IPL 2026

জয়ের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব ২২ বছরের কনোলিকেই দিলেন শ্রেয়স, প্রশংসা করলেন শুভমনের আগ্রাসী নেতৃত্বের

গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ব্যাট করার সময় হাতে চোট পেয়েছেন শ্রেয়স আয়ার। তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পঞ্জাব কিংস অধিনায়ক। তাঁর লক্ষ্য জয়ের ছন্দ ধরে রাখা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ০০:২৩
Share:

শ্রেয়স আয়ার। ছবি: বিসিসিআই।

শুভমন গিলের গুজরাত টাইটান্সকে হারানোর কৃতিত্ব ২২ বছরের সতীর্থকে দিলেন পঞ্জাব কিংস অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। মেনে নিলেন চাপের মুখ থেকে কুপার কনোলির ইনিংসই তাঁদের উদ্ধার করেছে। দলকে জয় এনে দিতে পেরে খুশি অস্ট্রেলীয় ব্যাটারও।

Advertisement

ব্যাট করার সময় ডান হাতে চোট পেয়েছেন শ্রেয়স। ম্যাচের পর জানালেন গুরুতর কিছু নয়। চোট নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন। শ্রেয়সের লক্ষ্য জয়ের ছন্দ ধরে রাখা। শুভমনদের বিরুদ্ধে জয়ের কৃতিত্ব কনোলিকে দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘কনোলি দুর্দান্ত ব্যাট করল। কয়েকটা শট তো অসাধারণ। বিশেষ করে রশিদ খানকে যে ছয়টা মারল। ও কিন্তু আগে রশিদের বল কখনও খেলেনি।’’ দলের চাপে পড়ে যাওয়া নিয়ে বলেন, ‘‘হাতে বরফ দিচ্ছিলাম। ম্যাচের দিকে নজর ছিল না। সে সময়ই পর পর দুটো উইকেট পড়ে গিয়ে চাপ তৈরি হয়। আইপিএলে এমন হয়েই থাকে। এই পরিস্থিতিতেও কনোলি মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচটা বের করে আনল। আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত লড়াই করা। সে ভাবেই জয় এসেছে।’’

গুজরাতকে কম রানে আটকে রাখা নিয়ে শ্রেয়স বলেছেন, ‘‘অর্শদীপ সিংহ প্রথম ওভার করে এসে বলল, উইকেট মন্থর। বল পড়ে থামকে যাচ্ছে। ওর কথা শুনে আমরা ঠিক করি, যতটা সম্ভব কম গতিতে বল করব। বলটাকে তাড়াতাড়ি পুরনো করার চেষ্টা করেছি আমরা। বিজয়কুমার বৈশাখের কথাও বলব। গত বছর ফাইনালে দারুণ পারফর্ম করেছিল। এ বার যেন সেখান থেকেই শুরু করল। বৈশাখ বড় ম্যাচের খেলোয়াড়। ওর উপর আমাদের আস্থা রয়েছে।’’

Advertisement

শ্রেয়স প্রশংসা করেছেন শুভমনের ফিল্ডিং সাজানোরও। পঞ্জাব অধিনায়ক বলেছেন, ‘‘আমি ব্যাট করার সময় দেখলাম শর্ট লেগে ফিল্ডার রেখেছে। এ রকম আগে দেখিনি। শুভমনকে বললামও। আইপিএলে অধিনায়কেরা আগ্রাসী হচ্ছে। এটা ভালই।’’

ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়ে কনোলি বলেছেন, ‘‘বিশ্বমানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলার জন্য মুখিয়ে ছিলাম। এটা নতুন অভিজ্ঞতা। নিজের পারফরম্যান্সে আমি খুশি। আশা করছি গোটা আইপিএলেই দলকে এ ভাবে সাহায্য করতে পারব।’’ আইপিএলের জন্য কী ভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন? অস্ট্রেলীয় তরুণ বলেছেন, ‘‘এখানে আসার আগে কিছু দিন পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে কাটিয়েছি। আমার খেলাটা অনেকটা ছন্দের উপর নির্ভর করে। খুব বড় বড় ছয় মারতে পারি না। রিকি পন্টিংকে কোচ হিসাবে পেয়ে উপকৃত হয়েছি।’’

কনোলি জানিয়েছেন, ব্যাট করতে তাঁর সমস্যা হয়নি। স্বচ্ছন্দে শট মারতে পেরেছেন। রশিদের বলে ব্যাটিংও উপভোগ করেছেন। প্রতিযোগিতার বাকি ম্যাচগুলিতে ফর্ম ধরে রাখাই তাঁর লক্ষ্য।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement