Arrest

কলকাতা পুরসভার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর গ্রেফতার! আগেও গ্রেফতার হয়েছেন তিন জন

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বড়বাজার থানায় মহেশের বিরুদ্ধে লি‌খিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ওই মামলাতেই বুধবার মহেশকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬ ০১:২৪
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

গ্রেফতার হলেন কলকাতা পুরসভার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর। বুধবার কলকাতা পুরসভার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহেশকুমার শর্মাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, হুমকি-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই পর পর দু’দিনে মোট তিন জন কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বড়বাজার থানায় মহেশের বিরুদ্ধে লি‌খিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ওই মামলাতেই বুধবার মহেশকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-৬১(২), সরকারি কর্মীকে তাঁর দায়িত্বে বাধা দেওয়া বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা-১৩২, তোলাবাজি- ৩০৮, হুমকি বা ভয় দেখানো- ৩০৮(৩), অপরাধের চেষ্টা- ৬২, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়- ৩০৮(৬), ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা- ৩৫২ ইত্যাদি ধারায় মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২ জুন তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হন কলকাতা পুরসভার আরও দুই তৃণমূল কাউন্সিলর। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে কলকাতা পুরসভার ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুরকে গ্রেফতার করে গড়ফা থানার পুলিশ। স্থানীয় প্রোমোটার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হুমকি দিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। দীর্ঘ দিন ধরেই এলাকায় নির্মাণকাজ ও ব্যবসা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে প্রভাব খাটিয়ে তিনি কাটমানি চাইছিলেন বলে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা মেলায় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। অরিজিতের গ্রেফতারির আগে সামনে আসে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শচীন সিংহের নাম। নারকেলডাঙা থানার পুলিশ তাঁকেও একই রাতে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধেও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য মিলেছে।

Advertisement

অন্য দিকে, তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লেকে গত ২৩ মে শনিবার রাতে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। তিনি কলকাতা পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ১৬ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ ছিল, এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement