ষাঁড়ের ভয়ে ত্রস্ত সন্তরবাজার

ষাঁড়, গরুর তাণ্ডবে জেরবার করিমগঞ্জ শহরের সন্তরবাজার এলাকার ব্যবসায়ী, পথচারীরা। প্রায় প্রতি দিনই কেউ না কেউ যাঁড়ের গুঁতোয় জখম হচ্ছেন। আজও একই কাণ্ড ঘটেছে। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা গুরুতর।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০১৫ ০৩:০৩
Share:

ষাঁড়, গরুর তাণ্ডবে জেরবার করিমগঞ্জ শহরের সন্তরবাজার এলাকার ব্যবসায়ী, পথচারীরা। প্রায় প্রতি দিনই কেউ না কেউ যাঁড়ের গুঁতোয় জখম হচ্ছেন। আজও একই কাণ্ড ঘটেছে। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা গুরুতর।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, যাঁড়ের হামলায় করিমগঞ্জ শহরতলির আকবরপুর গ্রামের বাসিন্দা বছর পঁয়ষট্টির খুশিদ আলির কানের পর্দা ফেটে গলগলিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। তাকে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চারপেয়ে হানাদারের আক্রমণে জখম হন শম্পা নমঃশূদ্রও। তাঁকে করিমগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শহর জুড়ে বেওয়ারিশ গরু ও ষাঁড়ের তাণ্ডব চললেও করিমগঞ্জ পুরসভা সে দিকে নজর দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন শহরবাসী। পুরসভার কোনও খোঁয়াড়ও নেই।

করিমগঞ্জের সন্তরবাজারের ব্যবসায়ী প্রবীণ পাল বলেন, ‘‘অনেকে বাড়ির গোয়ালের গরু রাস্তায় চড়তে পাঠিয়ে দেন। খাবারের খোঁজে সেগুলো বাজারের দিকে চলে আসে। তা ছাড়া মালিকানাহীন অনেক ষাঁড় তো এলাকায় রয়েছেই। সারা দিন সেগুলো তাণ্ডব চালিয়ে যায়।’’ এলাকার বাসিন্দারা জানান, মেজাজ ভাল না থাকলেই পথচারীদের উপর হামলা চালায় ওই সব ষাঁড়, গরু। অগণিত মানুষ ইতিমধ্যেই তাতে আহত হয়েছেন। এ নিয়ে করিমগঞ্জ পুরসভার উপ-প্রধান পার্থসারথি দাস বলেন, ‘‘শহরের বাইরে পুরসভা একটি খোঁয়াড় খোলার পরিকল্পনা করছে। দ্রুত তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ তিনি জানান, আপাতত ষাঁড়-সমস্যা মেটাতে পুরসভার তরফে পুলিশের কাছে সাহায্যের অনুরোধ জানানো হবে। উল্লেখ্য, শুধু সাধারণ মানুষই নন, ষাঁড়ের হামলার হাত থেকে বাঁচেননি উত্তর করিমগঞ্জের বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থও। তাতে তাঁর বাঁ হাত ভেঙে যায়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement