গুজরাত টাইটান্সের অধিনায়ক শুভমন গিলের (ডান দিকে) সঙ্গে বিক্রম সোলাঙ্কি। ছবি: পিটিআই।
ম্যাচের মধ্যে খেলার বাইরের প্রশ্ন করায় কি বিরক্ত হলেন বিক্রম সোলাঙ্কি? হর্ষ ভোগলেকে দেওয়া তাঁর জবাব সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। যদিও সেই জবাব হাসিমুখে শোনেন ভোগলে। আইপিএলে গুজরাত টাইটান্স বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচে সোলাঙ্কিকে বয়স নিয়ে প্রশ্ন করেন ভোগলে। তার জবাবও দেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার সোলাঙ্কি।
ম্যাচের মাঝে দুই দলের কোচ বা সহকারী কোচদের সঙ্গে কথা বলেন ধারাভাষ্যকারেরা। রবিবার দুপুরের ম্যাচে গুজরাত টাইটান্সের সহকারী কোচ সোলাঙ্কির সঙ্গে কথা হচ্ছিল ধারাভাষ্যকারদের। তখনই ভোগলে বলেন, “বিক্রম, শুনলাম তুমি ৫০তম জন্মদিনের কেক কাটলে। কিন্তু আমার মনে হয় সেটা সত্যি নয়। তোমাকে দেখে অনেক অল্প বয়সি লাগে। তোমার বয়স কত?”
সে কথা শুনে সোলাঙ্কি বলেন, “হর্ষ আমাকে নিয়ে কথা বলার অনেক সময় তুমি পাবে। এখন ক্রিকেট নিয়ে কথা বলি। যারা খেলছে ওদের নিয়ে কথা হোক। সেটাই ঠিক হবে, তাই না।” সোলাঙ্কির এই কথার মধ্যে খোঁচা ছিল। তিনি স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন, খেলার মধ্যে অন্য কোনও বিষয়ে কথা বলতে চান না। কিন্তু সেটা শুনে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি ভোগলে। হাসিমুখে সোলাঙ্কির কথা শোনেন তিনি। হেসে কথোপকথন শেষ করেন।
ধারাভাষ্যের ধরন বছরের পর বছর ধরে বদলেছে। আগে শুধুমাত্র ক্রিকেট ও ক্রিকেটীয় বিষয় নিয়েও কথা হত। ধীরে ধীরে সেখানে ক্রিকেটারদের জীবন নিয়েও কথা শুরু হয়। ক্রিকেটারদের উত্থানের কাহিনিও শোনা যায়। তাতে ক্রিকেটারদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারেন ধারাভাষ্যকারেরা।
আইপিএলে খেলার পাশাপাশি বিনোদনের দিকও রয়েছে। তাই ধারাভাষ্যকারেরা মাঝেমধ্যে নিজেদের মধ্যেও মজা করেন। বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতা চলে। হাসিঠাট্টা হয়। কিন্তু অনেকেই সেটা পছন্দ করেন না। তাঁরা মনে করেন, খেলার মাঝে খেলার বাইরে কোনও বিষয়ে প্রশ্ন করা উচিত নয়। সোলাঙ্কিও হয়তো সেই দলেই পড়েন। তাই ভোগলেকে এ কথা বলেছেন তিনি।