ইডেন গার্ডেন্স। — ফাইল চিত্র।
সিএবির অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য সুরজিৎ লাহিড়ীর বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হল। তাঁর বিরুদ্ধে ভয় দেখানো ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
নাগেরবাজার থানায় গত বুধবার এফআইআর করেন সাংবাদিক দীপঙ্কর গুহ। অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘‘আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের সিএবির বর্তমান অ্যাপেক্স কাউন্সিল সদস্য সুরজিৎ লাহিড়ী এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ একদল প্রভাবশালী ব্যক্তি ক্রমাগত ভয় দেখাচ্ছেন এবং হুমকি দিচ্ছেন।’’
কেন তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, সে ব্যাপারে অভিযোগপত্রে দীপঙ্কর জানিয়েছেন, বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগের নিলামের সময় সুরজিৎ লাহিড়ীর বিরুদ্ধে স্বার্থের সঙ্ঘাতের অভিযোগ প্রকাশ্যে আনার জন্যই তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগে দীপঙ্কর লিখেছেন, ‘‘আমার এই তথ্য ফাঁসের পরেই সুরজিৎ লাহিড়ী আমাকে স্তব্ধ করার জন্য তাঁর সহযোগীদের নিয়ে একটি সুপরিকল্পিত সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেন। বলা হয়, আমি প্রতিবেদন প্রত্যাহার না করলে আমার শারীরিক ক্ষতি করা হবে। বলা হয়, আমার ভয়াবহ পরিণতি হবে। হোয়াটসঅ্যাপে এবং ফোনের এই হুমকি দেওয়া হয়।’’
ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩ (৫), ৩৫১ (২), ৩৫২ এবং ৬১ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন ও ইচ্ছাকৃত অপমানের অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে সুরজিৎ বললেন, ‘‘এফআইআর হয়েছে, আমার জানা নেই। আমার কাছে কোনও নোটিফিকেশন না এলে আমার পক্ষে এ ব্যাপারে কিছু বলা সম্ভব নয়।’’
উল্লেখ্য, গত ২৬ মে সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে সাক্ষাৎকারে আনন্দবাজার অনলাইন সুরজিতের বিরুদ্ধে স্বার্থের সঙ্ঘাতের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করেছিল। তখন সৌরভ বলেছিলেন, ‘‘দিল্লি ক্যাপিটালসের অন্যতম মালিক জেএসডব্লিউ স্পোর্টসের ক্রিকেট ডিরেক্টর এবং একই সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা টি-টোয়েন্টি লিগের দল প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হওয়ার জন্য আমার বিরুদ্ধে স্বার্থের সঙ্ঘাতের অভিযোগ জমা পড়েছিল। বোর্ডের এথিক্স অফিসার সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন। আমারটা স্বার্থের সংঘাত না হলে ওঁর ক্ষেত্রে কী করে হবে?’’
(ভ্রম সংশোধন: এই প্রতিবেদনের প্রথম প্রকাশের সময় শিরোনামে সুরজিৎ লাহিড়ীকে অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সভাপতি লেখা হয়েছিল। তিনি আসলে অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী)