ড্যারেল মিচেল। ছবি: পিটিআই।
সিরিজ়ে সমতা ফেরাল কিউয়িরা। ড্যারিল মিচেলের শতরান জয় এনে দিল। ভারতের বোলারেরা দাগ কাটতেই পারলেন না।
ভারতের বিরুদ্ধে নিজের ভাল ফর্ম বজায় রাখলেন মিচেল। হর্ষিতের বলে ১ রান নিয়ে শতরান করলেন তিনি।
নিউ জ়িল্যান্ড ২৩৫-৩।
মিচেলকে আউট করার একটা সুযোগ এসেছিল। কিন্তু মিচেলের ক্যাচ ফেলে দিলেন প্রসিদ্ধ। দু’জনেই শতরানের দিকে এগোচ্ছেন।
নিউ জ়িল্যান্ড ১৯৯-২।
মিচেলের পর ইয়ংও অর্ধশতরান করলেন। এই জুটি না ভাঙতে পারলে সমস্যা হবে ভারতের।
টানা দ্বিতীয় অর্ধশতরান মিচেলের। আগের দিন দলকে জেতাতে পারেননি। এ বার কি পারবেন?
নিউ জ়িল্যান্ড ১২৮-২।
প্রসিদ্ধের বলে স্টাম্প ছিটকে গেল নিকোলসের। পুল খেলতে গিয়েছিলেন তিনি। ব্যাটের নীচের দিকে লেগে বল লেগ স্টাম্প ভেঙে দিল। ১০ রানে আউট নিকোলস।
নিউ জ়িল্যান্ড ৪৬-২।
রান তোলার গতি আগের চেয়ে অনেকটাই কম। তবু ক্রিজ়ে পড়ে দুই কিউয়ি ব্যাটার নিকোলস এবং ইয়ং।
ভারতকে প্রথম ধাক্কা দিলেন হর্ষিত। তাঁর ভেতরে ঢুকে আসা বল কোনও ক্রমে খেলতে গিয়েছিলেন কনওয়ে। বল ব্যাটে লেগে অফস্টাম্প ভেঙে দিল। ১৬ রানে ফিরলেন কনওয়ে।
নিউ জ়িল্যান্ড ২২-১।
৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান করল ভারত। ৯২ বলে ১১২ রান করে অপরাজিত থাকলেন রাহুল।
রোহিত, কোহলি ব্যর্থ হলেও রাহুল বোঝালেন তাঁর গুরুত্ব। কঠিন সময়ে ব্যাট করতে নেমে শতরান করলেন তিনি। ভারতকে সম্মানজনক স্কোরে নিয়ে গেলেন রাহুল।
আগের ম্যাচের মতো খেলতে পারলেন না হর্ষিত রানা। চালিয়ে খেলতে গিয়ে ফিরলেন ২ রানে। লেনক্সের বলে ক্যাচ দিলেন ব্রেসওয়েলের হাতে।
ভারত ২৫৬-৭।
৫৭ রানে ভাঙল জুটি। ভাল খেলতে থাকলেও সাজঘরে ফিরলেন নীতীশ। ফোকসের বলে ফিলিপসের হাতে ক্যাচ দিলেন তিনি।
ভারত ২৪৮-৬।
আরও এক বার রাহুল দেখালেন, তাঁর উপর কতটা ভরসা করে ভারত। কঠিন সময়ে খেলতে নেমেছিলেন। দলকে টেনে তুললেন তিনি। তাঁর ব্য়াটে ২০০ রান পার হল ভারতের। অর্ধশতরান করে খেলছেন রাহুল।
অবশেষে ভাঙল ৭৩ রানের জুটি। ব্রেসওয়েলের বলের বাউন্স বুঝতে না পেরে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন জাডেজা। ২৭ রান করে আউট হলেন তিনি। ১৯১ রানে পঞ্চম উইকেট হারাল ভারত।
পর পর শ্রেয়স ও কোহলিকে হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সেখান থেকে দলকে টানছেন লোকেশ রাহুল ও রবীন্দ্র জাডেজা। রান তোলার গতি কম হলেও আর উইকেট হারায়নি ভারত। ধীরে ধীরে দলের রান এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। অর্ধশতরানের জুটি গড়েছেন তাঁরা।
ক্লার্কের বলের বাউন্স বুঝতে পারলেন না কোহলি (২৩)। বল তাঁর ব্যাটে লেগে উইকেট ভেঙে দেয়। ভারত ১১৮/৪।
অধিনায়কের পথেই আউট হলেন সহ-অধিনায়ক। কোহলির সঙ্গে জুটি বাঁধছিলেন। ক্রিশ্চিয়ান ক্লার্কের একটি নিরীহ বলে খারাপ শট মারলেন শ্রেয়স। মিড অফে তাঁর ক্যাচ ধরলেন ব্রেসওয়েল। ৮ রান করলেন শ্রেয়স। ১১৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারাল ভারত। যে তিনটি উইকেট পড়ল, সবগুলিই ব্যাটারের দোষে।
জুটি গড়ার চেষ্টায় কোহলি ও শ্রেয়স। কোহলি ১৯ ও শ্রেয়স ৭ রানে ব্যাট করছেন। নিউ জ়িল্যান্ডের স্পিনারদের বিরুদ্ধে ভারতের রান তোলার গতি কিছুটা কমেছে। তবে এই দুই ব্যাটার আরও ১০ ওভার ক্রিজ়ে থাকলে বড় রানের পথে এগোবে দল।