Turkey in Islamic NATO

পাক-সৌদি সামরিক সমঝোতায় ‘পচা আলু’ এর্ডোয়ান! আরব মুলুকের শরীরে পচন ধরাবে ‘ইউরোপের রুগ্ন মানুষ’?

সৌদি আরবের সঙ্গে হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এ বার তুরস্ককে অন্তর্ভুক্ত করতে উঠেপড়ে লেগেছে পাকিস্তান। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সামরিক জোটে আঙ্কারা ঢুকলে বিপদে পড়তে পারে রিয়াধ, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৮
Share:
০১ ১৮

সৌদি আরবের সঙ্গে হওয়া ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে তুরস্ককে অন্তর্ভুক্ত করতে মরিয়া পাকিস্তান। শুধু তা-ই নয়, পরমাণু অস্ত্রের নিরাপত্তার টোপ দিয়ে মুসলিম দেশগুলির জোট ‘ইসলামীয় নেটো’ তৈরির স্বপ্ন দেখছেন রাওয়ালপিন্ডির ফৌজি জেনারেলরা। ইসলামাবাদের এ-হেন উচ্চাশার চরম মূল্য দেবে রিয়াধ? রাতারাতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজ়রায়েলের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রের কট্টর শত্রুতে পরিণত হবে ওই উপসাগরীয় আরব মুলুক? পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফের ‘তুর্কি প্রেমে’ বাড়ছে সেই জল্পনা।

০২ ১৮

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, পাক-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আঙ্কারা ঢুকলে কাগজে-কলমে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে রিয়াধের। তবে সংশ্লিষ্ট সমঝোতার বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক দিক রয়েছে। প্রথমত, এর জেরে নিরাপত্তার ভরকেন্দ্র আর পশ্চিম এশিয়ার উপসাগরে আটকে থাকবে না। ফলে ইচ্ছা না থাকলেও ভূমধ্যসাগরীয় এলাকার সংঘাতে জড়াতে হতে পারে সৌদি সরকারকে। সেটাই আরব মুলুকটির যুবরাজ তথা প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন সলমনের কপালের ভাঁজকে চওড়া করেছে।

Advertisement
০৩ ১৮

১৯৮১ সালের মে মাসে ‘গাল্ফ কো-অপারেশন কাউন্সিল’ বা জিসিসি নামের একটি সংগঠন গড়ে তোলে পশ্চিম এশিয়ার ছয় উপসাগরীয় রাষ্ট্র। এর অন্যতম সদস্য হল সৌদি আরব। রিয়াধকে বাদ দিলে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীতে রয়েছে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, রাজনৈতিক এবং আর্থিক সহযোগিতার পাশাপাশি জিসিসি-ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে একটি অলিখিত সামরিক সমঝোতাও রয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির সময় একে একেবারেই ধর্তব্যের মধ্যে রাখেননি যুবরাজ সলমন।

০৪ ১৮

সৌদির এ-হেন মনোভাবকে একেবারেই ভাল চোখে দেখছে না আমিরশাহি প্রশাসন। আবু ধাবির আশঙ্কা, পাকিস্তানের পরমাণু হাতিয়ারের নিরাপত্তার হাত মাথার উপরে থাকায় আগামী দিনে আগ্রাসী হয়ে উঠবে রিয়াধ। আর তাই আসন্ন বিপদের কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই ভারতের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে তারা। এ-হেন পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ-রিয়াধের প্রতিরক্ষা সমঝোতায় তুরস্ক ঢুকলে নতুন ‘বন্ধু’ হিসাবে ইজ়রায়েলকে বেছে নিতে পারে ওই উপসাগরীয় দেশ, যা নিঃসন্দেহে সৌদির উদ্বেগ বাড়াবে।

০৫ ১৮

২০২১ সালের অক্টোবরে পশ্চিম এশিয়ায় গড়ে ওঠে আইটুইউটু নামের একটি সংগঠন। মোট চারটি দেশের এর সদস্যপদ রয়েছে। সেগুলি হল ভারত, ইজ়রায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আমিরশাহি। এর মূল উদ্দেশ্য হল জ্বালানি, পরিবহণ, মহাকাশ গবেষণা, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, আগামী দিনে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিচেপ তায়িপ এর্ডোয়ান পাক-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করলে ইহুদিদের ক্ষেত্রে হাতিয়ার কেনা বৃদ্ধি করবে আবু ধাবি। শুধু তা-ই নয়, আঙ্কারাকে ঘিরতে ভূমধ্যসাগরীয় কোয়াডের অংশও হতে পারে তারা।

