UAE Exits OPEC

পাকিস্তান-সৌদির ‘অশুভ আঁতাঁত’ ভাঙতে জ্বালানি বিস্ফোরণ! ওপেক ছেড়ে ‘যুদ্ধের পথে’ আর এক আরব রাষ্ট্র?

চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি খনিজ তেল সরবরাহকারী দেশগুলির সংগঠন ওপেক ছেড়ে বেরিয়ে আসার ঘোষণা করতেই দুনিয়া জুড়ে পড়ে গিয়েছে শোরগোল। পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের ‘বন্ধুত্ব’ ভাঙতেই কি এই পদক্ষেপ করল আবু ধাবি?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৫৮
Share:
০১ ১৮

ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সঙ্কটে নাজেহাল বিশ্ব। এ-হেন পরিস্থিতিতে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে ওপেক ছাড়ল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই)। সামরিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, সৌদি আরব ও পাকিস্তানকে শিক্ষা দিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আবু ধাবি। এর জেরে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়বে ‘তরল সোনার’ দর? ঘরোয়া বাজারে পেট্রল-ডিজ়েল ও রান্নার গ্যাসের দাম ঠিক রাখতে পারবে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার? আতঙ্কের পাশাপাশি এই সমস্ত প্রশ্নে সরগরম হয়ে উঠছে দেশের রাজনীতি।

০২ ১৮

চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল খনিজ তেল রফতানিকারী দেশগুলির সংগঠন ওপেক ত্যাগের কথা সরকারি ভাবে ঘোষণা করে আমিরশাহি প্রশাসন। এ ব্যাপারে ‘উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ’ বা জিসিসি (গাল্‌ফ কোঅপারেশন কাউন্সিল) ভুক্ত দেশগুলির সমর্থন মিলবে বলে আশা করেছিল আবু ধাবি। যদিও বাস্তবে তা হয়নি। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের জেরে এ বার থেকে নিজের ইচ্ছামতো খনিজ তেল উৎপাদন এবং বিশ্ববাজারে তা বিক্রি করতে পারবে ইউএই। পাশাপাশি, কোনও রাষ্ট্রের সঙ্গে আলাদা করে জ্বালানি চুক্তি করার ক্ষেত্রেও কোনও বাধা থাকছে না তাদের।

Advertisement
০৩ ১৮

১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বরে ইরাকের বাগদাদ সম্মেলনের মাধ্যমে খনিজ তেল রফতানিকারী দেশগুলি গড়ে তোলে একটি সংগঠন। নাম, ‘অর্গানাইজ়েশন অফ পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ়’ বা ওপেক। এর ঠিক সাত বছরের মাথায় (পড়ুন ১৯৬৭ সাল) সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীটির সদস্যপদ গ্রহণ করে আবু ধাবি। ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র হিসাবে অবশ্য তখনও আত্মপ্রকাশ করেনি আমিরশাহি। ১৯৭১ সালে গড়ে ওঠে আজকের সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। পরবর্তী বছরগুলিতে ওপেকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় এই আরব মুলুক। শুধু তা-ই নয়, প্রতিবেশী সৌদি আরবের সঙ্গেও সুসম্পর্ক ছিল তাদের।

০৪ ১৮

ওপেকে ভাঙন ধরিয়ে ৫৯ বছর পর সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী থেকে আবু ধাবির বেরিয়ে আসার নেপথ্যে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজ়রায়েল ও আমেরিকার যৌথ বাহিনী ইরানকে নিশানা করলে পশ্চিম এশিয়ায় বেধে যায় যুদ্ধ। প্রত্যাঘাত শানাতে আমিরশাহির একাধিক শহর এবং তেলের কুয়োয় যথেচ্ছ হামলা চালায় তেহরান। তার ক্ষতিপূরণ চেয়ে গত দু’মাসে একাধিক আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমিরশাহি লাগাতার গলা ফাটিয়ে গেলেও কোনও লাভ হয়নি। ফলে তেলের উৎপাদন বাড়িয়ে লোকসান ঢাকতে চাইছেন সেখানকার ধনকুবের আরব শেখরা।

