জাহানারা আলম। —ফাইল চিত্র।
যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন জাহানারা আলম। বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন নির্বাচক এবং ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই কমিটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে বিসিবিকে। অন্য দিকে, মহিলা ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে হাই কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল বিসিবি।
গত নভেম্বরে একটি সাক্ষাৎকারে জাহানারার করা অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে। জাতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়কের সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন আরও কয়েক জন মহিলা ক্রিকেটার। পরিস্থিতি সামলাতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়েছিল বিসিবি। পরে আরও দু’জনকে কমিটিতে যুক্ত করা হয়। প্রথমে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট দেওয়ার কথা বলে হলেও, পরে দু’বার সময় বাড়ানো হয়। বিচারপতি তারিক উল হাকিমের নেতৃত্বাধীন সেই কমিটি তদন্তের রিপোর্ট জমা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের কাছে।
বাংলাদেশের হাই কোর্টও মহিলা ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাল বিসিবিকে। বিশেষত যৌন হয়রানির মতো ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। মহিলা ক্রিকেটারদের পক্ষে নিরাপদ, হয়রানিমুক্ত এবং লিঙ্গ-সাম্য পরিবেশ নিশ্চিত নয়। এ জন্য বিসিবি এবং সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা এবং ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি, আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত এবং জনস্বার্থ বিরোধী হিসাবে চিহ্নিত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট। বিসিবিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, মহিলা ক্রিকেটারদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং যৌন হয়রানির মতো ঘটনা প্রতিরোধ করতে হবে।