত করেছে চিন, যেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘‘রাতারাতি পরমাণু অস্ত্র রাখার ক্ষমতা রয়েছে জাপানের।’’ ২০১৬ সালের জুনে আমেরিকান পাবলিক ব্রডকাস্টার পিবিএসের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে প্রথম সেই তথ্য দিয়েছিলেন বাইডেন। চিনা প্রেসিডেন্ট জিনপিঙের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন স্মরণ করে বাইডেন বলেছিলেন, ‘‘জাপান যদি আগামী কাল পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারে তা হলে কী হবে? তাদের রাতারাতি সেই অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা রয়েছে।’’
বেজিঙের তরফে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনপিটি চুক্তির অধীনে থাকা দেশগুলির মধ্যে জাপানই একমাত্র অ-পরমাণু রাষ্ট্র যার কাছে পরমাণু জ্বালানি পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তি এবং অস্ত্রের জন্য ব্যবহৃত প্লুটোনিয়াম নিষ্কাশনের ক্ষমতা রয়েছে। প্লুটোনিয়াম উৎপাদন চুল্লিতে মাত্র দু’থেকে তিন মাস ধরে বিকিরণ করা ইউরেনিয়াম জ্বালানি থেকে প্লুটোনিয়াম পাওয়া যায়।
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে চিনের এই উদ্বেগ অহেতুক না-ও হতে পারে। কারণ, জাপানের পরমাণু শক্তি সংস্থা ‘জাপান অ্যাটোমিক এনার্জি এজেন্সি’র জনসাধারণের কাছে উপলব্ধ তথ্য বলছে, ১৯৮৪ সালে পরীক্ষামূলক চুল্লি ‘জোয়ো’ থেকে ব্যবহৃত জ্বালানি পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে প্লুটোনিয়াম পুনরুদ্ধার করে। ১৯৭৮ সালে চুল্লিটির কার্যক্রম শুরু থেকে ১৯৯৪ সালে মূল নকশায় পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সেই চুল্লির প্রযুক্তিগত ভাবে অস্ত্র তৈরির প্লুটোনিয়াম উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল।
১৯৯৪ সালের একটি গবেষণাপত্রেও বলা হয়েছে, ‘‘মার্কিন বিশেষজ্ঞেরা বিশ্লেষণ করেছেন যে, জোয়ো পরীক্ষামূলক চুল্লির নকশা বদলের আগে জাপান সম্ভবত সেই চুল্লি ব্যবহার করে প্রায় ৪০ কেজি পরমাণু অস্ত্রে ব্যবহৃত প্লুটোনিয়াম উৎপাদন করেছে।’’ অর্থাৎ, বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই দাবি, অসামরিক পরমাণু শক্তির জন্য যা চাহিদা, তার চেয়ে অনেক বেশি প্লুটোনিয়াম মজুত করেছে সামুরাইদের দেশটি।
এ ছাড়াও চিনের যৌথ প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, জাপান পরমাণু অস্ত্র সরবরাহ ক্ষমতার জন্য কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম তৈরি রেখেছে এবং পরমাণুচালিত ডুবোজাহাজ এবং রণতরী তৈরির প্রযুক্তিগত ভিত্তি রয়েছে তাদের।
প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় সিএসিডিএ-র মহাসচিব দাই হুয়াইচেং বলেন যে, ‘‘কিছু দিন ধরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানেই তাকাইচি তিনটি অ-পারমাণবিক নীতি সংশোধনের ইঙ্গিত দিচ্ছেন। এমনকি, ঊর্ধ্বতন জাপানি কর্মকর্তারাও দাবি করেছেন যে জাপানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত।’’
চিনের জনা কয়েক বিশেষজ্ঞ আবার এ-ও বিশ্বাস করেন যে, জাপানের হাতে কেবল প্লুটোনিয়াম এবং পরমাণু অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত ক্ষমতা রয়েছে তা নয়, টোকিয়ো হয়তো ইতিমধ্যেই দু’টি পরমাণু বোমা তৈরি করে ফেলেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা ‘লিটল বয়’ এবং ‘ফ্যাট ম্যান’-এর হামলার কথা উল্লেখ করে চিনের এক জন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, “যদি ওরা পরমাণু অস্ত্র তৈরির সাহস দেখায়, তা হলে তাদের পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা দুই থেকে তিন বা চারটিতে বৃদ্ধি পেতে পারে। আর হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে যে বোমা পড়েছিল, তার থেকে এখনকার কৌশলগত পরমাণু বোমার ক্ষমতা ১০ গুণ বেশি।”
অন্য দিকে, চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, “জাপানে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারা পরমাণু উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে দ্বিধা করেনি। প্রধানমন্ত্রী সানেই তাকাইচি এবং অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তিনটি অ-পারমাণবিক নীতি সংশোধন করার চেষ্টা করেছিলেন, যার মধ্যে পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ প্রবর্তন অন্তর্ভুক্ত। জাপান খোলাখুলি ভাবেই এখন দাবি করেছে যে তাদের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত।”
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানেই তাকাইচি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে কিন্তু প্রকৃতপক্ষেই জাপানের পরমাণু নীতি পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি পরামর্শ দিয়েছেন, আমেরিকার পরমাণু ছাতার উপর টোকিয়োর নির্ভরতা জাপানের মাটিতে পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধ করার নীতিকে ক্রমশ অবাস্তব করে তুলছে।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাকাইচি পরমাণুচালিত ডুবোজাহাজ প্রবর্তনের বিষয়ে কথা বলার সময় বলেন, ‘‘আমরা পরমাণুচালিত ডুবোজাহাজ তৈরির সম্ভাবনা বাতিল করছি না এবং প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি পর্যালোচনা করব।’’ জাপানের মন্ত্রিপরিষদের কর্মকর্তারা অনেক আগেই পরমাণুচালিত ডুবোজাহাজ অর্জনের ইচ্ছা প্রকাশ করলেও আনুষ্ঠানিক ভাবে তাকাইচির মুখে সেই কথা প্রথম বার শোনা গিয়েছিল। একই ভাবে, ২০২২ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আবে পরামর্শ দিয়েছিলেন, টোকিয়োর উচিত আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু অস্ত্র ভাগ করে নেওয়া।
জাপান ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমেরিকার পরমাণু ছাতার সুরক্ষায় রয়েছে। তবে জাপানি ভূখণ্ডে পরমাণু অস্ত্র তৈরির উপর টোকিয়োর স্ব-আরোপিত বিধিনিষেধ কার্যকর ভাবে এই প্রতিরক্ষামূলক বোঝাপড়ায় সমস্যা তৈরি করবে। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ তৈরিতে অনুমোদন দেওয়ার পর, জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘‘আমেরিকা এবং চিনের হাতে ইতিমধ্যেই পরমাণুচালিত ডুবোডাহাজ রয়েছে। এখন দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার হাতেও চলে আসবে।’’
এ ছাড়াও গত বছরের ডিসেম্বরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমে বলেছিলেন, ‘‘নিজের দেশকে নিজেদেরই রক্ষা করতে হবে। জাপানেরও পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত।’’
তবে এ কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে, টোকিয়ো পরমাণু নীতি পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিলেও তা জাপানের অন্দরে তীব্র সমালোচনা এবং বিরোধিতার মুখোমুখি হয়েছে। অন্য দিকে, জাপানের পরমাণু শক্তিধর হওয়ার বিষয়টিকে চিন অতিরঞ্জিত করছে বলেও দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক মহলের অনেকে।