০৬ ১৮

গত কয়েক বছরে সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের থেকে একের পর এক অত্যাধুনিক হাতিয়ার কিনেছেন সৌদি যুবরাজ সলমন। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির নিরিখে অত্যন্ত শক্তিশালী বিমানবাহিনী আছে তাঁর। আবু ধাবির আশঙ্কা, এই পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে সামরিক জোট গড়লে ড্রোন হামলার ক্ষমতা বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে রিয়াধ। ২০২০ সাল থেকে বিভিন্ন রণাঙ্গনে মারকাটারি পারফরম্যান্স করেছে আঙ্কারার আত্মঘাতী পাইলটবিহীন বিমান। ফলে সামরিক চুক্তির সম্প্রসারণ দুই প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রকে চিরশত্রুতে পরিণত করতে পারে।

০৭ ১৮

দ্বিতীয়ত, ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় ইতিমধ্যেই এককাট্টা হয়েছে তুরস্কের তিন শত্রু। তারা হল গ্রিস, সাইপ্রাস ও ইজ়রায়েল। এদের সঙ্গে রিয়াধের সম্পর্ক বেশ ভাল। বিশ্লেষকদের দাবি, পাক-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আঙ্কারার অন্তর্ভুক্তি তাদের সঙ্গে আরব রাষ্ট্রটির দূরত্ব বাড়াতে পারে। পাশাপাশি, জিসিসিতে ভাঙন ধরার আশঙ্কা আছে ষোলো আনা। এর প্রভাব সৌদির অপরিশোধিত খনিজ তেলের ব্যবসার উপরে পড়লে যুবরাজ সলমন যে বড় আর্থিক ধাক্কা খাবেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

০৮ ১৮

রিয়াধের অর্থনীতি পুরোপুরি ভাবে খনিজ তেলের উপর নির্ভরশীল। আর তাই বিকল্প পথের সন্ধানে ‘ভিশন-২০৩০’ নামের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে উঠেপড়ে লেগেছেন যুবরাজ সলমন। এর মাধ্যমে পর্যটনশিল্পে জোয়ার আনার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। সেই লক্ষ্যে মরুভূমির মধ্যে আস্ত একটা শহর গড়ে তুলছেন তিনি। আগামী দিনে সেখানে পাকাপাকি ভাবে থাকার সুযোগ পাবেন বিশ্বের তাবড় ধনকুবেররা। এই পরিস্থিতিতে তুরস্কের জন্য ভূমধ্যসাগরীয় ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খারাপের চরম খেসারত যে রিয়াধকে দিতে হবে, তা বলাই বাহুল্য।

০৯ ১৮

‘ভিশন-২০৩০’-এর লক্ষ্যপূরণে সৌদি যুবরাজ সলমনের দু’টি জিনিস চাই— বিপুল দক্ষ শ্রমিক এবং দুর্ধর্ষ ইঞ্জিনিয়ার। তাঁর সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে ভারত, ইজ়রায়েল এবং ইউরোপ। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটির বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত বিদেশি বিনিয়োগকেও পাখির চোখ করেছেন তিনি, যা দেওয়া কখনওই দেউলিয়ার দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা ইসলামাবাদের পক্ষে সম্ভব নয়। পাক-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি, সলমনের সেই স্বপ্নে জল ঢালতে পারে, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

১০ ১৮

ইসলামাবাদ ও আঙ্কারার সম্পর্কের অন্য হিসাব রয়েছে। কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রথম থেকেই পাক সরকারের পাশে থেকেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট এর্ডোয়ান। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-’১৮ সাল) সময়কালের অটোমান সাম্রাজ্যকে পুনরুজ্জীবিত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে তাঁর। ১২৯৯ সাল (মতান্তরে ১৩০০ সাল) থেকে তা পরবর্তী ৬০০ বছর টিকে ছিল। এই সময়সীমার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ, এশিয়া মাইনর, পশ্চিম এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকা জুড়ে এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন অটোমানের মহান শাসকেরা।

১১ ১৮

বিশ্লেষকদের অনুমান, পুরনো গৌরব ফিরে পেতে পাক-সৌদি সামরিক চুক্তিতে ঢুকতে চাইছে তুরস্ক। সে ক্ষেত্রে ইসলামাবাদের পরমাণু অস্ত্রের ছাতার আড়াল থেকে কার্যসিদ্ধিতে সুবিধা হবে প্রেসিডেন্ট এর্ডোয়ানের। অন্য দিকে, ভারতকে নিশানা করতে রাওয়ালপিন্ডির জেনারেলদের চাই সস্তা দরের হাতিয়ার। চিনকে বাদ দিলে সেই চাহিদা একমাত্র মেটাতে পারে আঙ্কারা। আর তাই তুরস্কের পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ শ্রেণির কান লড়াকু জেট নির্মাণ প্রকল্পে ঢুকতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পাক সরকার ও ফৌজ।

১২ ১৮

কিন্তু, এতে সৌদি আরবের আর্থিক বোঝা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। কারণ আর্থিক সঙ্কটের কারণে ইতিমধ্যেই পাকিস্তানকে ঋণের উপর ঋণ দিতে হচ্ছে রিয়াধকে। সেই টাকা আদৌ ফেরত পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা চুক্তিতে তুরস্ক ঢোকায়ও ঋণের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এর্ডোয়ানের আমলে আঙ্কারার আর্থিক অবস্থার যথেষ্ট অবনতি হয়েছে। ফলে সামরিক সমঝোতা হলে যুবরাজ সলমনের সামনে হাত পাততে পারেন তিনিও।

১৩ ১৮

উদাহরণ হিসাবে জেএফ-১৭ থান্ডার লড়াকু জেটের কথা বলা যেতে পারে। চিনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট যুদ্ধবিমানটিকে তৈরি করছে ইসলামাবাদ। জেটটির বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য ২০০ কোটি ডলারের ঋণ চেয়ে ঘন ঘন সৌদি আরব সফর করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। যুবরাজ সলমনের সঙ্গে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ করতে দেখা গিয়েছে পশ্চিমের প্রতিবেশীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজ়া আসিফ এবং সেনা সর্বাধিনায়ক (চিফ এফ ডিফেন্স ফোর্সেস) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে। রিয়াধ অবশ্য এ ব্যাপারে এখনও হ্যাঁ বা না কিছুই বলেনি।

১৪ ১৮

পাক-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্প্রসারণ এবং তাতে তুরস্কের ঢুকে পড়া, নয়াদিল্লির সঙ্গে রিয়াধের সম্পর্কে চিড় ধরাতে পারে। গত বছর মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীন সামরিক ড্রোন সরবরাহ করে খোলাখুলি ভাবে ইসলামাবাদের পাশে দাঁড়ায় আঙ্কারা। তার পর থেকেই ‘ইউরোপের রুগ্ন মানুষ’টির সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। তাদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক হ্রাস করার রাস্তায় হাঁটতে দেখা গিয়েছে সাউথ ব্লককে। সেই আঁচ গায়ে লাগলে পশ্চিম এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে বেকায়দায় পড়তে পারে রিয়াধ।

১৫ ১৮

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লির সম্মেলনে ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ করিডর (আইএমইইসি) গড়ে তোলার পরিকল্পনায় সায় দেয় জি২০-ভুক্ত সমস্ত দেশ। ইউরোপে পণ্য আমদানি-রফতানির এই বিকল্প রাস্তার শুরুটা হবে পশ্চিম ভারতে। আন্তর্জাতিক রাস্তাটির বড় অংশ থাকছে আমিরশাহিতে। তা ছাড়া এতে ইজ়রায়েলের হাইফা বন্দর ব্যবহারের কথা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রিয়াধের পক্ষে নয়াদিল্লি, আবু ধাবি এবং তেল আভিভের সঙ্গে যেচে শত্রুতা বাড়ানো কঠিন, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

১৬ ১৮

গত শতাব্দীতে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান রাশিয়া) সঙ্গে ঠান্ডা লড়াইয়ে (কোল্ড ওয়ার) জড়িয়ে পড়ে আমেরিকা। ওই সময় মস্কোকে ঘিরতে পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলিকে নিয়ে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজ়েশন (নেটো) নামের একটি সামরিক জোট গড়ে তোলে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা ৩২। নেটো-ভুক্ত দেশগুলির তালিকায় নাম আছে তুরস্কেরও। কিন্তু সংশ্লিষ্ট জোটে থাকা সত্ত্বেও ক্রেমলিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখেছে আঙ্কারা।

১৭ ১৮

তুর্কি প্রেসিডেন্ট এর্ডোয়ানের এ-হেন দু’মুখো নীতিতে যথেষ্ট বিরক্ত আমেরিকা। আঙ্কারার পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ লড়াকু জেট কান নির্মাণে তাই বাধা দেওয়ার কম চেষ্টা করেনি ওয়াশিংটন। ফলে এ ব্যাপারে প্রযুক্তিগত বা কারিগরি সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের থেকে পাচ্ছে না তুরস্ক। এই ধরনের মার্কিন ‘নিষেধাজ্ঞা’ সত্ত্বেও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের থেকে এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ নামের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনেছেন এর্ডোয়ান। মস্কোর থেকে খনিজ তেল আমদানিতেও পিছপা নয় তাঁর সরকার।

১৮ ১৮

রুশ-তুর্কি মাখামাখির জেরে পশ্চিম দেশগুলির বড় অংশই এর্ডোয়ানকে নেটো থেকে বহিষ্কারের পক্ষপাতী। সংশ্লিষ্ট সামরিক জোটটি শেষ পর্যন্ত ওই সিদ্ধান্ত নিলে পাক-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আঙ্কারার অন্তর্ভুক্তি অন্য জটিলতা তৈরি করতে পারে। তা ছাড়া ‘ইসলামীয় নেটো’কে যুক্তরাষ্ট্র কতটা ভাল চোখে দেখছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। আর তাই রিয়াধকে মেপে পা ফেলতে হবে, বলছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা।

সব ছবি: সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement