আউট হয়ে ফিরছেন হতাশ ঋষভ পন্থ। ছবি: পিটিআই।
জস ইংলিস যে শুরুটা দিয়েছিলেন তাতে অন্তত ২২০-২২৫ রান করা উচিত ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। কিন্তু মাঝপথে পর পর উইকেট পড়ায় খেই হারাল তাদের ব্যাটিং। আরও একটি ম্যাচে ব্যর্থ ঋষভ পন্থ। শেষ দিকে বাংলার শাহবাজ় আহমেদের ব্যাটে ভর করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান করল লখনউ।
চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে আবার ইংলিসকে ফিরিয়ে আনা হয় লখনউয়ের প্রথম একাদশে। সেই সিদ্ধান্ত কাজে লাগে। মিচেল মার্শের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন তিনি। আগের ম্যাচে শতরান করা মার্শ এই ম্যাচে ১০ রানে আউট হন। তিন নম্বরে নেমে রান পাননি নিকোলাস পুরান। ১ রান করেন তিনি। পুরানের দুঃস্বপ্নের মরসুম শেষই হচ্ছে না।
অপর প্রান্তে উইকেট পড়লেও এক দিকে বিধ্বংসী ইনিংস খেলছিলেন ইংলিস। দলের সিংহভাগ রান আসছিল তাঁর ব্যাট থেকে। মাত্র ১৭ বলে ৫০ রান করেন তিনি। পাওয়ার প্লে শেষে ৯১ রান করে লখনউ। আইপিএলের ইতিহাসে এটি পাওয়ার প্লে-তে তাদের সর্বাধিক রান। তার মধ্যে ৭৭ রানই আসে ইংলিসের ব্যাট থেকে। ভাল দেখাচ্ছিল তাঁকে। দেখে মনে হচ্ছিল শতরান করবেন।
দশম ওভারে লখনউকে জোড়া ধাক্কা দেন জেমি ওভারটন। ৩৩ বলে ৮৫ রান করে আউট হন ইংলিস। ১০টি চার ও ছ’টি ছক্কা মারেন তিনি। সেই ওভারেই পন্থকে বোল্ড করেন ওভারটন। ১২ বলে ১৫ রান করেন পন্থ। তাঁরও এই মরসুমে রান আসছে না। আরও একটি ম্যাচে হতাশ করলেন লখনউয়ের অধিনায়ক।
রান পাননি এডেন মার্করামও (৬)। বাউন্ডারি থেকে ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি। একটা সময় দেখে মনে হচ্ছিল, ১৮০ রান করতেও সমস্যা হবে লখনউয়ের। সেখান থেকে দলকে টানলেন শাহবাজ়। এই মরসুমে বেশি সুযোগ পাননি। কিন্তু বাংলার অলরাউন্ডার দেখিয়ে দিলেন, তাঁকে না খেলিয়ে ভুল করেছে লখনউ।
হিম্মত সিংহের সঙ্গে ৩২ বলে ৫০ রানের জুটি গড়লেন। শেষ বলে ছক্কা মেরে দলের রান ২০০ পার করালেন। ২৫ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত শাহবাজ়। তিনটি চার ও তিনটি ছক্কা মেরেছেন তিনি। হিম্মত করেছেন ১৭ রান।