ছবি: সংগৃহীত।
বিরিয়ানি ভাল। তবে নিরামিষ দিনে খাওয়ার উপায় নেই। তাই যদি নিরামিষ খাওয়ার দিনে বিরিয়ানির মতো রাজকীয় স্বাদ আর সুগন্ধ পেতে চান, তবে কী রাঁধবেন। ভারতীয় পাকশালে তারও জোগান রয়েছে। ভারতের এমন কিছু ঐতিহ্যবাহী পোলাও রয়েছে যা স্বাদে-গন্ধে বিরিয়ানিকেও টেক্কা দিতে পারে। অথচ তার জন্য আমিষের প্রয়োজন পড়বে না।
শাহী নব রতন পোলাও
মুঘল আমলের এই পদ দেখতে যেমন রঙিন, খেতেও তেমনই সুস্বাদু। ‘নবরতন’ মানে এখানে ন’টি বিভিন্ন ধরনের সবজি, ফল এবং বাদাম। যা দিয়ে তৈরি হয় বিশেষ পোলাও। আনারস, বেদানা বা আঙুরের মতো ফলের টুকরোও ব্যবহার করা হয়, যা ভাতের সঙ্গে মিশে এক অদ্ভুত টক-মিষ্টি স্বাদ এনে দেয়। মশলাদার কোনও নিরামিষ তরকারির সঙ্গে এটি খেলে বিরিয়ানির অভাব একদমই বোধ করবেন না।
দক্ষিণী মেথি-মটর পোলাও
তাজা মেথি পাতা এবং কচি মটরশুঁটি দিয়ে তৈরি এই পোলাওটি যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনই সুস্বাদু। মেথি পাতার হালকা তেতো স্বাদ আর এলাচ-দারুচিনির মিষ্টি গন্ধের মিশেলে এই পোলাও অত্যন্ত সুস্বাদু হয়। সঙ্গ যদি রায়তা থাকে, তবে দুপুর বা রাতের খাবার জমে যাবে।
উত্তর ভারতীয় তেহরি
মূলত উত্তরপ্রদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী নিরামিষ পদ। অনেকে একে ‘নিরামিষ বিরিয়ানি’র ঘরোয়া সংস্করণও বলে থাকেন। তেহরিতে বাসমতী চালের সঙ্গে বড় বড় টুকরো করে কাটা আলু, ফুলকপি এবং মটরশুঁটি ব্যবহার করা হয়। বিরিয়ানির মতো এতেও দই এবং গরম মশলার প্রচুর ব্যবহার থাকে, যা ভাতের প্রতিটি দানা সুগন্ধি করে তোলে।রান্নার শেষে সামান্য হলুদের ব্যবহার করা হয় বলে এতে একটি সুন্দর সোনালী রং আসে। গরম ঘি, ধনেপাতা কুচি এবং টক দইয়ের রায়তার সাথে এটি খেলে বিরিয়ানির অভাব মোটেও অনুভব করবেন না।