০৫ ১৮

আন্তর্জাতিক বাজারে ‘তরল সোনা’র দাম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অন্যতম বড় ভূমিকা নিয়ে থাকে ওপেক। আর তাই সদস্য রাষ্ট্রগুলির ইচ্ছামতো খনিজ তেল উৎপাদনের উপর লাগাম টেনে রেখেছে তারা। সংগঠনটির যুক্তি, খনিজ তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বিশ্ববাজারে বাড়বে তার সরবরাহ। সে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে হ্রাস পাবে ‘তরল সোনা’র দাম। ওপেক-ভুক্ত দেশগুলি মূলত তেল বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে। ফলে জ্বালানি পণ্যটির দাম কমলে তাদের অর্থনীতি যে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

০৬ ১৮

সেই কারণে গত দু’মাস ধরে ইরানি হামলায় হওয়া পরিকাঠামোগত লোকসানের ক্ষতিপূরণ সমানে দাবি করে আসছিল আবু ধাবি। জিসিসি-ভুক্ত রাষ্ট্রগুলি, বিশেষ করে সৌদি আরব এ ব্যাপারে এগিয়ে আসবে বলে একরকম নিশ্চিত ছিল আমিরশাহি। কিন্তু, ইউএই-র ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে বিন্দুমাত্র আগ্রহ দেখায়নি রিয়াধ। ফলে দু’তরফে বাড়তে থাকে দূরত্ব। খনিজ তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে ওপেকের অন্দরে সৌদি সরকারের সর্বাধিক প্রভাব রয়েছে বললে অত্যুক্তি হবে না। উৎপাদন বৃদ্ধিতে তারা বাদ সাধায় বিরক্ত আবু ধাবি ওই সংগঠন ছেড়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

০৭ ১৮

আমিরশাহির দাবি, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়া ইস্তক তেহরানের সর্বাধিক হামলার মুখে পড়েছে তারা। সম্প্রতি, এ ব্যাপারে একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে আবু ধাবির প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সেখানে বলছে, গত ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সাবেক পারস্যের শিয়া ফৌজের ছোড়া ৫৩৭টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২৬টি ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২,২৫৬টি ড্রোনকে প্রতিহত করে ইউএই-র আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থা। তবে বহু পাইলটবিহীন যানকে ঠেকানো যায়নি। সেগুলি বিলাসবহুল হোটেল, ঘনবসতিপূর্ণ শহরের বহুতল এবং কৃত্রিম মেধার (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) তথ্যভান্ডার বা ডেটা সেন্টারে আঘাত হেনেছে।

০৮ ১৮

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের বড় অংশ মনে করেন, সৌদি আরবের উপর ক্ষোভের কারণে ওপেক ছেড়েছে আমিরশাহি। রিয়াধের উপর আবু ধাবির রাগের কারণ একেবারেই অমূলক নয়। পশ্চিম এশিয়ার উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সামরিক খাতে ব্যয়বরাদ্দের নিরিখে যথেষ্ট এগিয়ে আছে সৌদি সরকার। তাদের বিমানবাহিনীর বহরে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ‘এফ-১৬ ফেলনের’ মতো লড়াকু জেট। কিন্তু, তা সত্ত্বেও ইরানি হামলা প্রতিহত করতে এগিয়ে আসেনি তারা। এতে এক দিকে যেমন প্রশ্রয় পেয়েছে তেহরান, অন্য দিকে তেমনই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলেই মনে করছে ইউএই।

০৯ ১৮

গত বছরের (পড়ুন ২০২৫) সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের সঙ্গে ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’ করেন সৌদির যুবরাজ তথা প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন সলমন। সেই সমঝোতা অনুযায়ী, এই দু’য়ের মধ্যে কোনও একটি দেশ তৃতীয় কোনও শক্তি দ্বারা আক্রান্ত বা আগ্রাসনের শিকার হলে, তাকে উভয় দেশের উপর আঘাত বা যুদ্ধ হিসাবে বিবেচনা করা হবে। সংশ্লিষ্ট চুক্তিকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে তেহরানের উপর রিয়াধ মারাত্মক চাপ তৈরি করতে পারবে বলে ভেবেছিল আবু ধাবি। যদিও বাস্তবে সমঝোতাটি একেবারেই কোনও কাজে আসেনি।

