শ্রেয়স আয়ার। ছবি: পিটিআই।
পুরস্কার পেতে পারেন শ্রেয়স আয়ার। আইপিএলে এখনও পর্যন্ত অপ্রতিরোধ্য পঞ্জাব কিংস। ভাল নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রেয়স। ছ’ম্যাচ খেলে পাঁচটি জিতেছে পঞ্জাব। একটি ম্যাচ ভেস্তে গিয়েছে। খেলা হলে হয়তো সেটিও জিতত তারা। পয়েন্ট তালিকায় সকলের উপরে পঞ্জাব। আইপিএলে ভাল নেতৃত্ব দেওয়ায় নজরে শ্রেয়স। এ বার ভারতীয় দলের অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে তিনি।
এমনিতেই ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব চাপে রয়েছেন। ব্যাট হাতে ফর্মে নেই তিনি। ফলে তাঁকে সরিয়ে বোর্ড টি-টোয়েন্টিতে নতুন অধিনায়ক ঘোষণা করতে পারে। সেই দৌড়ে শ্রেয়স রয়েছেন। তবে যদি সূর্যকে না সরানো হয়, তার পরেও শ্রেয়স ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হতে পারেন।
নেপথ্যে রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি পরিকল্পনা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতীয় বোর্ড চাইছে ৩০-৩৫ জন ক্রিকেটার তৈরি রাখতে। চলতি বছর একসঙ্গে একাধিক প্রতিযোগিতা রয়েছে। যেমন চলতি বছর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ়। সেখানে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলবে ভারত। আবার সেই সময়ই রয়েছে এশিয়ান গেমস। সেখানেও ক্রিকেট রয়েছে। ফলে একই সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ় ও এশিয়ান গেমসে দু’টি পৃথক ভারতীয় দলকে খেলতে দেখা যাবে।
সে ক্ষেত্রে দু’টি দলের দুই অধিনায়ক প্রয়োজন। একটি দলের অধিনায়ক হতে পারেন শ্রেয়স। আবার ২০২৮ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রয়েছে। আবার সেই বছরই অলিম্পিক্স রয়েছে। সে বার অলিম্পিক্সে ক্রিকেট রয়েছে। ফলে দু’টি সিরিজ়ে খেলানোর মতো ক্রিকেটার তৈরি রাখতে হবে। সেখানেও শ্রেয়স একটি দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন।
শ্রেয়স ছাড়াও বোর্ডের নজরে কয়েক জন ক্রিকেটার রয়েছেন। তাঁদের টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। সেই তালিকায় কলকাতা নাইট রাইডার্সের তিন ক্রিকেটার রয়েছেন। এ বার আইপিএলে কেকেআর খারাপ খেললেও অঙ্গকৃশ রঘুবংশী, অনুকূল রায় ও কার্তিক ত্যাগী নজর কেড়েছেন। ফলে তাঁরা ভারতীয় দলে জায়গা পেতে পারেন। আইপিএলের পর আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা রয়েছে ভারতের। সেই সব ম্যাচে এই ক্রিকেটারদের খেলানো হতে পারে। এশিয়ান গেমসের আগে তাঁদের তৈরি করতে চাইছে বোর্ড।