কেকেআরের অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে এবং গুজরাতের অধিনায়ক শুভমন গিল। — ফাইল চিত্র।
৬ ম্যাচে মধ্যে ৫টাতেই হারল কেকেআর। গুজরাতের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে।
চার রান দরকার। এই অবস্থায় তুলে মারতে গিয়ে আউট ফিলিপস। ১৯ রান করে আউট রমনদীপের বলে।
গুজরাত ১৭৭-৫।
শতরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। আউট হয়ে গেলেন শুভমন। ভাল ক্যাচ ধরলেন গ্রিন। ৫০ বলে ৮৬ করলেন গ্রিন।
গুজরাত ১৫৮-৪।
শুভমনের সঙ্গে জুটি বেধে একটা দিক ধরে রেখেছিলেন। চালিয়ে খেলতে গিয়ে আউট হলেন ওয়াশিংটন। ১৩ বলে ১৩ রানে ফিরলেন।
গুজরাত ১৪১-৩।
বরুণকে তুলে মারতে গিয়ে গ্রিনের হাতে ক্যাচ দিলেন বাটলার। ১৫ বলে ২৫ করলেন বাটলার। এটাই এ বারের আইপিএলে প্রথম উইকেট বরুণের। কেকেআরের হয়ে ১০০টি উইকেট হল তাঁর।
গুজরাত ৯৭-২।
দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট তুললেন নারাইন। ১৬ বলে ২২ করে ফিরলেন সুদর্শন।
গুজরাত ৫৭-১।
ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও কেকেআরের কোনও পরিকল্পনা নেই। শুরু থেকে চালিয়ে খেলছে গুজরাত। প্রথম ওভারেই তিনটি ছক্কা খেলেন অনুকূল।
গুজরাত ৪৫-০।
৫৫ বলে ৭৯ করে ফিরলেন গ্রিন। তিনি আজ না থাকলে কেকেআরের কপালে আরও দুঃখ ছিল। এই রান গুজরাতের পক্ষে তুলতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
বল দেখতে গিয়ে ভুলেই গিয়েছিলেন রান নিতে হবে। গ্রিন ও পারে পৌঁছে যাওয়ার পর সম্বিত ফিরল। একটি ছয় মেরেও রান আউট কার্তিক।
কেকেআর ১৭৩-৯।
পাঁচটি বল নষ্ট করে বিদায় নিলেন। প্রতি বাদ উইকেট ছেড়ে খেলার চেষ্টা করে পরাস্ত হচ্ছিলেন। একটি বল ব্যাটে লাগতেই জমা পড়ল ফিল্ডারের হাতে।
কেকেআর ১৬৬-৮।
ক্রিজ়ে নেমে ভালই চালাচ্ছিলেন। অতিরিক্ত আগ্রাসী হতে গিয়ে উইকেট খোয়ালেন। ৮ বলে ১৭ করে ফিরলেন রমনদীপ।
কেকেআর ১৬৫-৭।
আইপিএলটা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে রিঙ্কুর কাছে। ২ বলে ১ রান করে ফিরে গেলেন তিনি। এই মাঠেই টানা পাঁচটি ছক্কা মারার ইতিহাস রয়েছে তাঁর।
কেকেআর ১৪৮-৬।
গ্রিনের সামনে খুব বেশি বল খেলার সুযোগ পাননি। ৭ বলে ৯ রান করে ফিরলেন।
তাঁর দাম নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। অবশেষে সেই দামের কিছুটা ফেরালেন গ্রিন। গুজরাতের বিরুদ্ধে চাপের মুখে অর্ধশতরান করলেন তিনি।
কেকেআর ১২৮-৪।
তিনিই একটু সাহসী হয়ে চালিয়ে খেলছিলেন। তবে নিজের ইনিংস বেশি ক্ষণ টানতে পারলেন না রভমান পাওয়েল। ২০ বলে ২৭ রান করে অশোকের বলে সিরাজের হাতে ক্যাচ দিলেন।
কেকেআর ৮৭-৪।
মাত্র ৩৭ রান উঠল প্রথম ছ’ওভারে। হারাতে হয়েছে ৩ উইকেট। কেকেআরের অবস্থা কতটা খারাপ তা বোঝা যাচ্ছে এই পরিসংখ্যানেই।
ফিন অ্যালেনের জায়গায় নেওয়া হয়েছিল তাঁকে। জায়গা ধরে রাখার মতো খেলতে পারলেন না তিনি। ১৪ বলে ১৯ করে ফিরলেন। দ্বিতীয় উইকেট রাবাডার।
কেকেআর ৩৩-৩।
আরও একটি উইকেট পড়ল কলকাতার। রাবাডার বলে বাটলারের হাতে খোঁচা দিয়ে ফিরলেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। দু’ওভারেই কেকেআরের দুই ব্যাটার সাজঘরে।
কেকেআর ২১-২।
দিশাহীন অধিনায়ক হলে যা হয়! এমনিতেই প্রথমে ব্যাট নিয়েছেন। তার পর প্রথম বলেই সিরাজকে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন রাবাডার হাতে।
কেকেআর ৫-১।
সাধারণত পিচ বা পরিবেশের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়কেরা। রাহানের মুখে তেমন কথা শোনা গেল না। তিনি জানালেন, ব্যাটারেরা যাতে খোলা মনে খেলতে পারেন তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর মনে হয়েছে, এই আইপিএলে সব কিছুই করেছেন। এ বার প্রথমে ব্যাট করে বেশি রান তুলে দেখতে চান বিষয়টা কোন দিকে এগোয়।