কোন পদ্ধতিতে বানালে ঠান্ডা হওয়ার পরও নরম থাকবে চালের পিঠে? ছবি: সংগৃহীত।
সেদ্ধ পিঠে, ভাপা, পুলি পিঠে, দুধে পিঠে, চিতই, গোকুল— পিঠের বৈচিত্র কিছু কম নেই। আর পিঠে খাওয়া শুধু তো খাওয়া নয়, এ যেন উৎসব। কিন্তু পিঠে তো রোজ রোজ হয় না। যে দিন বানানো হয়, সেই দিনই এক সঙ্গে অনেক পিঠে তৈরি করা হয়, যাতে তা রেখে ২-৩ দিন ধরে খাওয়া হয়।
সেদ্ধ পিঠে, দুধের পুলি পিঠে খেতে বেশ। তবে মুশকিল হল চালের গুঁড়ো দিয়ে বানানো পিঠে গরম অবস্থায় নরম এবং সুস্বাদু হলেও, ঠান্ডা হলেই শক্ত হয়ে যায়। বাসি পিঠে যতই গরম করা হোক না কেন বা দুধ পুলি যতই ফোটানো হোক না কেন, তা কিন্তু শক্তই লাগে। এমন সমস্যার সমাধান আছে কি কোনও?
পিঠে বানাতে যাঁরা পারদর্শী তাঁদের মধ্যে অনেকেই নানা কৌশল ব্যবহার করেন। তারই মধ্যে ২টি উপায় শিখে নিলে কাজে আসতে পারে। ঠান্ডা হলেও পুলি পিঠে তখন আর ততটাও শক্ত লাগবে না।
কী সেই কৌশল?
চালের গুঁড়োয় স্টার্চ থাকে। সেটি গরমে নরম হয় আবার ঠান্ডা করলে শক্ত। চালের গুঁড়ো মাখার সময়েই তা যদি গরম জলে দিয়ে মিনিট পাঁচেক নাড়াচাড়া করে সেদ্ধ করে নেওয়া যায়, তবে তা ঠান্ডা হলেও আর তেমন শক্ত থাকবে না।
উপায় আছে আরও একটি। বহু বাড়িতেই এমন কৌশল অনুসরণ করা হয়। চালের গুঁড়ো গরম জলে ভাপিয়ে মাখার সময় যোগ করতে হবে অল্প একটু সেদ্ধ করা রাঙা আলু। এতেও চালের পিঠে তুলনামূলক নরম হবে। এই দুই কৌশল পরখ করে দেখুন, পিঠে থাকবে নরম।
ভাপা পিঠে বা চিতই পিঠে গরম করার কৌশল আছে। সেই কৌশল জানলে বাসি পিঠেও সুস্বাদু লাগবে। একটি চওড়া পাত্রে জল ফুটতে দিন। পাত্রের মুখটি সুতির পরিষ্কার কাপড় দিয়ে আটকে তার উপর ঠান্ডা ভাপা পিঠে বা চিতই পিঠে সাজিয়ে দিন। পিঠে উপর থেকে ঢাকা দিয়ে দিন। জলের ভাপে পিঠে নরম হয়ে যাবে।