১০ ১৮

সাবেক সেনাকর্তাদের দাবি, গোড়ায় পাক-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিকে বাড়তি নিরাপত্তা ঢাল হিসাবে গণ্য করে আমিরশাহি প্রশাসন। ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াধে আছড়ে পড়ায় ইসলামাবাদ সংশ্লিষ্ট যুদ্ধে জড়াবে বলে ভেবেছিল আবু ধাবি। কিন্তু, রাওয়ালপিন্ডির জেনারেলরা এ ব্যাপারে কোনও উচ্চবাচ্য না করায় সুবিধা পেয়ে যায় তেহরান। সুযোগ বুঝে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াতে থাকে সাবেক পারস্যের শিয়া ফৌজ। ফলে তার আঘাত সহ্য করতে হয়েছে ইউএই-কে।

১১ ১৮

গোদের উপর বিষফোড়ার মতো, এপ্রিলের শুরুতে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নেয় পাকিস্তান। ফলে ইসলামাবাদের সঙ্গে একপ্রস্ত আলোচনায় বসেন ইরানি বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। সেখানে কোনও সমাধানসূত্র বার না হওয়ায় ভেস্তে যায় বৈঠক। আমিরশাহির অভিযোগ, এতে আরও জটিল হয়েছে ওই এলাকার পরিস্থিতি। তা ছাড়া, মধ্যস্থতাকারী হিসাবে আবু ধাবির ক্ষতিপূরণ নিয়ে তেহরানের উপর কোনও রকম চাপ তৈরি করেনি পাকিস্তান। ফলে সংঘাত থামলে পারস্য উপসাগরের শিয়া মুলুকটির থেকে যে একটা টাকাও মিলবে না, তা বুঝতে পারছে ইউএই।

১২ ১৮

সব শেষে অবশ্যই বলতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথা। আমিরশাহির অন্দরে রয়েছে আমেরিকার বিরাট সামরিক ঘাঁটি। সেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থা থেকে শুরু করে লড়াকু জেট ও ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন রেখেছে ওয়াশিংটন। সেগুলিকে এড়িয়ে আবু ধাবি, দুবাই বা শারজার মতো শহরকে তেহরান নিশানা করতে পারবে, তা স্বপ্নেও ভাবেনি ইউএই। লড়াই শুরু হলে দেখা যায়, ঠিক তাই করছেন সাবেক পারস্যের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ বা আইআরজিসির কমান্ডারেরা। ফলে মার্কিন সেনাঘাঁটি রাখার উপযোগিতা নিয়ে আমিরশাহির অন্দরেই উঠছে প্রশ্ন।

১৩ ১৮

আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের মতো জোড়া ‘সুপার পাওয়ার’কে প্রতিহত করতে যুদ্ধের গোড়াতেই হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে ইরান। প্রথম দফার আলোচনায় সমাধানসূত্র ভেস্তে যাওয়ার পর ওই কৌশলগত সামুদ্রিক রাস্তাটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে আমেরিকাও। ফলে আমিরশাহির পক্ষে খনিজ তেল বিক্রি করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অন্য দিকে বিকল্প রুটে লোহিত সাগরের বন্দর ব্যবহার করে তরল সোনার রফতানি চালিয়ে যাচ্ছে রিয়াধ। বিষয়টিকে সাদা চোখে দেখতে নারাজ় আবু ধাবি। উল্টে সেখানে চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছে ইউএই।

১৪ ১৮

হরমুজ়ের মতোই লোহিত সাগরের ‘প্রবেশদ্বার’ হল বাব এল-মান্দেব প্রণালী। ইয়েমেনের গা ঘেঁষে গিয়েছে এই সঙ্কীর্ণ সামুদ্রিক রাস্তা। উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রটিতে আবার ইরান মদতপুষ্ট প্যালেস্টাইনপন্থী হুথি বিদ্রোহীদের যথেষ্ট দাপাদাপি রয়েছে। ইতিমধ্যেই বাব এল-মান্দেব অবরুদ্ধ করার হুমকি দিয়েছে তাঁরা। অতীতে বহু বার ওই রুটে তেলের ট্যাঙ্কারকে নিশানা করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। এই সমস্যা সমাধানে গোড়ায় রিয়াধের সাহায্য মিললেও বর্তমানে তাদের ‘উদাসীনতা’ আবু ধাবির বিপদ বাড়াচ্ছে বলেই মনে করেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

১৫ ১৮

২০১৫ সালে ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করে সৌদি সরকার। ইরান মদতপুষ্ট হুথিদের ক্ষমতাচ্যুত করে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত রাষ্ট্রপতি আবদ্রাবু মনসুর হাদিকে সেখানে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনাই ছিল রিয়াধের উদ্দেশ্য। ফলে যুবরাজ তথা প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন সলমনের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানায় আমিরশাহি। গোড়ার দিকে কড়া পদক্ষেপ নিলেও পরে সেখান থেকে হঠাৎ সরে আসে সৌদি প্রশাসন। এতে হুথিদের রোষের মুখে পড়ে আবু ধাবি। ফলে পরবর্তী বছরগুলিতে লোহিত সাগর হয়ে ইউরোপে খনিজ তেল বিক্রি করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে।

১৬ ১৮

এই পরিস্থিতিতে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে পাকিস্তানের কাছে ৩৫০ কোটি ডলারের ঋণ ফেরত চেয়ে বার্তা দেয় আমিরশাহি, যেটা ইসলামাবাদের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের হাতে থাকা মোট নগদের এক-পঞ্চমাংশ। ভারতের পশ্চিমের প্রতিবেশীকে বিপদে পড়তে দেখে অবশ্য এগিয়ে এসেছে সৌদি আরব। তাদের থেকে প্রথম ধাপে ৩০০ কোটি ডলারের ঋণ পাবে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফের সরকার। পরের ধারে আরও ৫০০ কোটি ডলার দিতে পারে রিয়াধ। সে ক্ষেত্রে ২০২৭ সালের মধ্যে অনায়াসেই আবু ধাবিকে টাকা ফেরাতে পারবে তারা।

১৭ ১৮

ওপেক ত্যাগের পাশাপাশি এপ্রিলের শেষে আরও দু’টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমিরশাহি প্রশাসন। প্রথমত, দেশের আকাশকে সুরক্ষিত করতে ইজ়রায়েলি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ‘আয়রন ডোম’কে ঘরের মাটিতে নিয়ে এসেছে আবু ধাবি। দ্বিতীয়ত, ব্রিকসের বৈঠকে যৌথ বিবৃতি দিতে অস্বীকার করেছে তারা। সূত্রের খবর, সেখানে যুযুধান ইরান-ইউএই-র মধ্যে একেবারেই গলেনি বরফ। অন্য দিকে ইজ়রায়েল নিয়ে নরম মনোভাব দেখিয়েছে নয়াদিল্লি।

১৮ ১৮

বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, আমিরশাহি ওপেক ছাড়ায় আখেরে লাভবান হবে ভারত। কারণ, আবু ধাবির সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি রয়েছে নয়াদিল্লির। সেই সমঝোতার পরিসর বৃদ্ধি করে উপসাগরীয় আরব দেশটির থেকে জ্বালানি প্রয়োজনীয়তা মেটাতে পারে কেন্দ্র। তা ছাড়া পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের অবনতিতে মোদী সরকার বাড়তি অক্সিজ়েন পেতে চলেছে বলেই মনে করছেন তাঁরা।

ছবি: সংগৃহীত, প্রতীকী ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement