ছবি: সংগৃহীত।
ঢেঁড়স ঈষৎ হরহরে সব্জি বলে অনেকের যেমন খুবই পছন্দের, অনেকে তেমন পছন্দও করেনও না। তবে ঢেঁড়সের উপকারিতা মোটেই কম নয়। তা ছাড়া, গরমের মরসুমে যে সমস্ত সব্জি মেলে তার মধ্যে ঢেঁড়সও একটি। গরমে এমনি সব্জির বৈচিত্র শীতের চেয়ে কম থাকে, তার উপর ঢেঁড়স বাদ দিলে, পাতে রাখবেন কী?
তার চেয়ে চেনা রান্নায় বদল আনুন। কুচোনো এবং ডুমো করে কাটা— দুই ভাবে পেঁয়াজের ব্যবহারে আর মশলার সঠিক মিশ্রণে বানিয়ে ফেলুন ঢেঁড়সের দোপেঁয়াজা। নুন, ঝাল, মশলা সঠিক অনুপাতে দিয়ে কষিয়ে রাঁধলে, আমিষ ফেলে ঢেঁড়স চাইবেন ঢেঁড়স-বিরোধীরাও।
উপকরণ
৫০০ গ্রাম ঢেঁড়স
২টি মাঝারি পেঁয়াজকুচি
২-৩টি শুকনো লঙ্কা
১ চা-চামচ গোটা জিরে
১ চা-চামচ আদাবাটা
১ চা-চামচ রসুনবাটা
১ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো
১ টেবিল চামচ কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো
১টি টম্যাটোকুচি
১টি টম্যাটো ডুমো করে কাটা
১টি বড় পেঁয়াজ ডুমো করে কাটা
২-৩টেবিল চামচ ফেটানো টক দই
২ চা-চামচ ধনে-জিরে গুঁড়ো
স্বাদমতো নুন, চিনি
কিছুটা ধনেপাতাকুচি
সর্ষের তেল
প্রণালী: ঢেঁড়স এক ইঞ্চি মাপে কেটে নিন। বৃন্ত এবং বাদ দিন। সর্ষের তেল গরম হলে ঢেঁড়স ভাল করে ভেজে নিন। তবে ঢেঁড়সের রং যেন না বদলায়, বেশি ভাজা হয়ে নেতিয়ে না যায়। মোটামুটি ৯০ শতাংশ ভাজা হলেই চলবে।
কড়াইয়ে তেল গরম হতে দিন। জিরে এবং শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে কুচোনো পেঁয়াজ যোগ করুন। পেঁয়াজ ভাজা হলে দিন নুন, আদা-রসুন বাটা। মশলা কষানো হলে, হলুদ-লঙ্কার গুঁড়ো যোগ করুন। দিয়ে দিন টম্যাটোকুচি। ভাল করে কষাতে থাকুন। টম্যাটো গলে তেল ছেড়ে এলে ফেটানো টক দই দিন। এই সময় আঁচ কমাতে হবে। দিয়ে দিন ধনে-জিরে গুঁড়ো। ঢেঁড়স দিয়ে মিনিট ২ রান্না করুন।
আর একটি কড়াইয়ে তেল গরম হতে দিন। ডুমো করে কাটা পেঁয়াজ, টম্যাটো হালকা ভেজে নিন। সেটি ঢেঁড়সে মিশিয়ে নিন। সব শেষে ধনেপাতা কুচি এবং পাতিলেবুর রস ছড়িয়ে মিনিটখানেক রান্না করে নামিয়ে নিন। রুটি, পরোটা বা নানের সঙ্গে ঢেঁড়সের দোপেঁয়াজা খেতে ভাল লাগবে।