শ্রেয়স আয়ার। —ফাইল চিত্র।
জিততে যেন ভুলে গিয়েছে পঞ্জাব কিংস। যে দল প্রথম সাত ম্যাচ একটি ম্যাচও হারেনি, সেই দল পরের ছ’ম্যাচের সবগুলি হেরেছে। টানা আধডজন ম্যাচ হেরেছে তারা। ফলে প্লে-অফে ওঠার সুযোগ কমেছে তাদের। যদিও এই হার নিয়ে খুব একটা ভাবতে চাইছেন না শ্রেয়স আয়ার। পঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক জানিয়েছেন, তিনি সূর্যোদয় দেখতে যাবেন।
খেলা শেষে শ্রেয়স জানিয়েছেন, তিনি সব সময় ইতিবাচক থাকতে ভালবাসেন। শ্রেয়স বলেন, “ম্যাচের ফলাফল যা-ই হোক, আমি সব সময় ইতিবাচক থাকি। আমি মানুষটাই এ রকম। মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ি না।” টানা আধডজন হারের পরেও তাঁর মনোভাব বদলাবে না বলে জানিয়েছেন শ্রেয়স। তিনি বলেন, “আমি অতীত নিয়ে খুব একটা ভাবি না। যেটা হয়ে গিয়েছে, হয়ে গিয়েছে। কাল আবার সূর্যোদয় দেখতে যাবে। অন্ধকার সুড়ঙ্গের শেষে আলোর দেখা পাওয়া যাবেই।”
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ২২৩ রান তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেটে ১৯৯ রানে শেষ হয় পঞ্জাবের ইনিংস। শ্রেয়সের মতে, প্লাওয়ার প্লে-তেই খেলা হেরে গিয়েছেন তাঁরা। তিনি বলেন, “২২৩ রান তাড়া করা খুব কঠিন ছিল না। তবে তার জন্য শুরুটা ভাল হতে হত। পাওয়ার প্লে-তেই আমার হেরে গেলাম। আমাদের তিন উইকেট পড়ে গেল। এর আগে আমাদের দলের বেশির ভাগ রান প্রিয়াংশ ও প্রভসিমরন করেছে। ওরা ভাল শুরু দিত। তার পর আমি ধরতাম। কিন্তু এই ম্যাচে সেটা হল না।”
একটা সময় মনে হচ্ছিল, বড় ব্যবধানে হারবে পঞ্জাব। কিন্তু শশাঙ্ক সিংহের লড়াকু অর্ধশতরানে খেলায় ফেরে পঞ্জাব। শশাঙ্কের প্রশংসা করেছেন শ্রেয়স। তিনি বলেন, “খুব হতাশ লাগছে। শশাঙ্ক ও স্টোইনিস যে খেলাটা খেলল, সে রকম যদি আরও এক জন খেলতে পারত, তা হলে হয়তো ছবিটা অন্য রকম হত। শুরুটা আরও একটু ভাল করতে হত। তা হলে হয়তো জিততেই পারতাম।”
বেঙ্গালুরুর কাছে হারের পর ১৩ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পঞ্জাবের। তাদের আর একটি ম্যাচ বাকি। লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারাতে পারলে ১৫ পয়েন্ট হবে গত বারের রানার্সদের। কিন্তু সেই ম্যাচও হারলে তাদের যে প্লে-অফে ওঠার সুযোগ আর থাকবে না, তা পরিষ্কার। তার পরেও ইতিবাচক রয়েছেন শ্রেয়স।