জফ্রা আর্চার। ছবি: বিসিসিআই।
আইপিএলে নজির গড়লেন জফ্রা আর্চার। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে নজির গড়েছেন ইংল্যান্ডের জোরে বোলার। গত ২৭ মে রাজস্থান রয়্যালস-সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এলিমিনেটর ম্যাচে নজির গড়েছেন আর্চার।
নিউ চণ্ডীগড়ের মাঠে হায়দাবাদের বিরুদ্ধে রাজস্থানের জয়ে অন্যতম নায়ক ছিলেন আর্চার। এই ম্যাচেই ইতিহাস তৈরি করেছেন আর্চার। আইপিএলের প্লে-অফ পর্বের একটি ম্যাচে প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে ৩টি উইকেট এবং ৩টি ক্যাচ নিয়েছেন তিনি। এর আগে পাঁচ জন ক্রিকেটার আইপিএলের একটি ম্যাচে ৩টি উইকেট এবং ২টি ক্যাচ নিয়েছেন। তাঁদের টপকে শীর্ষে উঠে এসেছেন আর্চার।
আগের পাঁচ জন হলেন হরভজন সিংহ, ডোয়েন ব্র্যাভো, রশিদ খান, মোহিত শর্মা এবং উমেশ যাদব। হরভজন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ২০১৩ সালে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজস্থানের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে ৩টি উইকেট এবং ২টি ক্যাচ নেন। একই বছরে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম কোয়ালিফায়ারে এই কীর্তি গড়েছিলেন ব্র্যাভো। ২০১৮ সালের আইপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৩টি উইকেট এবং ২টি ক্যাচ নেন গুজরাত টাইটান্সের রশিদ। ২০২৩ সালের ফাইনালে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে একই কীর্তি গড়েন গুজরাতের মোহিত। ২০১৪ সালের প্রথম কোয়ালিফায়ারে কেকেআরের হয়ে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ৩টি উইকেট এবং ২টি ক্যাচ নেন উমেশ। ২৭ জুনের ম্যাচে এই পাঁচ ক্রিকেটারকে একসঙ্গে টপকে নতুন নজির গড়েছেন আর্চার।
সব মিলিয়ে আইপিএলে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসাবে একই ম্যাচে অন্তত ৩টি উইকেট এবং ৩টি ক্যাচ নিয়েছেন আর্চার। তবে এ ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলার কাগিসো রাবাডা। তিনি ২০১৯ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৪টি উইকেট এবং ৩টি ক্যাচ নেন। ২০১৩ সালে ব্র্যাভো চেন্নাইয়ের হয়ে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে ৩টি উইকেট এবং ৩টি ক্যাচ নিয়েছিলেন।
চলতি মরসুমে ভাল ফর্মে রয়েছেন আর্চার। রাজস্থানের বোলার বেগনি টুপির দৌড়েও রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ১৫টি ম্যাচ খেলে ২৪টি উইকেট নিয়েছেন। তাঁর আগে রয়েছেন রাবাডা এবং ভুবনেশ্বর কুমার। তাঁরা ১৫টি ম্যাচে ২৬টি করে উইকেট নিয়েছেন।