WBCHSE Exam 2026

প্রস্তুতির সময় কম, হাতে ছিল না বইও! উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অভিযোগে বিদ্ধ শিক্ষা সংসদ

পরীক্ষার্থী থেকে অভিভাবক সকলেই অভিযোগ করেছেন, প্রস্তুতির জন্য কম সময় দেওয়া হয়েছে বলে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৫৭
Share:

— ফাইল চিত্র।

উচ্চ মাধ্যমিক চতুর্থ তথা চূড়ান্ত সেমেস্টারে প্রথম ভাষার পরীক্ষায় ঘটনার ঘনঘটা। কোথাও পরীক্ষার্থীরা দাবি করলেন, আশানুরূপ প্রশ্ন হয়নি, কোথাও অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রস্তুতির সমস্যা নিয়ে।

Advertisement

পরীক্ষার্থীদের অনেকেই অভিযোগ করেছে, পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশ্নপত্রের সংকলন হাতে পাওয়া গিয়েছে পরীক্ষার মাত্র দু’সপ্তাহ আগে। অনেকে পাঠ্য বই হাতে পেয়েছে গত নভেম্বরে। এরই মধ্যে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য পরীক্ষা এগিয়ে আনা হয়েছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, এর ফলে পড়ুয়ারা অনেক কম সময় পেয়েছে।

যদিও সংসদ সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, শুধু উচ্চ মাধ্যমিক নয়, নির্বাচনের কারণে এগিয়ে আনা হয়েছে মাধ্যমিকও। তিনি বলেন, “তৃতীয় সেমেস্টারে বই পাওয়া নিয়ে অনেক অভিযোগ আমরা পেয়েছিলাম। চতুর্থ সেমেস্টারে তা সংশোধন করে নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সংসদ অনুমোদিত বই পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর হিন্দু স্কুলের ছাত্র রোহিত পান বলে, “ প্রথম সেমেস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিচ্ছি। সে ভাবে ক্লাস হয়নি, ঠিকঠাক সাজেশনও পাইনি, তাই পরীক্ষা যেমন হবে বলে মনে হয়েছিল, তেমনটা হয়নি।” তবে, এই বিষয়ে সংসদ সভাপতি যদিও জানিয়েছেন, পরীক্ষা প্রস্তুতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের সাহায্য করার জন্য সারা বছর প্রচুর ভিডিয়ো মেটিরিয়াল নির্দিষ্ট মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। তাতে অসুবিধা হওয়া উচিত নয়।

প্রথম দিনের পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ৯৯ শতাংশ হলেও পরীক্ষার্থীদের সময়ানুবর্তিতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। শহরের একটি স্কুলে পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর অনেকেই এসেছে। এই বিষয়ে সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, পরে যারা পরীক্ষা দিতে আসছে, তাদের অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে কি না সে সিদ্ধান্ত পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেন্যু সুপারভাইজ়ার এবং কাউন্সিল নমিনি নেবেন।

পরীক্ষা শুরুর দিনেই শহরের একাধিক স্কুল পরিদর্শন করেন সংসদ সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য এবং সচিব প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। এ দিন পূর্ব বর্ধমানের একটি ছাত্রকে পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইল-সহ পাকড়াও করা হয়। মালডাঙা আরএম ইনস্টিটিউশন-এর ছাত্র ওই ছাত্র মন্তেশ্বরের সতী কৃষ্ণমণি গার্লস হাই স্কুলে পরীক্ষা দিতে এসেছিল। এই প্রসঙ্গে সংসদ সভাপতি বলেন, “পরীক্ষার্থীদের ভাল ভাবে দেহতল্লাশি করেই কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হচ্ছে। তবে দেহতল্লাশি-র কাজে অনভিজ্ঞতার কারণে কোনও ভাবে ওই ছাত্র মোবাইল নিয়ে ঢুকে যেতে পেরেছে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement