Madhu Malhotra

‘খলনায়ক’ স্বামীর তৃতীয় স্ত্রী, বিয়ের পরেই বিচ্ছেদ! সমনামী নায়িকাদের সঙ্গে অমিতাভের ‘বোন’কে গুলিয়ে ফেলত বলিপাড়া

২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ও বেওয়াফা থি’ ছবিতে শেষ অভিনয় করেছিলেন মধু মলহোত্র। তার পর অভিনয় করতে দেখা যায়নি তাঁকে। ধীরে ধীরে নিজেকে আলোর রোশনাই থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬ ১৭:৪১
Share:
০১ ১৪

কেরিয়ারের ঝুলিতে ছিল শতাধিক ছবি। সত্তর থেকে আশির দশকে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেই দর্শকের মন জিতেছিলেন অভিনেত্রী। পেশাগত কারণে ছবিনির্মাতাদেরও প্রিয় পাত্রী হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে বড়পর্দা থেকে নিজেকে সরিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। শুক্রবার মুম্বইয়ে নিজের বাসভবনেই মারা গেলেন বলি অভিনেত্রী মধু মলহোত্র।

০২ ১৪

১৯৫৫ সালে জন্ম মধুর। ১৯৭৫ সালে ‘র‍্যামসে ব্রাদার্স’-এর হাত ধরে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল মধুর। ভূতের ছবির সুবাদে অভিনয়ে যাত্রা শুরু তাঁর। ‘রুহানি তাকত’, ‘খুনি মুর্দা’র মতো একাধিক ভূতের ছবিতে অভিনয় করে নজর কেড়েছিলেন তিনি।

Advertisement
০৩ ১৪

১৯৮২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সত্তা পে সত্তা’ ছবিতে কনওয়ারজিৎ পেন্টালের প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মধু। ছবির ‘মৌসম মস্তানা’ গানে অভিনয় করে প্রশংসাও কুড়িয়েছিলেন তিনি। এর পর শক্তি সামন্ত, রমেশ সিপ্পির মতো পরিচালকের ছবিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।

০৪ ১৪

১৯৮৩ সালে সুভাষ ঘাইয়ের পরিচালনা এবং প্রযোজনায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ‘হিরো’। ছবিতে ‘লম্বি জুদাই’ গানের দৃশ্যে হিপির দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন মধু। তাঁর অভিনয় সুভাষের এত পছন্দ হয়ে গিয়েছিল যে, পরবর্তী কয়েকটি ছবিতে তাঁকে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগও দিয়েছিলেন।

০৫ ১৪

সুভাষ পরিচালিত ‘কর্জ়’, ‘বিধাতা’, ‘বিশ্বনাথ’ নামের ছবিতে অভিনয় করেছিলেন মধু। বলি পরিচালক অনিল শর্মাও প্রশংসা করেছিলেন মধুর পেশাদারিত্বের। এক পুরনো সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, একটি ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন মধুকে। তিনি এত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছিলেন যে, তাঁকে দেখে মনে হচ্ছিল মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করছেন।

০৬ ১৪

‘দ্য গ্রেট গ্যাম্বলার’ ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের বোনের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন মধু। মধুবালা, মধু শাহ, মধু কপূর— একই নামে বলিপাড়ায় একাধিক অভিনেত্রী থাকায় অন্যের ‘পাপ’ও তাঁকে বয়ে বেড়াতে হত। এর প্রভাব নাকি পড়েছিল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনেও।

০৭ ১৪

আশির দশকের শেষ থেকে নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বহু বি-গ্রেড ছবিতে খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করে পরিচিত হয়েছিলেন মহেশ আনন্দ। মধুর সঙ্গে একাধিক ভূতের ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। দু’জনের মধ্যে পেশাদারি সম্পর্ক থাকলেও এক সময় গুঞ্জন ওঠে যে, দুই তারকা গোপনে বিয়ে সেরে ফেলেছেন।

০৮ ১৪

কানাঘুষো শোনা গিয়েছিল, নব্বইয়ের দশকে মহেশকে বিয়ে করেছিলেন মধু। তবে, তিনি ছিলেন মহেশের তৃতীয় স্ত্রী। বলি অভিনেত্রী রীনা রায়ের বোন বরখা রায়কে বিয়ে করেছিলেন মহেশ। সেই বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল অভিনেতার।

০৯ ১৪

বিবাহবিচ্ছেদের পর এরিকা মারিয়া ডি’সুজ়াকে বিয়ে করেন মহেশ। মারিয়া ছিলেন এক সর্বভারতীয় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বিজয়িনী। বিয়ের পর পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন এরিকা। কিন্তু সেই বিয়েও টেকেনি। বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল মহেশের।

১০ ১৪

জনশ্রুতি, ঘন ঘন প্রেমিকা পাল্টাতেন মহেশ। প্রকৃতপক্ষে, তিনি ছিলেন ‘উওম্যানাইজ়ার’। এরিকার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর মধুর প্রেমে পড়েছিলেন মহেশ। সহ-অভিনেত্রীকে বিয়েও করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই সংসার বেশি দিন টেকেনি। মধুর সঙ্গেও বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল মহেশের।

১১ ১৪

মধুকে বিবাহবিচ্ছেদ দিয়ে বলি অভিনেত্রী ঊষা বাচানিকে বিয়ে করেছিলেন মহেশ। সেই সংসারও ভেঙেছিল তাঁর। পরে লানা নামে এক রাশিয়ান তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা। ২০১৯ সালে মুম্বইয়ে নিজের ফ্ল্যাটে নিঃসঙ্গ অবস্থায় মারা গিয়েছিলেন মহেশ।

১২ ১৪

শোনা যায়, মধুকে নাকি কোনও দিন বিয়েই করেননি মহেশ। আসলে, মধু কপূর নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। কিন্তু সমনামী হওয়ার কারণে মধু মলহোত্রের নাম জড়িয়ে পড়েছিল। ব্যক্তিগত জীবনকে সব সময়ই আড়ালে রাখতে পছন্দ করতেন মধু।

১৩ ১৪

২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ও বেওয়াফা থি’ ছবিতে শেষ অভিনয় করেছিলেন মধু। তার পর অভিনয় করতে দেখা যায়নি তাঁকে। ধীরে ধীরে নিজেকে আলোর রোশনাই থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

১৪ ১৪

শুক্রবার মুম্বইয়ে নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মধু। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে মারা যান তিনি। শনিবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

সব ছবি: সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement