কেকেআরের অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে এবং গুজরাতের অধিনায়ক শুভমন গিল। — ফাইল চিত্র।
মাত্র ৩৭ রান উঠল প্রথম ছ’ওভারে। হারাতে হয়েছে ৩ উইকেট। কেকেআরের অবস্থা কতটা খারাপ তা বোঝা যাচ্ছে এই পরিসংখ্যানেই।
ফিন অ্যালেনের জায়গায় নেওয়া হয়েছিল তাঁকে। জায়গা ধরে রাখার মতো খেলতে পারলেন না তিনি। ১৪ বলে ১৯ করে ফিরলেন। দ্বিতীয় উইকেট রাবাডার।
কেকেআর ৩৩-৩।
আরও একটি উইকেট পড়ল কলকাতার। রাবাডার বলে বাটলারের হাতে খোঁচা দিয়ে ফিরলেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। দু’ওভারেই কেকেআরের দুই ব্যাটার সাজঘরে।
কেকেআর ২১-২।
দিশাহীন অধিনায়ক হলে যা হয়! এমনিতেই প্রথমে ব্যাট নিয়েছেন। তার পর প্রথম বলেই সিরাজকে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন রাবাডার হাতে।
কেকেআর ৫-১।
সাধারণত পিচ বা পরিবেশের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়কেরা। রাহানের মুখে তেমন কথা শোনা গেল না। তিনি জানালেন, ব্যাটারেরা যাতে খোলা মনে খেলতে পারেন তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর মনে হয়েছে, এই আইপিএলে সব কিছুই করেছেন। এ বার প্রথমে ব্যাট করে বেশি রান তুলে দেখতে চান বিষয়টা কোন দিকে এগোয়।