হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে অভিষেক শর্মা। ছবি: এক্স।
তিন দিন পরেই শ্রীলঙ্কার মাটিতে ভারত-পাকিস্তান মহারণ। সেই ম্যাচে ভারতের হয়ে কি ওপেন করতে পারবেন অভিষেক শর্মা? পেটের সমস্যায় তাঁকে ভর্তি করাতে হয়েছিল হাসপাতালে। বুধবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। কিন্তু নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই। অভিষেককে নিয়ে চিন্তায় ভারতীয় দল। জানা গিয়েছে, তাঁর ওজন খানিকটা কমে গিয়েছে।
‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ জানিয়েছে, ৬ ফেব্রুয়ারি সমস্যার সূত্রপাত। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুশীলনের পর কিছু একটা খেয়েছিলেন অভিষেক। খাবার খাওয়ার পরেই তাঁর পেটের সমস্যা শুরু হয়। সমস্যা নিয়েই আমেরিকার বিরুদ্ধে খেলতে নামেন অভিষেক। প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হন। তার পর আর অভিষেককে মাঠে দেখা যায়নি। তিনি ফিল্ডিং করেননি। এমনকি, খেলা শেষে আমেরিকার ক্রিকেটারদের সঙ্গে যখন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা করমর্দন করছেন, তখনও দেখা যায়নি ভারতীয় ওপেনারকে।
মুম্বইয়ে খেলা শেষে দিল্লি আসে ভারতীয় দল। পেটের সমস্যা ও তার পর আবহাওয়ার বদল হওয়ায় জ্বর চলে আসে অভিষেকের। সঙ্গে শরীরে জলশূন্যতা দেখা যায়। ফলে দলের সঙ্গে কোচ গৌতম গম্ভীরের বাড়িতে নৈশভোজে গেলেও বেশি ক্ষণ ছিলেন না তিনি। তাঁকে দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসা চলে তাঁর।
জানা গিয়েছে শরীরে জলশূন্যতার কারণে ওজন কমে গিয়েছে অভিষেকের। সেটাই প্রধান চিন্তার বিষয়। অভিষেক মারকুটে ব্যাটার। শুরু থেকে বড় শট মারেন। বড় শট মারার ক্ষেত্রে শরীরের পেশির গুরুত্ব বেশি। কিন্তু যদি ওজন কমে যায়, তা হলে পেশির জোর কমতে পারে। সে ক্ষেত্রে বড় শট খেলতে সমস্যা হতে পারে তাঁর।
এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের ব্যক্তিগত প্রশিক্ষককে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তিনি ভাল ভাবে বুঝবেন যে, অভিষেকের পেশির জোর বাড়াতে ঠিক কী কী করতে হবে। আগামী দু’দিন তিনিই অভিষেকের খেয়াল রাখবেন। তাঁকে শ্রীলঙ্কাতেও নিয়ে যাওয়া হবে বলে খবর। পাকিস্তান ম্যাচের আগে অভিষেককে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলার দায়িত্ব তাঁর ব্যক্তিগত প্রশিক্ষককে দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ, নামিবিয়া ম্যাচে অভিষেকের পরিবর্তে সঞ্জু স্যামসনকে খেলানো হবে। যদি কোনও কারণে এত চেষ্টার পরেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিষেককে খেলানো না যায়, তা হলে সঞ্জুকেই খেলাতে হবে। তাই তাঁকে ম্যাচ খেলিয়ে তৈরি রাখতে চাইছেন গৌতম গম্ভীরেরা।